শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪, ০১:২১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে মিয়ানমারের দুই সেনা ও ৩১ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ২ রোহিঙ্গা যুবকের দেহ তল্লাশিতে মিললো অস্ত্র গুলি টানা বর্ষণে কক্সবাজার শহরে জলাবদ্ধতা, পর্যটকদের দুর্ভোগ কক্সবাজার জেলা পরিষদের ১৪৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা বাজেট ঘোষণা কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনে নেটওয়ার্ক কোয়ালিটি টেস্ট কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন পলক আরসার জোন ও কিলিংগ্রুপ কমান্ডারসহ আটক ৩ পটিয়ায় যৌতুক নিয়ে তরুণীর আত্মহত্যা, হবু স্বামী গ্রেফতার  মহেশখালী হত্যা মামলার আসামী মাদ্রাসার সভাপতি হতে দৌঁড়ঝাপ চকরিয়ার চিংড়িজোনে বিপুল অস্ত্র ও কার্তুজসহ বাহিনী প্রধান বেলালসহ গ্রেফতার চার কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য ফ্রান্সের ১.৫ মিলিয়ন ইউরো অনুদানে ইউএনএইচসিআরের কৃতজ্ঞতা

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দায়সারা মনোভাব: অপরিকল্পিত নগরায়নে বিপর্যস্ত কক্সবাজার

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; module: photo; hw-remosaic: false; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: 8; cct_value: 7227; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 50.0; aec_lux_index: 0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0; albedo: ; confidence: ; motionLevel: 0; weatherinfo: null; temperature: 35;

আব্দুল আলীম নোবেল:
প্রতিবছর প্রায় ১ কোটি পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয় বিশ্বের এই দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। পর্যটক ছাড়াও দেশি-বিদেশি শতাধিক আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার এক হাজারের বেশি কর্মকর্তা অস্থায়ীভাবে বাস করেন এই শহরে। অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পর্যটন শিল্পের শহরে।
দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজার। বছরে কোটি পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয় বিশ্বের এই দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। পর্যটক ছাড়াও দেশি-বিদেশি শতাধিক আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার এক হাজারের বেশি কর্মকর্তা অস্থায়ীভাবে বাস করেন এই শহরে। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে অপরিকল্পিতভাবে সম্প্রসারণ হচ্ছে শহরটি। ফলে বিশ্বমানের পর্যটকবান্ধব নগরী না হয়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে শহরটি।
বাৎসরিক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হলেও পর্যটন নগরীকে ঘিরে আলাদাভাবে নজর দেওয়া হয়নি। নেই কেন্দ্রীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে। গড়ে তোলা হয়নি সুয়ারেজ সিস্টেম। পয়োবর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ।
বিশেষ করে কক্সবাজার পৌরসভার ও এর আশেপাশের এলাকায় সরকারের এক নম্বর খাস খতিয়ানের জমি হওয়ায়, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ তেমন কোন ভূমিকা নেয় না। এই সুবিধাকে  কাজে লাগিয়ে একটি বিশেষ মহল রাতারাতি অট্টালিকা লিখা তৈরি করে যাচ্ছে, এসব ভবনের কোন অনুমোদন নেই। জেলা প্রশাসনের তরফ থেকেও তেমন কোন অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায় না।
চন্দ্রিমা, সরকারি আবাসন প্রকল্প একান্ন একর,সৈকত পাড়া, আদর্শ গ্রাম, পাহাড়তলী, ঘোনাপাড়া, বাস টার্মিনাল, দক্ষিণ ডিককুল,ইসলামাবাদ, পুলিশ লাইন, লিংরোড কলেজ গেট এলাকা, সিটি কলেজ এলাকা, বাদশাঘোনা,জেলগেট এলাকাসহ এসব এলাকায় চরম বেপরোয়া ভাবে অপরিকল্পিত নগরায়ন হচ্ছে। এখন যদি এদের লাগাম টেনে না ধরে তাহলে আগামীতে এইসব কোনভাবে আটকানো যাবে না বলে জানিয়েছেন আমরা কক্সবাজার বাসি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন।
অপরিকল্পিত নগরায়ন
