<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বিশ্ব &#8211; Cox&#039;s Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর</title>
	<atom:link href="https://dainikcoxsbazarekattor.com/category/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com</link>
	<description>Propular News Paper in Cox&#039;s Bazar</description>
	<lastBuildDate>Sun, 11 Jan 2026 17:14:49 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2021/11/Favicon-150x111.gif</url>
	<title>বিশ্ব &#8211; Cox&#039;s Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর</title>
	<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>হজযাত্রীদের নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/11/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/11/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%ae/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 17:14:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19875</guid>

					<description><![CDATA[কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক: চলতি বছরের পবিত্র হজের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই চূড়ান্ত তারিখ জানানো হয়েছে। তবে এবারের যাত্রায় হজযাত্রী ও এজেন্সিগুলোর জন্য বেশ কিছু নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। ২৫ জানুয়ারির মধ্যে যে ১১ ধরনের স্বাস্থ্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক:</p>
<p>চলতি বছরের পবিত্র হজের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই চূড়ান্ত তারিখ জানানো হয়েছে। তবে এবারের যাত্রায় হজযাত্রী ও এজেন্সিগুলোর জন্য বেশ কিছু নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।</p>
<p>২৫ জানুয়ারির মধ্যে যে ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা লাগবে হজযাত্রীদের মন্ত্রণালয়ের গাইডলাইন অনুযায়ী, হিজরি ১৪৪৭ সালের হজে কোনো এজেন্সি চাইলেই সব হজযাত্রীকে একবারে পাঠাতে পারবে না। প্রতিটি এজেন্সিকে তাদের মোট যাত্রীর অন্তত ২০ শতাংশ পাঠাতে হবে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে। এছাড়া প্রথম ও শেষ পর্যায়ের ফ্লাইটে টিকিট ইস্যুর হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সীমার কম বা বেশি টিকিট ইস্যু করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে মন্ত্রণালয়।</p>
<p>সৌদি সরকারের নিয়ম মেনে এবার একই সার্ভিস কোম্পানির আওতাভুক্ত হজযাত্রীদের একই ফ্লাইটে পাঠানোও বাধ্যতামূলক। মূলত জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দরে চাপ সামলাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ সংশ্লিষ্ট তিনটি সংস্থাকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/11/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19875</post-id>	</item>
		<item>
		<title>খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 14:55:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পার্বত্য চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19850</guid>

					<description><![CDATA[কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক: খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে মহীয়সী এক নারী। নীতির প্রশ্নে দৃঢ়তা, গণমানুষের অধিকার আদায়ে আপসহীনতা, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অবিচল, কথাবার্তায় শালীনতাবোধ, মার্জিত আচরণ, অনমনীয়তা এবং বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আত্মত্যাগের সংমিশ্রণে শক্তিশালী রাজনৈতিক চরিত্রের অধিকারী অনন্য নেত্রী তিনি। কর্মগুণে তিনি পরিণত হন বাংলাদেশের মানুষের ভরসাস্থলে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জননন্দিত রাজনৈতিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="desktopDetailBody">
<div>
<p>কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক:</p>
<p>খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে মহীয়সী এক নারী। নীতির প্রশ্নে দৃঢ়তা, গণমানুষের অধিকার আদায়ে আপসহীনতা, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অবিচল, কথাবার্তায় শালীনতাবোধ, মার্জিত আচরণ, অনমনীয়তা এবং বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আত্মত্যাগের সংমিশ্রণে শক্তিশালী রাজনৈতিক চরিত্রের অধিকারী অনন্য নেত্রী তিনি। কর্মগুণে তিনি পরিণত হন বাংলাদেশের মানুষের ভরসাস্থলে।</p>
