সংবাদ শিরোনাম :
ঈদগাঁও’র কৃতি সন্তান শহিদুল ইসলামের পিএইচডি ডিগ্রী লাভ জেনারেল হসপিটালের রোহিঙ্গা কিশোরী গণধর্ষণের ঘটনা তদন্ত নেমেছে সিভিল সার্জন কক্সবাজার জেনারেল হাসপাতালেই রোহিঙ্গা কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণ সদর খুরুশকুল হামজার ডেইল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম ও ভাংচুর, লুটপাট হোয়াইক্যং ইউপির রইক্ষ্যং’য়ের আবুল ও বাবুল বাহিনীর অপকর্ম থামাবে কে? কক্সবাজার জেলায় সর্বত্র চলছে পাহাড় কাটা ইসলামপুরে জন্মসনদ ও সংশোধনে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন সচিব! স্বাস্থ্যবিধি মেনে হবে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষাবোর্ড পেকুয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ী এলাকায় বসবাসরতদের অন্যত্র সরে যাওয়ার অনুরোধ মাদক সম্রাট জসীম ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ ডিবি পুলিশের হাতে আটক
ইসলামপুরে জন্মসনদ ও সংশোধনে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন সচিব!

ইসলামপুরে জন্মসনদ ও সংশোধনে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন সচিব!

সাইফুল ইসলাম:
ঈদগাঁও ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদে জন্মসনদ ও সংশোধনে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে। সরকারী ফির চেয়ে চারগুন থেকে পাঁচগুন টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

জানা যায়, স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য ১০০ টাকা এবং জন্মতারিখ ব্যতিত পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন ফি ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সংশোধনের পর সনদের কপি বিনা ফিসে সরবরাহের কথাও বলা হয়েছে।

এ দিকে ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নতুন করে জন্মসনদে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ও ভুল সংশোধনে সাড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

সম্প্রতি দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ইউনিক আইডি ও প্রোফাইল তৈরির জন্য শিক্ষার্থীদের থেকে তথ্য চেয়েছে সরকার। এসব তথ্যের মধ্যে শিক্ষার্থী ও তার পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন সনদও চাওয়া হয়েছে। জন্মসনদের ক্রুটি সমাধানের জন্য অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের চাপে এখন হিমশিম খাচ্ছেন ইউনিয়ন পরিষদের কর্মরতরা।

শিক্ষার্থীদের অনেকের জন্মসনদ ও শিক্ষাগত সনদে দেয়া তথ্যের মিল নেই। পিতা-মাতার নামের বানান ভুল। জন্ম তারিখের মিল নেই। এসব কারণে ইউনিয়ন পরিষদে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চাপ বেড়েছে বহুগুণে।

এ সুযোগে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে রমরমা ব্যবসা করে যাচ্ছে ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মিরাথোইন রাখাইন। সরকারী ফির অতিরিক্ত চারগুন থেকে পাঁচগুন টাকা নিয়ে জন্মসনদ দিচ্ছেন সচিব। টাকা অতিরিক্ত নিলেও বাধ্য হয়ে সনদ নিতে হচ্ছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের। তাদের এমন টাকা আদায়ের কারণেই সেবা নিতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। টাকার জোগাড় করতে না পেরে অনেক অভিভাবক এখনো জন্মসনদ সংশোধন করাতে পারেননি। এছাড়াও ওই ইউপি সচিব মিরাথোইন রাখাইন বিরুদ্ধে নানা দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী মুঠোফোনে অভিযোগ করে বলেন, আমার জন্মসনদ ও সংশোধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম। একটি শব্দ সংশোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ৬০০ টাকা নিয়েছে সচিব। এরপরেও অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

আরেক ভুক্তভোগী বলেন, আমিও জন্মসনদ ও সংশোধনে জন্য গিয়েছিলাম আমার কাছ থেকে ৬০০ টাকা দাবী করে তখন আমি পরে আসবো বলে চলে আসি। একই এলাকার আরও কয়েকজন বলেন, সরকারি ফির চেয়ে অতিরিক্ত চার থেকে পাঁচগুন টাকা গুনতে হয়েছে আমাদের।

এ বিষয়ে ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মিরাথোইন রাখাইন এর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি সংবাদকর্মী পরিচয় পেয়ে মুঠোফোন কেটে দেন। এরপর আরও কয়েকবার ফোন করা হলেও কল রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন, এখনো কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ করেননি। কেউ অভিযোগ করলে যাচাই-বাচাই করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া আক্তার সুইটি বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছিলাম ব্যবস্থা নিয়েছি। যদিও কেউ অভিযোগ করেন তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, অভিযোগকারীরা সরাসরি বা মুঠোফোনে অভিযোগ করতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

একাত্তর পত্রিকার প্রতিনিধি সভা

x