টানা ভারী বর্ষণে তলিয়ে গেছে পর্যটন শহর-চরম দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

টানা ভারী বর্ষণে তলিয়ে গেছে পর্যটন শহর-চরম দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

শহর প্রতিনিধি:

টানা ভারী বর্ষণে তলিয়ে গেছে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকা। প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলি-গলির সড়ক কিংবা উপ-সড়ক সর্বত্রই যেন পরিণত হয়েছে ছোট ছোট নদীতে। এসময় যানবাহন চালক ও সাধারণ পথচারী ছাড়াও চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের বাজারঘাটা, বার্মিজ মার্কেট এলাকার অবস্থা ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। শুধু তাই নয় শহরের বৌদ্ধ মন্দির সড়ক, বড় বাজার, স্বর্ণ মার্কেট, টেকপাড়া, হাঙ্গর পাড়া, বাহারছড়া, বৈদ্যঘোনা, কালুর দোকানসহ বিভিন্ন এলাকায় হাটু পরিমাণ পানিতে ডুবে যায় উপ-সড়ক। এতে করে মানুষের দুর্ভোগের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। দীর্ঘ বছর ধরে চলা শহরের জলাবদ্ধতা সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ খুঁজেও সমাধান মিলেনি। ভারী বৃষ্টিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পৌরবাসীকে। প্রতিটি সড়ক-উপসড়কের নাজুকতা, ড্রেইন দখল ক্রমান্বয়ে হয়ে আসার ফলে জলাবদ্ধতায় পৌরবাসীর কষ্টের মাত্রা বেড়েছে সীমাহীন। আগে থেকে শহরের সড়ক-উপসড়কে অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। উঠে গেছে কার্পেটিং। বৃষ্টিপাতে অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। রাস্তার ছোট গর্তগুলো মিনি পুকুরে রূপ নিয়েছে। জলাবদ্ধতায় রাস্তার গর্ত বুঝার উপায় নেই। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। শহরের প্রধান সড়কে মারাত্মক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ভঙ্গুর সড়কগুলো আরও ভঙ্গুর হয়ে বেহাল দশায় পরিণত হচ্ছে। এর মধ্যে কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এসব স্থানে জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সেখানে গর্ত হয়ে বৃষ্টির পানিতে পুকুরে পরিণত হয়েছে। বাজারঘাটার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন-বর্ষা কিংবা গ্রীস্ম কাল যেসময় বৃষ্টি হোক না কেন তাদের কষ্টের সীমা থাকে না। রাস্তার পানি দোকানে ঢুকে মালামাল নষ্ট হয়ে যায়। ফলে লোকসান গুণতে হয় ব্যবসায়ীদের। তিনি ড্রেন দখলমুক্ত ও রাস্তা সংস্কারের দাবি জানান। কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা বলেন-বর্তমানে কক্সবাজার শহরের যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তাতে আমরা কোন যুদ্ধ বিস্তত্ব দেশে বসবাস করছি মত। একদিকে রাস্তা-ঘাটের বেহাল অবস্থা অন্যদিকে টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান জানান, সাগরে লঘুচাপের কারণে সমুদ্র বন্দরসমুহকে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। লঘুচাপের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবারও (২৩ অক্টোবর) ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬৩,২৭২,৪৪৮
সুস্থ
৪৩,৭৬০,৪৩২
মৃত্যু
১,৪৬৯,০৪০
সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪

একাত্তর পত্রিকার প্রতিনিধি সভা

dainikcoxsbazarekattor.com © All rights reserved
x