<p>দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জননন্দিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির অত্যন্ত সফল চেয়ারপারসন। শত ষড়যন্ত্র আর চক্রান্তের মধ্যেও তিনি দলটির জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পেরেছেন। তিনি নিজেও পরিণত হয়েছেন মানুষের আস্থার প্রতীকে।</p>
<p>খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে পাঁচটি করে আসনে প্রার্থী হয়ে সব কয়টি আসনে জয় পান। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবগুলোতেই বিজয়ী হন।</p>
<p>১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট অবিভক্ত ভারতবর্ষের জলপাইগুঁড়ির ছোট্ট শহরে বেগম জিয়ার জন্ম। পৃথিবীতে তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা থেমেছে মাত্র। তখন শরতের স্নিগ্ধ ভোর। নতুন ফুটফুটে শিশু কন্যার আগমনে পরিবারের সবাই আনন্দিত। নাম রাখা হয় ‘শান্তি’। পরে মেঝ বোন সেলিনা ইসলাম পুতুলের মতো শিশুর ডাক নাম রাখেন ‘পুতুল’। জলপাইগুঁড়ি থেকে পরবর্তী পর্যায়ে তার পরিবার দিনাজপুরে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।</p>
<p>১৯৬০ সালে তিনি দিনাজপুর সরকারি স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজে লেখাপড়া করেন। কলেজে পড়ার সময় তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। ১৯৬৫ সালে কলেজে ডিগ্রি কোর্সে অধ্যয়নকালে বেগম খালেদা জিয়া স্বামীর কর্মস্থল পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান।</p>
<p>১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের স্বাধিকারকামী মানুষের ওপর নৃশংসরূপে ঝাঁপিয়ে পড়লে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্টে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এমনি পরিস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামে কিছুদিন আত্মগোপন করে থাকার পর ছোট্ট দুই ছেলেকে নিয়ে ১৬ মে নৌপথে ঢাকায় আসেন। বড় বোন খুরশীদ জাহান হকের বাসায় ২৭ জুন পর্যন্ত দুই সন্তানকে নিয়ে আত্মগোপন করেন তিনি।</p>
<p>২ জুলাই পাকিস্তানি সেনারা দুই ছেলেসহ তাকে বন্দি করে। দীর্ঘদিন গৃহবন্দি থাকার পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে ১৯৮১ সালের ৩১ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কিছু বিপদগামী সেনা সদস্যের হাতে শাহাদতবরণ করেন। ততদিন অবধি সাধারণ আটপৌরে গৃহবধূই ছিলেন তিনি।</p>
<p>শেষ অবধি দলের নেতাকর্মীদের দাবির টানে ঘরের চৌহদ্দি ডিঙ্গিয়ে তাকে নামতে হয় রাজপথে। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। পরের বছরের মার্চে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন তিনি। ১৯৮৪ সালের ১০ মে খালেদা জিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।</p>
<p>জিয়াউর রহমান বীর উত্তম যখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন, তখন বেগম জিয়া ফার্স্ট লেডি হিসেবে তার সঙ্গী হিসেবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং নেদারল্যান্ডের রানী জুলিয়ানাসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করেন।</p>
<p>১৯৮১ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের সবচেয়েব সফল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবরণের পর, তিনি ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি সাধারণ সদস্য হিসাবে বিএনপিতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে দলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলটি তাকে চেয়ারপারসন নির্বাচিত করেন।</p>
<p>১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে বন্দুকের নল উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করলে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বাত্মক আন্দোলনের সূচনা করেন। তিনি এরশাদের স্বৈরশাসন থেকে দেশ পুনরুদ্ধারে ১৯৮৩ সালে গঠিত সাত দলীয় জোট গঠনের স্থপতি ছিলেন। তিনি ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে প্রহসনের নির্বাচনের বিরোধিতা করেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। যদিও আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মতো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা এরশাদের অবৈধ সরকারকে বৈধতা দেয়ার জন্য জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন শাসনের অধীনে নির্বাচনে যোগ দিয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়া এক মুহূর্তের জন্যও স্বৈরাচারের সাথে আপস করেননি। এরশাদ ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য নির্বিচারে ছাত্র হত্যার পথ বেছে নেয়। তিনি এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার দৃঢ় সংকল্পে ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতবার আটক করা হয় তাকে। এসময় দেশের জনগণ তাকে ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধি দেন।</p>
<p>১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বেগম জিয়া। তার প্রধানমন্ত্রীত্বকালে বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদে বেশ কিছু অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। কর্মসংস্থানের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় এই সময় এবং শুধুমাত্র তৈরি পোশাকশিল্প খাতেই পাঁচ বছরে কর্মসংস্থানের বৃদ্ধি ছিল ২৯%। প্রায় দুই লাখ নারী এই সময় তৈরি পোশাকশিল্প খাতে যোগ দেয়।</p>
<p>তিনি জাতিসংঘে গঙ্গার পানি-বণ্টনের সমস্যা উত্থাপন করেন, যাতে বাংলাদেশ গঙ্গার পানির ন্যায্য অংশ পায়। ১৯৯২ সালে তাকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানো হলে সেখানে তিনি রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের সমস্যা উত্থাপন করেন এবং পরে মিয়ানমার সরকার ১৯৯০ দশকের প্রথম দিকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি করে।</p>
<p>আপসহীন সংগ্রাম আর দেশজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে লাখো জনতার সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। সে সময় থেকে ‘দেশনেত্রী’ খালেদা জিয়ার নামের অংশ হয়ে যায়।</p>
<p>১৯৯৬ সালে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর খালেদা জিয়া টানা দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হন, কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং পুনরায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতির কারণে, তিনি এক মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেন। ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনে দেশি ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপিকে হারিয়ে দেয়া হয়। তবে দলটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সংসদে সবচেয়ে বড় বিরোধী দল হিসেবে ১১৬টি আসন পায় সেই নির্বাচনে।</p>
<p>বিএনপি ১৯৯৯ সালে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে চারদলীয় জোট গঠন করে এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলে। বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি ও সন্ত্রাস নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়ী হন। ফোর্বস ম্যাগাজিন নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে তার ভূমিকার জন্য ২০০৫ সালে বিশ্বের সেরা নারী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তাকে ২৯ নম্বরে স্থান দেয়।</p>
<p>২০১১ সালের ২৪ মে নিউ জার্সি স্টেট সিনেটে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘ফাইটার ফর ডেমোক্রেসি’ পদক প্রদান করা হয়।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট সিনেট কর্তৃক কোনো বিদেশিকে এ ধরনের সম্মান প্রদানের ঘটনা এটাই ছিল প্রথম। পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই তাকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ সম্মাননা দেয় কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (সিএইচআরআইও) নামের একটি সংগঠন।</p>
<p>২০০৬ সালে, তিনি একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে, তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্বাসনে পাঠানোর একাধিক প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে দুর্নীতির তুচ্ছ এবং ভিত্তিহীন অভিযোগে স্বৈরাচারী সরকার গ্রেফতার করে।</p>
<p>ক্ষমতায় থাকাকালীন, খালেদা জিয়ার সরকার বাধ্যতামূলক বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা, ছাত্রীদের জন্য একটি শিক্ষা ‘উপবৃত্তি’ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য খাদ্য প্রবর্তন করে শিক্ষা ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি করেছিল। তার সরকার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করে এবং শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করে।</p>
<p>২০০৯ সাল থেকে, যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার নির্বিচারে গুম, খুন, ক্রসফায়ার আর বিনাবিচারে ভিন্নমতের রাজনৈতিক কর্মীদের হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র থেকে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত করে, তখন তিনি গণতন্ত্রের জন্য তার লড়াই নতুন করে শুরু করেছিলেন। সরকার তাকে জোরপূর্বক তার বাড়ি থেকে এক কাপড়ে বের করে দেয় এবং গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন শুরু করায় তাকে দুইবার গৃহবন্দী করা হয়।</p>
