কামারপল্লীতে ও করোনার ছোঁয়া

কামারপল্লীতে ও করোনার ছোঁয়া

আবদুল করিম:

১৭ মার্চ সারা দেশে মহামারি করুনার কারনে লক ডাওনে ঘোষনা করে সরকার। বন্ধ হয়ে যায় সকল ব্যবসায় প্রতিষ্টান এমন কি কামারের দোকান ও। ফলে দীর্ঘ চার মাস বন্ধ থাকে কামারদের ব্যবসায়ীক কার্যক্রম। কামরা সবাই দিন-মজুর মধ্যবিত্ত।এ দিন-মজুর মধ্যবিত্তদের অভাব অনটন নিত্য নৈমত্তিক বিষয়।

তারা পারে নাই কারো কাছে হাত এগিয়ে দিতে,পারে নাই নিজের পেটের জ¦ালা কাওকে বুঝাতে।এই মহামারি করুনা কালে অনেক অভাব অনটনে দিন যাপন করেতেছে কামারা।কক্সবাজারে কামারদের নিজস্ব সংগঠন না থাকায় কোন সরকারি ত্রান পায়নি।

আগামি শনিবার ১ ই অগাষ্ট ঈদুল আযাহা অথাৎ কোরবানীর ঈদ যা কামার ব্যবসায়ের বছরের অন্তিম আমবশ্যা।কামার ব্যবসায়ের যত সব আয়োজন আশা আকাংখা এই কোরবানের ঈদকে ঘীরে।তাই দীর্ঘ চার মাস পর কামারাও করোনার ভয় ওপেক্ষা করে পিরে এসেছে নিজ কর্মস্থানে।শত আশা আর বোক ভরা ভরসা নিয়ে কাজ শুরু করেছে।যাতে মৌসমের সময়টাতে ভালো ব্যবসা করে সারা বছরের আয়ের বেশি অর্থ অর্জন করতে পারে।অতি আশা নিস্ফল,তারই প্রভাব পড়েছে কামার পল্লীতে ।

গত বছরের তুলনায় তেমন কাস্টমার না পেয়ে হতশায় ভূগতেছে।চার মাস যাবৎ দোকান বন্ধ থাকার কারনে দোকানের ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যন্য খরছ বকেয়া থাকায় তাদের আসল মৌসুমে ও প্রত্যাশা পূরন করতে পারচ্ছেনা।মহামারি করোনার এমন পরিবেশে শুধু আতংকগ্রস্থ নয় দূর্দশা গ্রস্থে দিন কাটাচ্ছে কামারপল্লী।করোনা শুধু সংস্পর্শে মানুষের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে জীবন বিনাশ করতেছে না সাথে সাধরন দিন-মজুর মধ্যবিত্তদের সমাজিক,অর্থনীথিক দূদর্শার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে।বাজার ঘাটার কাজল কর্মকার বলেন“দীর্ঘ চার মাস দোকান বন্ধ থাকার পর কোরবানী ঈদ উপলক্ষে দোকান খোল্লে ও গত বছরের তুলনায় করোনার কারনে তেমন কষ্টমার নাই ।

দোকান এক টানা বন্ধ থাকার কারনে তারা যথাযথ পরিমানের দা,ছুরি,বঁটি,চাপাতি ও অন্যান্য সরমঞ্জাম গোদামজাত করন করতে পারি নি।ফলে চাহিদা মাপিক ক্রেতাদের দা,ছুরি,বঁটি,চাপাতি ও অন্যান্য সরমঞ্জাম প্রদান করতে পারতেছে না।বাজার ঘাটার বাদল কর্মকার বলেন“করোনার কারনে মানুষ অনেক সচেতন,তাই ক্রেতারা বাসা থেকে বের হচ্ছে না।ফলে অন্য বছরের তুলনায় ক্রেতাসমগম খুবই কম।প্রত্যাশার তুলনায় বিক্রয় হচ্ছে না।”বাজার ঘাটার রুপক কর্মকার বলেন“মহামারি করুনার কারনে বিত্তশালী থেকে মধ্য-বিত্ত সবার হাতে নগদ অর্থ কম থাকায় গত কয়েক বছরের তুলনায় ক্রেতারা দা,ছুরি,বঁটি,চাপাতি ও অন্যান্য সরমঞ্জাম কিনতেছে না।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৮,৫১০,১১৭
সুস্থ
১১,৭১৮,৬৭৩
মৃত্যু
৬৯৮,৯০১
সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪

একাত্তর পত্রিকার প্রতিনিধি সভা

dainikcoxsbazarekattor.com © All rights reserved