বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মহেশখালীর কুতুবজোমে লোমহর্ষক ঘটনা। পরিত্যাক্ত ভিটির কলা গাছের ঝোঁপ থেকে মা ছেলের মরদেহ উদ্ধার ১ লাখ টন লবণ আমদানির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মহেশখালীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ হজযাত্রীদের নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতে পেকুয়ায় আসছেন তারেক রহমান রহস্য উদঘাটন: ইয়াবার লেনদেনের জেরে হোয়াইক্যংয়ের সৈয়দ মিয়া হত্যাকান্ড,গ্রেফতার ২ নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার খুব জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ সেন্টমার্টিনকে আগের অবস্থায় ফেরানোই পাঁচ মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্য: পরিবেশ উপদেষ্টা দুদকের হাতে ‘ধরা খাওয়া’ উখিয়ার সাব-রেজিস্ট্রার বহাল! অনিয়মে জন-ভোগান্তি থার্টি ফার্স্ট নাইট:জেলা পুলিশের কঠোর বিধি-নিষেধ চকরিয়ায় যুবদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা

রামুর কাউয়ারখোপে নদী ভাঙ্গন পরিদর্শনে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড

কামাল শিশির,রামু প্রতিনিধি :
রামু উপজেলার কাউয়ােখোপ ইউনিয়নের পুর্বপাড়াস্থ বাঁকখালী নদীর ভাঙ্গনস্থল পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড।
৬ মে মঙ্গলবার কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আলী রেজার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল ভাঙ্গনস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় উদ্যেগ গ্রহনের আশ্বাস দেন।
এসময়  গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও নদী ভাঙ্গনের শিকার পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের পুর্বপাড়া গ্রামের বাকখালী নদীর পাড়  প্রতিবছর বর্ষাকালে একাধিক বন্যা ও পাহাড়ী ঢলে ভাঙ্গনের শিকার হলেও ভাঙ্গন রোধে ইতিপুর্বে সরকারী ভাবে কোন উদ্যেগ গ্রহন করা হয়নি।
পুর্ব কাউয়ারখোপ গ্রামের মোহাম্মদ  মোস্তফা সওদাগর বলেন গত ২০১২ সালের বন্যায় পুর্ব কাউয়ারখোপ   বড় মাদ্রাসার সামনে থেক   –  আইরাবাপের ঘাটা পর্যন্ত বাকখালী নদীর  পাড় ভাঙ্গন শুরু হলে তৎকালীন বি,এন,পি দলীয় সাংসদ লুৎফুর রহমান কাজল পরিদর্শনে এসে ভাঙ্গন রোধে দুটি বল্লি স্পার স্থাপনের মাধ্যেমে   নদী ভাঙ্গন কিছুটা হ্রাস পায়।
কিন্তু  ২০১৮ সালের পর থেকে ওই স্থানে পুনরায় ভাঙ্গন শুরু হয়।
বিশেষ করে গত  বর্ষায় লাগাতার  বন্যা ও পাহাড়ী ঢলে নদী  ভাঙ্গন প্রকট আকার ধারন করলে   প্রায় দেড় হাজার ফুট দৈঘ্যের পাড় নদী গর্ভে চলে যায়।
এতে করে পুর্ব কাউযারখোপ লামার পাড়াস্থ ৭ শতাধিক বসতবাড়ী হুমকীর মুখে পড়ে।
জানাগেছে নদী ভাঙ্গন স্থল থেকে বর্তমানে মাত্র ৩০ ফুটের দুরত্বে রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সিমান্ত সড়কের অবস্থান।
গত মার্চ মাসে শুরুতে স্থানীয়  কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল আলম ভাঙ্গন স্থল পরিদর্শন পরবর্তী  একটি বল্লি স্পার স্থাপনের উদ্যেগ নেন যার কার্যক্রম বর্তমানে চলছে।
অপরদিকে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের
সহায়তায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাঙ্গন স্থল পরিদশর্ন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *