1. coxsbazarekattorbd@gmail.com : Cox's Bazar Ekattor : Cox's Bazar Ekattor
  2. coxsekttornews@gmail.com : Balal Uddin : Balal Uddin
কক্সবাজারে শীতের প্রভাব : হাসপাতালে একসিটে ৩/৪ জন রোগী - Cox's Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
জাহাজেই ঈদের নামাজ পড়লেন জিম্মি বাংলাদেশি নাবিকরা শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে সাতক্ষীরায় ২৫ গ্রামে ঈদ উদযাপন পার্বত্য জেলায় অস্থিরতার কারণে ঈদ কেন্দ্রিক পর্যটনের চাপ কক্সবাজারে পেকুয়ায় ৭ করাতকলে প্রশাসনের অভিযান ঈদের পরদিন থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী সব জাহাজ বন্ধ ঝিলংজার হাজিপাড়ায় সংঘবদ্ধ চোরের উপদ্রব।। আতংক চরমে কক্সবাজারে আইএমও কর্মকর্তা তুহিনের হামলায় ছাত্রসহ বৃদ্ধা মহিলা আহত! হোটেল থেকে নির্মাতা সোহানুর রহমানের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার ‘সন্ত্রাসী ইসরাইলি হামলা বিশ্বের মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে’ -ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী

কক্সবাজারে শীতের প্রভাব : হাসপাতালে একসিটে ৩/৪ জন রোগী

  • আপলোড সময় : বুধবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৫ জন দেখেছেন

স্টাফ রিপোর্টার-আবু সালমান ফারহান:- পর্যটন শহর কক্সবাজারে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলছে। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায় প্রচুর শীত পড়ছে। কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। কনকনে শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। বেশি দুর্ভোগে পড়েছে জেলার শিশু শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধরা আর খেটে খাওয়া মানুষ। কনকনে শীতেও স্কুল খোলা থাকায় কাকডাকা ভোরে উঠতে হচ্ছে তাদের। ফলে আক্রান্ত হচ্ছে জ্বর, সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়াসহ নানান শীতজনিত রোগে। হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ। রোগীর চাপ সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তবে জেলা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাতদিন সেবা দিয়ে যাচ্ছে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
জানা যায়, ২৫০ শয্যার কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ৪০ শয্যার শিশু মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি আছে শয্যা সংখ্যার ৩ থেকে ৫ গুণ শিশু। এছাড়া আলাদা সংক্রামক ব্যাধি ওয়ার্ডে এক সিটে ৪ জন করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। কোথাও বসার জায়গা পর্যন্ত নেই। বুধবার এই ওয়ার্ডে ২০ জনের সিটে ভর্তি হয়েছে চিকিৎসা নিচ্ছে ৫৬ জন রোগি।
অপরদিকে শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, ৬৫ শিশু রোগি ভর্তি আছে ওয়ার্ডে। স্থান সংকুলান না হওয়ায় হাসপাতালের এক বেডে ৩/৪ জন করে থাকতে হচ্ছে।
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে খুরুশকুল থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আয়ান এর মা মমতাজ বেগম জানান, গত তিনদিন ধরে নিউমোনিয়া সমস্যায় বাচ্চাকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছি। এখন মোটামুটি ভালোর দিকে তবে এখানে সিট পাওয়া যাচ্ছে না।
টেকনাফের শামলাপুর থেকে আসা ৬ মাসের শিশু একরাম উল্লাহর বাবা জানান, পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় গ্রামে প্রচুর শীত পড়ছে। সেই অবস্থায় বাচ্চার ঠান্ডা কাঁশি আর জ্বর চলে আসছে। ফার্মেসী থেকে ওষুধ খেয়ে কোন কাজ না হওয়ায় রাতে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।
জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো: আশিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক শিশু হাসপাতালে আসছে। আমরা তাদেরকে সাধ্যমতো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। প্রতিদিন প্রচুর শিশু ও ঠাণ্ডাজনিত কারনে বৃদ্ধ রোগি আসছে। এই মুহুর্তে সবাইকে যত্ন সহকারে সচেতন থাকতে হবে।এদিকে বুধবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবারও একই ছিল তাপমাত্রা। ফলে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে জনজীবনে। সকাল বেলা প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছে না অধিকাংশ মানুষ। প্রতিদিন সন্ধ্যা হতে না হতেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে ব্যস্ততম শহরসহ সড়ক উপ-সড়ক আর বাজার।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আব্দুল হান্নান বলেন, বুধবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। গতকালও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি। এই পরিস্থিতি আরও দুই তিন দিন থাকতে পারে বলেও জানান তিনি। শুক্র-শনিবার হালকা বৃষ্টির আভাস রয়েছে। পুরো জানুয়ারী মাস শীতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করতে পারেন খবরটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো বিভিন্ন খবর দেখুন

Sidebar Ads

ডাঃ কবীর উদ্দিন আহমদ

© All rights reserved © 2015 Dainik Cox's Bazar Ekattor
Theme Customized By MonsuR