1. coxsbazarekattorbd@gmail.com : Cox's Bazar Ekattor : Cox's Bazar Ekattor
  2. coxsekttornews@gmail.com : Balal Uddin : Balal Uddin
চাঞ্চল্যকর মেজর (অব:) সিনহা হত্যা মামলার রায় ৩১ জানুয়ারি - Cox's Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
Advertisement

চাঞ্চল্যকর মেজর (অব:) সিনহা হত্যা মামলার রায় ৩১ জানুয়ারি

  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৫৭ জন দেখেছেন
Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঞ্চল্যকর মেজর (অব:) সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যা মামলার রায় আগামী ৩১ জানুয়ারি সোমবার ঘোষণা করা হবে। বুধবার ১২ জানুয়ারি একটানা ৪ দিন যুক্তিতর্ক শেষে কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এ দিন ধার্য্য করেন। এর আগে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের সমাপনী যুক্তিতর্ক আদালতে উপস্থাপন করেন।

Advertisement

সাক্ষ্য, জেরা, ৩৪২ ধারায় আসামীদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক সহ এ মামলার সকল বিচারিক কার্যক্রম এর আগে ৮ পর্বে ৪০ কার্যদিবসে সমাপ্ত করা হয়।

মামলার কার্যক্রম শেষে গণমাধ্যমের কাছে বাদী পক্ষ ও রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবীরা আসামীদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমান করেছেন বলে দাবি করেন এবং আইন অনুযায়ী আসামীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অপরপক্ষে, আসামীদের আইনজীবীরা মামলা দায়েরকালীন ত্রটি সহ বিভিন্ন দিক আদালতে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেন। তাঁরাও আদালতের কাছে ন্যায় বিচার পাবেন বলে প্রত্যাশা করেন।

Advertisement

গত ১ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলাম সহ চার্জসীটের মোট ৮৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন করা হয়। মামলার আইও মোঃ খায়রুল ইসলাম বর্তমানে র‍্যাব সদর দপ্তরে গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত আছেন। গত ১৬ নভেম্বর এ মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ জামিলুল হককে আসামী পক্ষের আইনজীবীরা জেরা সম্পন্ন করেন। মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসপি জামিলুল হক ২০২০ সালের ৬ আগস্ট থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত শুধুমাত্র ৮ দিন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটির আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) এডভোকেট ফরিদুল আলম, অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মোজাফফর আহমদ হেলালী, এপিপি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জিয়া উদ্দিন আহমদ আদালতে দায়িত্ব পালন করেন।

Advertisement

আদালতে যুক্তিতর্ক চলাকালে সিনিয়র আইনজীবী, ফৌজদারি অপরাধ বিশেষজ্ঞ সৈয়দ রেজাউর রহমান রাষ্ট্র পক্ষে আদালতে শুধুমাত্র যুক্তিতর্ক পর্বে অংশ নেন।

আদালতে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে বাদী শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস এর আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা, এডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এডভোকেট মোহাম্মদ সৈয়দুল ইসলাম, এডভোকেট মোহাম্মদ আইয়ুব, এডভোকেট এসমিকা সুলতানা, এডভোকেট শাহ আলম, এডভোকেট আবুল আলা জাহাঙ্গীর প্রমুখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

আসামীদের পক্ষে আদালতে এডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত, এডভোকেট চন্দন দাশ, এডভোকেট দিলীপ দাশ, এডভোকেট শামশুল আলম, এডভোকেট মমতাজ আহমদ (সাবেক পিপি) এডভোকেট মোহাম্মদ জাকারিয়া, এডভোকেট এম.এ বারী, এডভোকেট ওসমান সরওয়ার আলম শাহীন, এডভোকেট মোশাররফ হোসেন শিমুল, এডভোকেট ইফতেখার মাহমুদ, এডভোকেট নুরুল হুদা, এডভোকেট মোবারক হোসেন মামলার কার্যক্রমে অংশ নেন।

২০২১ সালের ২৩ আগস্ট কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এর আদালতে মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌসের সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর মেজর (অব:) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক এ বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

Advertisement

নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে আসামি করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ এর আদালতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর : এসটি-৪৯৩/২০২১ ইংরেজী। যার জিআর মামলা নম্বর : ৭০৩/২০২০ ইংরেজি। যার টেকনাফ মডেল থানা মামলা নম্বর : ৯/২০২০ ইংরেজি। মামলাটি তদন্তভার দেওয়া হয় র‍্যাব-১৫ কে। ১ বছর ৬ মাসে এ মামলার রায় ঘোষনার দিন ধার্য্য করা হলো।