স্বাধীনতার পর দীর্ঘ ৫০ বছরেও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে উঠেনি কক্সবাজার। পৌর এলাকার হলি ডে মোড় থেকে শুরু করে দক্ষিণে মেরিন ড্রাইভের টেকনাফ সীমান্ত পর্যন্ত ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় সাড়ে সাতশো হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউজ ও কটেজ গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে ৬টি তারকা হোটেলসহ ২৪টি বড় হোটেল রয়েছে। এছাড়া আড়াই শতাধিক রেস্তোরাঁও আছে এখানে। তবে এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছে অপরিকল্পিতভাবে। ফলে দিনদিন নানাবিধ নাগরিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ-প্রতিবেশ। সমুদ্রের জীববৈচিত্রেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
কক্সবাজারের পর্যটন খাতের অধিকাংশ সম্প্রসারণ হয়েছে গত এক যুগে। এর পুরোটাই অপরিকল্পিতভাবে। পর্যটনকে কেন্দ্র করে স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে মানা হয়নি পরিবেশ রক্ষা নীতিমালা। যেখানে সেখানে স্থাপনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনেক হোটেল নির্মাণ হলেও রাস্তার অনুমোদন দেওয়া হয়নি। পরি
চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘হোটেলে উঠেছি, কিন্তু গাড়ি চলাচলের রাস্তা নেই। যার ফলে মালামাল নিয়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে। যানজটের কারণে শহরের জনপ্রিয় মার্কেট যেতেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অগোছালো স্থাপনার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।’
২০১৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত এক রুলে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। এরপরও সংরক্ষিত এলাকায় নির্মাণ কাজ হয়েছে। এসব এলাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন অনেক জমি রয়েছে। এসবের কোন সুরাহাও হয়নি। আর স্থাপনাগুলো উচ্ছেদেরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
কেন্দ্রীয় সুয়ারেজ সিস্টেম গড়ে উঠেনি। হোটেল-মোটেলগুলোর নিজস্ব সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টও নেই। দুই লাখ বাসিন্দা ছাড়াও বছরে কোটি পর্যটকের আগমন ঘটে এই পর্যটন নগরীতে। পুরো পৌর এলাকা থেকে দিনে প্রায় ১৪৫ কোটি টন পয়োবর্জ্যের সৃষ্টি হয়। এরমধ্যে ২০ টন সংরক্ষণের সক্ষমতা রয়েছে পৌর প্রশাসনের। নালার মাধ্যমে বাকী বর্জ্যের শেষ গন্তব্য হয় নদী ও সাগরে; ফলে মারাত্মক পরিবেশ দূষণ হচ্ছে।
বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের
সভাপতি দীপক শর্মা দিপু বলেন,
সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট না থাকা হোটেল-মোটেলগুলোকে প্ল্যান্ট স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন করে নির্মাণাধীন স্থাপনাগুলোকে বাধ্য করা হচ্ছে সুয়ারেজ প্ল্যান করতে। সমুদ্র সৈকতের সংরক্ষিত এলাকায় থাকা স্থাপনাগুলো উচ্ছেদের জন্য সংশ্লিষ্টদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’
সাবেক কউক চেয়ারম্যান
কর্ণেল ফোরকান বলেন
হোটেল-মোটেল নির্মাণসহ কক্সবাজার ইতোমধ্যে অপরিকল্পিতভাবে অনেক সম্প্রসারিত হয়েছে। সড়ক-ড্রেনেজ সিস্টেমের উন্নয়ন করতে গিয়ে আমরা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছি। ব্য
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি মো. নুরুল করিম বলেন, ‘এখানকার হোটেল-মোটেলগুলো নির্মাণের সময়, তৎকালীন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নির্দেশনা মেনেই স্থাপনা করা হয়েছে। কক্সবাজারে মাস্টার প্ল্যানে যে নির্দেশনা আসবে, আমরা তা অনুসরণ করতে প্রস্তুত রয়েছি’।
যত্রতত্র আবর্জনা, দুর্গন্ধে নাকাল
কক্সবাজার সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা সুগন্ধা পয়েন্টের সৈকতে নামলে আবর্জনার স্তুপ জমে থাকতে দেখা যায়। গত বুধবার দুপুরে সুগন্ধা পয়েন্টের সামনের বিচে দেখা যায়, খোদ বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির এক পরিচ্ছন্ন কর্মীই আশপাশের এলাকা থেকে ময়লা তুলে এনে এখানে ফেলছেন। শুধু সুগন্ধা পয়েন্ট নয়, পাঁচ তারকা হোটেল কক্স টুডের সামনে-পেছনেও পড়ে আছে ময়লা-আবর্জনা। পাশেই বন বিভাগের বাংলো কল্লোলের সামনে নালায় ময়লা পানি ও আবর্জনা জমে আছে। বাংলোর পেছনে উর্মি পয়েন্টেও আবর্জনার স্তুপ রয়েছে। এসব আবর্জনা মাড়িয়ে সৈকতে নামতে হয় পর্যটকদের।
