1. coxsbazarekattorbd@gmail.com : Cox's Bazar Ekattor : Cox's Bazar Ekattor
  2. coxsekttornews@gmail.com : Balal Uddin : Balal Uddin
পর্যটকের আধিক্যে পরিবেশের ক্ষতি - Cox's Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ঘুষ দুর্নীতির অভয়ারণ্য কক্সবাজার রেজিষ্ট্রি অফিস! বেতন ছাড়া চাকুরী: প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এঞ্জেল টাচ থাই স্পা ও স্মার্ট থাই স্পাতে চলছে দেহ ব্যবসা আরাকান আর্মির গুলিতে আহত বাংলাদেশি জেলের মৃত্যু বেনজীর আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের দুদকে তলব বেনজীরের কোম্পানি-ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশ ঘূর্ণিঝড়ের মহাবিপদ সংকেতেও সৈকতে আনন্দে আত্মহারা পর্যটকরা দেশের সর্বোচ্চ ইয়াবার চালান জব্দ করেও পিপিএম পদক পাননি পনেরোবারের শ্রেষ্ঠ ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী কক্সবাজারে ৯ উপজেলায় ৬ টিতে নির্বাচন সম্পন্ন পুলিশ প্রশাসনের ভুমিকা সন্তোষজনক চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আজ: মাঠ জরিপে এগিয়ে সাবেক সাংসদ জাফর ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাচন আজ : ভোটারদের ভোটের গণজোয়ারে জয়ের পথে আবু তালেব

পর্যটকের আধিক্যে পরিবেশের ক্ষতি

  • আপলোড সময় : বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩৮২ জন দেখেছেন

বিশেষ প্রতিবেদক:
টানা ৩ দিনের ছুটিতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে ছুটে আসেন প্রায় ৫ লক্ষাধিক ভ্রমণপিপাসু। এতে পর্যটনখাতে লাভবানের পাশাপাশি পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিও সাধন হয়েছে। সাগরলতা পদদলিত, লাল কাঁকড়ার বিচরণে বাধা ও অতিথি পাখি ভিড়তে পারেনি সমুদ্র কিনারায়।
সমুদ্র সৈকতে প্রকৃতির রাজ্যে এমন পরিবর্তন নেতিবাচকভাবে দেখছেন পরিবেশবিদরা। তারা বলছেন, এসব প্রাণ-প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য রক্ষার দিকে সংশ্লিষ্টদের নজরদারি জরুরি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাগর লতার উপরে বসে ছবি তুলছেন পর্যটকরা। কেউ সাগরলতার উপর দিয়ে হাঁটছেন আবার কোন কোন চটপটি দোকানি সাগর লতার উপর চেয়ার-টেবিল বসিয়ে কেনাবেচা করছে।
পরিবেশবিদদের মতে, সমুদ্র সৈকতে মাটির ক্ষয়রোধ ও শুকনো উড়ন্ত বালুরাশি আটকে বালিয়াড়ি তৈরির মূল কারিগর হচ্ছে সাগরলতা।
বালিয়াড়িকে সাগরের রক্ষাকবচও বলা হয়। কারণ ঝড়-তুফান, ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে কারণে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসের সময় উপকূলকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করে এসব বালিয়াড়ি। কিন্তু সৈকতে পর্যটকের আধিক্যে সাগরলতা পদদলিত হয়ে বালিয়াড়ি তৈরিতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
দিনাজপুর থেকে আগত মোস্তফা-সাইমা দম্পতি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘অনেক শখ করে প্রথমবার কক্সবাজার আসলাম। বিভিন্ন মাধ্যমে সৈকতের সৌন্দর্য দেখে স্বামীকে উদ্বুদ্ধ করে এসেছি। বিশেষ করে, লাল কাঁকড়ার ঝাঁক দেখার জন্য এখানে এসেছিলাম। কিন্তু কোথাও খোঁজে পাইনি। স্থানীয়দের কাছে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম শহর থেকে অনেক দক্ষিণে ইনানীর পরে যেতে হবে। কিন্তু এতদূর তো যাওয়া সম্ভব না।’
চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে সপরিবারে আসা শিক্ষক আবদুল কাদের বলেন, ‘বাড়ি চট্টগ্রাম হলেও প্রতিবছর কক্সবাজার আসি। পর্যটন মৌসুম ছাড়াও বেশ কয়েকবার এখানে আসার সুযোগ হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য সময়ের চেয়ে পর্যটকে ভরপুর মৌসুমে সমুদ্র সৈকতে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড় তৈরি হয়। বিভিন্ন স্থানে ডাবের খোসা, বিস্কুট-চানাচুরের পরিত্যক্ত প্যাকেট ও কলার খোসার মতো ময়লা-আবর্জনা দেখে খারাপ লাগে।’
কক্সবাজার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আয়াছুর রহমান বলেন, সৈকতে মানুষের অবাধ বিচরণের কারণে সেখানকার প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য এখন হুমকির মুখে। এক সময় সৈকতজুড়ে দেখা যেত লাল কাঁকড়ার দৌড়ঝাঁপ। কিন্তু সেই দৃশ্য এখন আমরা হারাতে বসেছি।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কক্সবাজার শাখার সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী বলেন, ‘অতিরিক্ত পর্যটকের কারণে সৈকতে প্লাস্টিকের বর্জ্য বেড়ে যায়। বিস্কুট, চিপস, বিভিন্ন নাস্তার প্যাকেট ও পানীয় পরিত্যক্ত বোতল যত্রতত্র পড়ে থাকে। ময়লা-আবর্জনা অপসারণ সম্ভব না হওয়ার কারণে সৈকতের পরিবেশ দূষণ হয়।
‘এ ছাড়া হোটেলের মলমূত্রাদি সমুদ্রের পানির সাথে মিশে যায়। সে পানিতে পর্যটকরা গোসল করে ফলে নানা ধরণের পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়। পর্যটক বেশি থাকায় সৈকত এলাকায় শৌচাগার নিয়েও বিরাট সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। অনেকেই শৌচাগার কিংবা টয়লেট না পেয়ে খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ করে। এতে পর্যটকের আধিক্যে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়।’

শেয়ার করতে পারেন খবরটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো বিভিন্ন খবর দেখুন

Sidebar Ads

ডাঃ কবীর উদ্দিন আহমদ

© All rights reserved © 2015 Dainik Cox's Bazar Ekattor
Theme Customized By MonsuR