বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৮:২০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে মিয়ানমারের দুই সেনা ও ৩১ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ২ রোহিঙ্গা যুবকের দেহ তল্লাশিতে মিললো অস্ত্র গুলি টানা বর্ষণে কক্সবাজার শহরে জলাবদ্ধতা, পর্যটকদের দুর্ভোগ কক্সবাজার জেলা পরিষদের ১৪৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা বাজেট ঘোষণা কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনে নেটওয়ার্ক কোয়ালিটি টেস্ট কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন পলক আরসার জোন ও কিলিংগ্রুপ কমান্ডারসহ আটক ৩ পটিয়ায় যৌতুক নিয়ে তরুণীর আত্মহত্যা, হবু স্বামী গ্রেফতার  মহেশখালী হত্যা মামলার আসামী মাদ্রাসার সভাপতি হতে দৌঁড়ঝাপ চকরিয়ার চিংড়িজোনে বিপুল অস্ত্র ও কার্তুজসহ বাহিনী প্রধান বেলালসহ গ্রেফতার চার কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য ফ্রান্সের ১.৫ মিলিয়ন ইউরো অনুদানে ইউএনএইচসিআরের কৃতজ্ঞতা

ভাসানচর থেকে দলে দলে পালাচ্ছে রোহিঙ্গারা

Oplus_131072

সীতাকুণ্ডে কুমিরা-সন্দ্বীপ ফেরি ঘাট দিয়ে নোয়াখালীর ভাসানচর দ্বীপে সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র থেকে দলে দলে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা পালিয়ে আসছে চট্টগ্রামে। তারা কুমিরা এলাকায় আসার পর ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্নস্থানে।

এ ঘাট দিয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা পুলিশের হাতে মাঝে মধ্যে আটক হলেও বেশিরভাগ সময় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পার পেয়ে যায়। রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসার খবর কুমিরা নৌ পুলিশকে জানানোর পরও পুলিশ তাদের আটক করেনি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের কুমিরা-সন্দ্বীপ ফেরি ঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ৮-১০ জনের একটি রোহিঙ্গা শরণার্থী দল সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া থেকে লঞ্চে করে চট্টগ্রামের কুমিরা-সন্দ্বীপ ফেরী ঘাটে আসে। বিষয়টি কুমিরা নৌ পুলিশের ইনচার্জ নাছির উদ্দীনকে জানানো হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।

নকে ফোনে অবহিত করলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।

এলাকাবাসীরা জানান, প্রতিদিন সন্দ্বীপ থেকে কুমিরা ঘাটে আসা সব যাত্রীদের যদি নৌ পুলিশ এনআইডি কার্ড যাচাই করত তাহলে প্রতিদিন পালিয়ে আসা অনেক রোহিঙ্গা ধরা পড়তো।

কুমিরা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মো. নাছির উদ্দীন যুগান্তরকে বলেন, আমি এ ব্যাপারে সংবাদ পেয়ে ঘাটে নৌ পুলিশ পাঠালেও কোনো রোহিঙ্গা শরণার্থীকে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত তারা ততক্ষণে পালিয়ে গেছে।
সুত্র: যুগান্তর