মামলার কার্যক্রম চলাকালে প্রতিদিন ১৫ জন আসামীকেও কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। আসামীদের মধ্যে ১২ জন আসামী ১৬৪ ধারায় আদালতে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন। তারা হলেন : বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এপিবিএনের এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ, পুলিশের মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নিজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

Advertisement

আর যে ৩ জন আসামী আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেননি, তারা হলো : টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও কনস্টেবল সাগর দেব। আদালতে চার্জশীট জমা দেওয়ার পর গত ২৪ জুন কনস্টেবল সাগর দেব আদালতে আত্মসমর্পণ করে।

এদিকে, এ মামলায় যে ৬৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন-তারা হলেন-মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: দেলোয়ার হোসেন শামীম ও তামান্না ফারাহ, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী সাহিদুল ইসলাম সিফাত, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ আমিন, মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও হাফেজ শহীদুল ইসলাম, আবদুল হামিদ, ফিরোজ মাহমুদ ও মোহাম্মদ শওকত আলী, হাফেজ জহিরুল ইসলাম, ডা. রনধীর দেবনাথ, সেনা সদস্য সার্জেন্ট আইয়ুব আলী, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. মোঃ শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী, মোক্তার আহমদ, ছেনোয়ারা বেগম, হামজালাল, আলী আকবর, ফরিদুল মোস্তফা খান, বেবী ইসলাম, সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট মোঃ মুনতাসীর আরেফিন, সার্জেন্ট মোঃ মোক্তার হোসেন, কর্পোরাল নুর মোহাম্মদ, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার সৈয়দ মঈন, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আবু জাফর এবং লেন্স কর্পোরাল মোঃ রুহুল আমিন, আহমদ কবির মনু, ধলা মিয়া, সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট মোঃ জিয়াউর রহমান, সার্জেন্ট আনিসুর রহমান, কনস্টেবল কামরুল হাসান, রামু সেনানিবাসের ১০, এমপি ইউনিটের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ইমরান হাসান, র‍্যাব-১৫ এর এএসআই নজরুল ইসলাম, এসআই সোহেল সিকদার, পুলিশের কনস্টেবল শুভ পাল, এসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম ও একই থানার কনস্টেবল পলাশ ভট্টাচার্য, জব্দ তালিকার সাক্ষী কনস্টেবল উসালা মার্মা, সেনা সদস্য হীরা মিয়া, র‍্যাব-১৫ এর নৌবাহিনীর সদস্য আবু সালাম, কাউন্টার ম্যানেজার নবী হোসেন, আবুল কালাম ও শহীদ উদ্দিন, সিনহাকে খুনের আগে-পরে বিভিন্ন জনের মোবাইল ফোন রেকর্ডকারী গ্রামীণ ফোনের প্রতিনিধি মোঃ আহসানুল হক, রবি অপারেটরের প্রতিনিধি সৈকত আহমদ শিপলু, রাসায়নিক পরীক্ষক মিজানুর রহমান ও পিংকু পোদ্দার, কনস্টেবল সাখাওয়াত হোসেন, এসআই বাবুল মিয়া, এসআই রাশেদুল হাসান, এসআই হাশেম, এসআই মোহাম্মদ মুছা, এসআই আবদুল জলিল, এসআই আবদুল্লাহ আল হাসান, এএসআই মোঃ বাবুল মিয়া, এসআই নাজমুল হোসেন এবং এসআই সুমন কান্তি দে, এসআই কামাল হোসেন, পরিদর্শক মানস বড়ুয়া, কনস্টেবল মোশাররফ হোসেন ও পরিদর্শক এ.বি.এম.এস দোহা
মামলার আইও মোঃ খায়রুল ইসলাম এবং প্রথম আইও সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ জামিলুল হক।

Advertisement

২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ কর্মকর্তা লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

Advertisement

শেয়ার করতে পারেন খবরটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো বিভিন্ন খবর দেখুন
Advertisement
Advertisement

Sidebar Ads

ডাঃ কবীর উদ্দিন আহমদ

Advertisement
© All rights reserved © 2015 Dainik Cox's Bazar Ekattor
Theme Customized By MonsuR