সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে পিকআপের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত আতঙ্কে বুবলি, গাড়ি চাপা দিয়ে মারার চেষ্টা নায়িকাকে বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা তাহেরুল ইসলামের জানাজায় শোকাহত মানুষের ঢল তিনদিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে হেরে গেলেন কাউন্সিলর কাজী মোরশেদ আহমদ বাবু অপরাধীদের কাছে জিম্মি বিসিক এলাকার সাধারণ মানুষ দৈনিক কক্সবাজার ৭১ পত্রিকা অফিস পরিদর্শনে কক্সবাজার জেলা ছাত্রদল হ্নীলায় ৩ ফার্মেসী ও ২ প্যাথলজি সেন্টারে ৮ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ঔষধ জব্দ রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসছে ইজিবাইক অটোরিকশা মাহবুবের উপর হামলার ইন্ধনদাতাদের সমুচিত জবাব দেয়া হবে-মেয়র মুজিবুর রহমান চৌফলদন্ডীর অন্যতম দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নোমানিয়া মাদ্রাসার ৪৭ তম বার্ষিক সভায় প্রধান অতিথি বেলাল উদ্দিন বেলাল
ইসহাকের মামলায় জবানবন্দি দেবেন বদি

ইসহাকের মামলায় জবানবন্দি দেবেন বদি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ইসহাকের করা মামলায় আদালতে জবানবন্দি দিতে যাচ্ছেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি।
বদির আইনজীবী কফিল উদ্দিন বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি জানান, তিনি বৃহস্পতিবার আদালতে নিজে হাজির হয়ে জবানবন্দি দেবেন।
উল্লেখ্য ১৩ ডিসেম্বর মো. ইসহাক টেকনাফের সহকারী বিচারক জিয়াউল হকের আদালতে একটি মামলা করেন। মামলায় বদিকে নিজের বাবা দাবি করেন তিনি।
পিতৃত্ব প্রমাণের জন্য প্রয়োজনে ডিএনএ টেস্ট করারও চ্যালেঞ্জ করেন ইসহাক। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারি করে। ১৪ জানুয়ারি বদিকে জবানবন্দি দেয়ার নির্দেশ দেয়।
ইসহাকের মা সুফিয়া খাতুন নিউজবাংলাকে জানান, ১৯৯২ সালের ৫ এপ্রিল গোপনে তাকে বিয়ে করেন বদি। পরে জেনে যায় তার পরিবার। তখন তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এই অবস্থায় বদির বোন পরিচয়ে জোর করে স্থানীয় রাজমিস্ত্রি নুরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয় তাকে।
ইসহাক জানান, তার মায়ের কাছেই তিনি বাবার পরিচয় জানতে পারেন। মায়ের হাত ধরে অসংখ্য বার বদির কাছে গিয়েছেনও। বদি তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করেছেন মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে দোয়া করেছেন লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

এতদিন কেন চুপ ছিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসহাক জানান, তার বাবা বদির রাজনৈতিক শত্রু ও সামাজিক অবস্থানসহ নানা সমীকরণের কারণে তিনি মায়ের কাছে সময় নেন।
তবে এখন বয়স বাড়ার কারণে পিতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছেন। আর এই তাগিদ থেকে বদির ছোটবোন শামসুন নাহারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন মা-ছেলে। তারা ঘরোয়াভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন।

তবে বদি কৌশলে সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন এবং এক পর্যায়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তাই বাধ্য হয়ে পিতৃত্বের দাবিতে আদালতে এসেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

একাত্তর পত্রিকার প্রতিনিধি সভা

x