1. coxsbazarekattorbd@gmail.com : Cox's Bazar Ekattor : Cox's Bazar Ekattor
  2. coxsekttornews@gmail.com : Balal Uddin : Balal Uddin
পর্যটন শহরে রোহিঙ্গা ও অদক্ষ চালকের হাতে টমটম-অটোরিকশা - Cox's Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর
সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
জাহাজেই ঈদের নামাজ পড়লেন জিম্মি বাংলাদেশি নাবিকরা শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে সাতক্ষীরায় ২৫ গ্রামে ঈদ উদযাপন পার্বত্য জেলায় অস্থিরতার কারণে ঈদ কেন্দ্রিক পর্যটনের চাপ কক্সবাজারে পেকুয়ায় ৭ করাতকলে প্রশাসনের অভিযান ঈদের পরদিন থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী সব জাহাজ বন্ধ ঝিলংজার হাজিপাড়ায় সংঘবদ্ধ চোরের উপদ্রব।। আতংক চরমে কক্সবাজারে আইএমও কর্মকর্তা তুহিনের হামলায় ছাত্রসহ বৃদ্ধা মহিলা আহত! হোটেল থেকে নির্মাতা সোহানুর রহমানের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার ‘সন্ত্রাসী ইসরাইলি হামলা বিশ্বের মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে’ -ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী

পর্যটন শহরে রোহিঙ্গা ও অদক্ষ চালকের হাতে টমটম-অটোরিকশা

  • আপলোড সময় : রবিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৬ জন দেখেছেন

টমটম-অটোরিকশা চালকদের একাংশ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী

খোরশেদ আলম:
রোহিঙ্গা যুবকরা ক্যাম্প থেকে বের হয়ে নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছেন। হয়তো কক্সবাজার শহরের স্থানীয় কোনো অপরাধ চক্র তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে।
অন্যদিকে শহরেই প্রতিটি রাস্তায় এখন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও টমটমের প্রাধান্য। বেশিরভাগ সড়ক দখল করে রাখা নিয়ন্ত্রণহীন এসব অটোরিকশা ও টমটমের চালকদের একাংশ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর এবং স্হানীয় অধিকাংশ চালক শিশু-কিশোর। রোহিঙ্গা ও অন্য পেশা থেকে আগত এসব চালকের অভিজ্ঞতা ও লাইসেন্স নেই। আইন অমান্য করে চালানো অটোরিকশা ও টমটমের কারণে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কে ঘটছে ছোট-বড় অসংখ্য দুর্ঘটনা।
গেল বছরও সমুদ্রসৈকতে পাঁচ পর্যটকের সর্বস্ব ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৩ রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।তারা হলেন,উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা হামিদ ওসমানের ছেলে নুর কামাল (১৯), কবির মিয়ার ছেলে নুরুল ইসলাম (১৮) ও বশির আহমদের ছেলে মোহাম্মদ ফারুক (১৭)।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার ট্রাফিক আইন না মেনে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও রাস্তার উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে যানজট নিরসন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এর ফলে মুমূর্ষু রোগী ও লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স, বিভিন্ন স্থান থেকে আগত দূরপাল্লার যানবাহন এবং জরুরি কাজে নিয়োজিত সরকারি ও বেসরকারি গাড়ি চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিশেষ করে অদক্ষ চালকদের ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করে গাড়ি চালানোর কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে অসংখ্য নিরীহ পথচারী ও সাধারণ মানুষ। দিন দিন এ অটোরিকশা ও টমটমের সংখ্যা বেড়েই চলেছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা।
সরেজমিনে দেখা যায়,হোটেল মোটেল জোনে প্রতিনিয়ত টমটম চালক নবী হোসেন।তাকে একটি মোবাইল ছিনতাকারীর ঘটনায় স্হানীয় বাসিন্দারা ধরে পেলেন।ভুক্তভোগী মনজুর জানান,এ অটোরিকশা ড্রাইভার আমার দোকান থেকে বিকাল ৩টায় মোবাইল চুরি করে চলে যায় ঠিক সন্ধ্যার সময়ে একই অটোরিকশা নিয়ে ড্রাইভার পাল্টিয়ে আসে,তখন আমি সাথে সাথে গাড়ীটি  ধরি।তখন ড্রাইভারকে অনেক জিজ্ঞেসাবাদে  এক পর্যায়ে তিনি রোহিঙ্গা স্বীকার করেন পরে তাকে আমরা ছেড়ে দিই,কারণ অটোরিকশা ঠিকই আছে কিন্তু চালক ওনি না।
রোহিঙ্গা ড্রাইভার নবী হোসেন বলেন,আমি বিয়ে করি রামু থেকে দীর্ঘদিন বসবাস করে আসছি পাহাড়তলীতে। আমি সন্ধ্যা-ভোর পর্যন্ত গাড়ি চালায় মোবাইল চুরির বিষয়টি আমি জানি না।হয়তু এ অটোরিকশা দিনে অন্য কেউ চালাই ছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় শহরের পাহাড়তলী এলাকার রুবেলের মালিকানাধীন ৪০টিও বেশি টমটম অটোরিকশা আছে যেগুলো ভাড়ায় পরিচালিত হয়।তিনি ড্রাইভারের কাজ থেকে বেশি ভাড়ার জন্য রোহিঙ্গা চালকের হাতে গাড়ি দেয়। এ রকম শতশত টমটম-অটোরিকশা মালিকরা রোহিঙ্গাদের দিয়ে গাড়ির ব্যবসা করছে।
অপর দিকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিদ্যুৎখেকো ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও টমটম। রোহিঙ্গা শিশু-কিশোর চালকদের ভাব দেখে মনে হয়, রিকশা বা টমটম নয়, যেন কার বা মাইক্রোবাস চালাচ্ছে তারা। ইচ্ছেমতো যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা করায় যানজট যেমন দীর্ঘতর হচ্ছে তেমনি নিয়ন্ত্রণহীন গাড়ি চালানোর ফলে দুর্ঘটনাও ঘটছে প্রতিদিন। জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে একপ্রকার ঝুঁকির মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। তা ছাড়া বর্তমানে ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে রিকশা ও টমটম চালকদের তর্ক-বিতর্ক ও বাকবিতণ্ডা নিত্তনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে লোডশেডিং সমস্যায় আক্রান্ত এই জনবহুল এলাকায় অটোরিকশা ও টমটমের ব্যাটারি চার্জের জন্য অপচয় হচ্ছে প্রচুর বিদ্যুৎ।
এ ব্যাপারে আমরা কক্সবাজারবাসী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন বলেন, আইন অনুযায়ী অপ্রাপ্ত বয়স্ক কোনো শিশু-কিশোর রিকশা ও টমটম কিংবা অন্য কোনো যানবাহন চালাতে পারবে না। এটা শিশুশ্রমের মধ্যে পড়ে, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এর আগে আমরা বিভিন্ন স্থানে সফল অভিযান পরিচালনা করেছি। টমটম ও অটোরিকশার দৌরাত্ম্য দমনে যথাযথ ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

শেয়ার করতে পারেন খবরটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো বিভিন্ন খবর দেখুন

Sidebar Ads

ডাঃ কবীর উদ্দিন আহমদ

© All rights reserved © 2015 Dainik Cox's Bazar Ekattor
Theme Customized By MonsuR