1. coxsbazarekattorbd@gmail.com : Cox's Bazar Ekattor : Cox's Bazar Ekattor
  2. coxsekttornews@gmail.com : Balal Uddin : Balal Uddin
আয়নার সামনে যেন বলতে পারেন কাজ ঠিক করেছি, ইসিকে জাফর ইকবাল - Cox's Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ঘুষ দুর্নীতির অভয়ারণ্য কক্সবাজার রেজিষ্ট্রি অফিস! বেতন ছাড়া চাকুরী: প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এঞ্জেল টাচ থাই স্পা ও স্মার্ট থাই স্পাতে চলছে দেহ ব্যবসা আরাকান আর্মির গুলিতে আহত বাংলাদেশি জেলের মৃত্যু বেনজীর আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের দুদকে তলব বেনজীরের কোম্পানি-ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশ ঘূর্ণিঝড়ের মহাবিপদ সংকেতেও সৈকতে আনন্দে আত্মহারা পর্যটকরা দেশের সর্বোচ্চ ইয়াবার চালান জব্দ করেও পিপিএম পদক পাননি পনেরোবারের শ্রেষ্ঠ ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী কক্সবাজারে ৯ উপজেলায় ৬ টিতে নির্বাচন সম্পন্ন পুলিশ প্রশাসনের ভুমিকা সন্তোষজনক চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আজ: মাঠ জরিপে এগিয়ে সাবেক সাংসদ জাফর ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাচন আজ : ভোটারদের ভোটের গণজোয়ারে জয়ের পথে আবু তালেব

আয়নার সামনে যেন বলতে পারেন কাজ ঠিক করেছি, ইসিকে জাফর ইকবাল

  • আপলোড সময় : রবিবার, ১৩ মার্চ, ২০২২
  • ১৫২ জন দেখেছেন

৭১ অনলাইন ডেস্ক:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জনপ্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল নতুন নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে যেন বলতে পারেন, আমি কাজটা ঠিকমতো করতে পেরেছি। এটা গুরুত্বপূর্ণ।’

রোববার (১৩ মার্চ) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে বিকেল ৩টায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে শিক্ষাবিদদের সংলাপ শুরু হয়েছে। সংলাপে অংশ নিয়ে জাফর ইকবাল এ কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এমন নির্বাচন হবে যেখানে জয়ী দল এবং হারা দল- দুটিই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল হবে।’

ঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দিয়ে ইসি সদস্যদের উদ্দেশে জাফর ইকবাল বলেন, ‘আপনারা যত ভালো কাজই করেন, গালি খেতেই হবে। তাই গালি নিয়ে ভাববেন না।’

দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ বিদেশে থাকে উল্লেখ করে এই অধ্যাপক বলেন, ‘তারাও দেশ নিয়ে ভাবেন। তারা কীভাবে ভোট দিতে পারেন সেটা দেখতে হবে। ইদানিং দেখা যাচ্ছে অনেক জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল হচ্ছে। অনেকে অনেক টাকা খরচ করেও সমাধান পাচ্ছেন না। কমিশন এটা দেখলে এবং সমস্যার সমাধান করলে একটা পজিটিভ ইমপ্রেশন পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘ইভিএম সম্পর্কে বলা হচ্ছে এটা নাকি অনেক হাই লেভেলের টেকনোলজি। আসলে তা না। এটা খুবই লো লেভেলের টেকনোলজি। এখন তো অনেক হাইটেক জিনিসপত্র আছে। আমাদের ভার্সিটির স্টুডেন্টরা ইভিএম নিয়ে প্রজেক্ট করে।’

শিক্ষাবিদদের পরামর্শ নিতে রোববার বিকেলের এই বৈঠকের আয়োজন করেছে ইসি। বৈঠকে ৩০ জন শিক্ষাবিদকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু ইসির ডাকে সাড়া দিয়ে সংলাপে অংশগ্রহণ করেছেন মাত্র ১৩ জন শিক্ষাবিদ।

সংলাপে অংশ নেওয়া ১৩ জন শিক্ষাবিদের মধ্যে ১১ জনের নাম নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন- সাদেকা হালিম, মোহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার, আবদুল মান্নান চৌধুরী, মফিজুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, ড. আখতার হোসেন, আল মাসুদ হাসানুজ্জামান, জাফর ইকবাল, বোরহান উদ্দিন খান, লাইলুফার ইয়াসমিন।

আমন্ত্রিত শিক্ষাবিদরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, একই বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম; আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল ও অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান, অধ্যাপক এম জাফর ইকবাল, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নূরুল আমিন বেপারী; বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আনোয়ার হোসাইন; আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ, অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন, অধ্যাপক এম আবুল কাশেম মজুমদার; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম; লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. মোহাব্বত খান, অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান; জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম; বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ; বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. তানভীর হাসান, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম মফিজুল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, ইউল্যাবের জেনারেল এডুকেশন বিভাগের অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক; বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফেরদৌস হাসান ও তাসনিম আরিফা সিদ্দিকী; জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম, অধ্যাপক আল মাসুদ হাসানুজ্জামান এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার।

রীতি অনুযায়ী এর আগের কমিশনগুলোও দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপে বসেছিল। ২০০৮ সালে ইসির নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরু করা এ টি এম শামসুল হুদা কমিশন দুইবার সংলাপে বসেছিল। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনকারী কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সময়ও সংলাপ হয়েছিল। বিগত নুরুল হুদা কমিশনও সংলাপ করেছিল নির্বাচনী অংশীজনদের নিয়ে। তবে নবনিযুক্ত হাবিবুল আউয়াল কমিশনের মতো দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম মাসেই সংলাপে বসেনি কোনো কমিশন।

উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কাজী হাবিবুল আউয়ালকে প্রধান করে নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। নতুন কমিশন সবার সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরির কাজে হাত দিতে চায়। প্রয়োজনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আবারও বিভিন্ন দল ও মহলের সঙ্গে বসতে পারে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশনের অধীনে ২০২৩ সালে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করতে পারেন খবরটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো বিভিন্ন খবর দেখুন

Sidebar Ads

ডাঃ কবীর উদ্দিন আহমদ

© All rights reserved © 2015 Dainik Cox's Bazar Ekattor
Theme Customized By MonsuR