বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৩:০১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে মিয়ানমারের দুই সেনা ও ৩১ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ২ রোহিঙ্গা যুবকের দেহ তল্লাশিতে মিললো অস্ত্র গুলি টানা বর্ষণে কক্সবাজার শহরে জলাবদ্ধতা, পর্যটকদের দুর্ভোগ কক্সবাজার জেলা পরিষদের ১৪৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা বাজেট ঘোষণা কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনে নেটওয়ার্ক কোয়ালিটি টেস্ট কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন পলক আরসার জোন ও কিলিংগ্রুপ কমান্ডারসহ আটক ৩ পটিয়ায় যৌতুক নিয়ে তরুণীর আত্মহত্যা, হবু স্বামী গ্রেফতার  মহেশখালী হত্যা মামলার আসামী মাদ্রাসার সভাপতি হতে দৌঁড়ঝাপ চকরিয়ার চিংড়িজোনে বিপুল অস্ত্র ও কার্তুজসহ বাহিনী প্রধান বেলালসহ গ্রেফতার চার কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য ফ্রান্সের ১.৫ মিলিয়ন ইউরো অনুদানে ইউএনএইচসিআরের কৃতজ্ঞতা

বাবার কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাফসান

মা-বাবাকে একটি অডি গাড়ি উপহার দিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মডেল রাফসান দ্য ছোট ভাই। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানানোর পরই শুরু হয় পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা। এর মধ্যে একজন সামনে আনেন রাফসানের বাবার আড়াই কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার তথ্য।

তারপর কেউ কেউ বলতে শুরু করেন রাফসান চাইলে গাড়ি না কিনে বাবার কোম্পানির নেওয়া ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে পারতেন। আবার কেউ কেউ এর বিপরীতেও কথা বলেন। চলতে থাকে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা।

তবে অনেকেই অপেক্ষায় ছিলেন বিষয়টি নিয়ে রাফসান কী ব্যাখ্যা দেন সেটি শোনার জন্য। মঙ্গলবার (১৪ মে) রাতে ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করে ব্যাখ্যা দেন তিনি।

ভিডিওতে ঋণ নেওয়ার কথা স্বীকার রাফসান বলেন, বিষয়টি এখন আদালতে বিচারাধীন। সেখান থেকে নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ঋণ পরিশোধ করব কীভাবে? কারণ আদালত  এখনো নির্ধারণ করে দেয়নি কত টাকা পরিশোধ করতে হবে।

তিনি বলেন, আপনি আমাকে বলছেন আমি একজন সন্তান হয়ে কেন ঋণ পরিশোধ করছি না। আমি বলতে চাই আমার ভাই ও আমি যথেষ্ট ভালো সন্তান। আমি ও আমার ভাই মিলে অবশ্যই ঋণ পরিশোধ করতে পারি। কিন্তু আদালত তো বলে নাই কত টাকা পরিশোধ করতে হবে, তাহলে আপনি বলে দেন কত টাকা পরিশোধ করব?

গাড়ির দাম নিয়ে এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, আমার বাবাকে গাড়িটি কিনে দিয়েছি সেটার দাম নাকি দুই কোটি টাকা। কিন্তু এই গাড়ির দাম দুই কোটি টাকার আশপাশেও না।

ভিডিওর শুরুতে রাফসান বলেন, আপনারা জানেন ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হলে কিছু জিনিস বন্দক রাখতে হয়। আমরা একটা জমি বন্দক রেখেছি, সেটার দাম যদি ১০ টাকা হয়, আমরা ঋণ নিয়েছি এক টাকা। তারা এই ঋণের পরিবর্তে আমাদের ১০ টাকার জিনিসটা নিতে চায়। তাই আমরা আদালতে গিয়েছি।

ভুল তথ্য ছড়ানোয় আইনগত ব্যবস্থা নেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, যিনি মোরাল পুলিশিং করছেন তিনি ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন। আমি আমাদের আইনজীবীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছি। আমরা হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যাইনি, আমরা দেশেই আছি।