এছাড়া কলাতলী থেকে হলি-ডে মোড় পর্যন্ত হোটেল-মোটেল এলাকার দীর্ঘ এ সড়কের দুই পাশের বিভিন্ন স্থানে পড়ে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা। এসব আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বিশ্বের অন্যতম পর্যটন এলাকার সৈকতেও। এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্থানীয়দের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের। হচ্ছে পরিবেশ দূষণও।
ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন মেহের আফরোজ-আবরার দম্পতি। সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে সৈকতে নামতে নাক চেপে ধরেন দুজনেই। মেহের আফরোজের স্বামী আবরার হোসেন বলেন, ‘ভেবেছিলাম কক্সবাজার পরিকল্পিত একটি পর্যটন নগরী। কিন্তু গাড়ি থেকে নেমেই দেখি শহরের নালা-নর্দমার বেহাল দশা। যত্রতত্র পড়ে আছে ময়লা-আবর্জনা। এমনকি সৈকতের পাড়েও ময়লা ফেলা হচ্ছে।’
দ্য সি প্রিন্সেস হোটেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল বাশার চৌধুরী বলেন, ‘সৈকতের খুব কাছেই আমার হোটেলটি। হোটেলে বসেই সমুদ্র দেখা যায়। সমুদ্রের পাশে আবর্জনার স্তুপ হওয়ায় পর্যটকদের নজরে প্রথমেই আসে আবর্জনার স্তুপ। ফলে কক্সবাজার নিয়ে পর্যটকদের নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়।’
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা
স্বাভাবিক সময়ে পর্যটনকে ঘিরে কক্সবাজারে বছরে কয়েক কোটি মানুষের আগমন ঘটে। এছাড়া পৌর এলাকায় রয়েছে দুই লাখের বেশি স্থায়ী বাসিন্দা। পর্যটন মৌসুমে গড়ে প্রতিদিন ১৪০-১৫০ টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। স্বাভাবিক সময়ে এর পরিমাণ ১২০-১৩০ টন হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পর্যটন এলাকা ছাড়াও শহরের প্রধান সড়কের বিজিবি ক্যাম্প এলাকা থেকে লালদীঘি পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ডাস্টবিনে বিকাল পর্যন্ত আবর্জনা পড়ে থাকে। কুকুর-গরুর বিচরণে এসব আবর্জনা ছড়িয়ে যায় সড়কের ওপরেও। শহরের প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন উপসড়কে আবর্জনার স্তুপ দেখা গেছে। নির্ধারিত সময়ে আবর্জনা সংগ্রহ না করায় তা নালা-নর্দমায় পড়ে ভরাট হয়ে যায়। ফলে বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
শহরের বর্জ্যগুলো প্রতিদিন সকাল ৮টার আগে পৌর পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সংগ্রহ করে ডাম্পিং স্টেশনে নেওয়া কথা। তবে অভিযোগ আছে, তারা নির্ধারিত দায়িত্ব না পালনের কারণে ময়লা-আবর্জনায় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে পর্যটন এলাকায়। পৌর এলাকার ১২টি ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় ৫০০ পরিচ্ছন্ন কর্মী।
কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকার অস্থায়ী ডাস্টবিন থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করে ফেলা হচ্ছে বাঁকখালী নদীর তীরে। গত কয়েক বছর ধরে ফেলা আবর্জনায় ইতোমধ্যে নদীর তীরের প্রায় পাঁচ একর জমি ভরাট হয়ে টিলা আকৃতি হয়ে গেছে। বৃষ্টি হলেই পানিতে ধুয়ে এই বর্জ্য বাঁকখালী নদী হয়ে সাগরে মিশে যায়। নদী ও সাগরের জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সন্তোষ কুমার দেব বলেন, ‘টেকসই পযর্টনের জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পযর্টন নিশ্চিত করতে নান্দনিকতা প্রয়োজন। এজন্য শহরকে চমৎকার করে গোছাতে হবে। দেশি ও আন্তর্জাতিক পযর্টকদের আকর্ষণ করতে পর্যটন এলাকাকে সুন্দরভাবে স
ড্রেনেজ সিস্টেম
একসময় কক্সবাজার শহরের অভ্যন্তরে ৪৩টি ছোট-বড় নালা ও ছড়া ছিল। বর্তমানে এর বেশিরভাগের কোনো অস্তিত্ব নেই। ছোট নালা-নর্দমাগুলোও ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে। ড্রেনেজ সিস্টেম না থাকায় বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় হোটেল-মোটেল জোন এবং প্রধান সড়কের আশপাশের এলাকায়। নালা-নর্দমায় নোংরা পানি জমে থাকায় মশার উৎপাত বেড়েছে। তবে নতুন করে সড়ক সংস্কারে সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণ করছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান
কমোডর (অব:) মোহাম্মদ নুরুল আবছারকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার একাধিক বার চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।