<p>জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়াকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০২০ সালের কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্র্যাকটিস প্রতিবেদনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট আন্তর্জাতিক এবং দেশিয় আইন বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে যে, মূলত নির্বাচনি প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য একটি রাজনৈতিক চক্রান্ত হিসেবেই তাকে সাজা দেয়া হয়েছিল। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে তার ‘ন্যায্য বিচারের অধিকারকে সম্মান করা হচ্ছে না।’</p>
<p>বাংলাদেশে বেগম খালেদা জিয়াই একমাত্র নেত্রী, যিনি অন্তত ১১ বার বন্দিদশা মোকাবিলা করে স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষুকে ভ্রুকুটি করে ষড়যন্ত্র ও কুটিলতার জাল ছিন্ন করে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উজ্জ্বল পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছিলেন এবং সফলকাম হয়েছিলেন।</p>
<p>খালেদা জিয়ার ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত আসে ওয়ান ইলেভেনের সময়। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির সেনানিয়ন্ত্রিত সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ জিয়া পরিবারের ওপর নেমে আসে নির্মম নির্যাতনের ভয়াবহতা। খালেদা জিয়াকে বন্দি করে সাব-জেলে নিক্ষেপ করা হয়। দেশত্যাগে বাধ্য করতে তার ওপর নানামুখী চাপ সৃষ্টি করা হয়। তারেক রহমানকে বন্দি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে বন্দি করা হয়। চলে নিপীড়ন। সুস্থ সবল আরাফাত রহমান জেল থেকে বের হন মুমূর্ষু অবস্থায়। এরপর আর একদিনের জন্যও সুস্থ হননি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তারেক রহমান জেলখানা থেকে বের হন ভাঙ্গা মেরুদণ্ড নিয়ে।</p>
<p>২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শুরু হয় খালেদা জিয়া-তারেক রহমান ও বিএনপি বিনাশের নীলনকশা। তারই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার বিতর্কিত আদালত কথিত জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম জিয়াকে কারাবন্দি করেন। সেই থেকে শুরু হয় তার জেলজীবন। জেলে তাকে বিনা চিকিৎসায় জীবননাশের উপক্রম করা হয়। প্রায় দুই বছর পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের সময় পারিবারিক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় মাসের জন্য শর্তসাপেক্ষ মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরপর দফা-দফায় ছয় মাস করে তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ায় সাবেক সরকার। তাকে উন্নত চিকিৎসার কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। চিকিৎসকরাও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশ প্রেরণের সুপারিশ করেন। কিন্তু হাসিনার সরকার সেটি অগ্রাহ্য করে। ২০২৪ সালের আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়। পরদিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশে মুক্তি পান বেগম খালেদা জিয়া।</p>
<p>খালেদা জিয়ার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য স্বৈরাচারী এরশাদ, হাসিনা ও মইনুদ্দিন, ফখরুদ্দীন সরকার এমন কোনো চক্রান্ত নেই যা করেননি। কিন্তু বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অতন্দ্রপ্রহরী বেগম খালেদা জিয়া টানা ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে আছেন।  দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি নিখাত ভালবাসা খালেদা জিয়াকে সবচেয়ে আপন জনে পরিণত করেছে। তিনি সশস্ত্র হুমকিতেও দেশ ছেড়ে যাননি শুধু বাংলাদেশের মানুষের পাশে থাকার জন্য। কর্মগুণে, আন্তরিকতায় ও সততায় হয়ে গেছেন বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্মরণকালের কুখ্যাত স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ শাসনামলে খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল, যে বাড়িতে তার প্রাণপ্রিয় স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া শেষদিন পর্যন্ত জীবনযাপন করেছেন। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে শহীদ মইনুল হোসেন সড়কের বাড়িটি কেবল একটি বাড়ি ছিল না, এটি ছিল ইতিহাসের স্মৃতিময় গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। সেই বাড়ি থেকে যখন তাকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হয়, তখনো খালেদা জিয়া কোনো ধরনের রাজনৈতিক শিষ্টাচারের বাইরে যাননি। এমনকি বাড়ি নিয়ে নজিরবিহীন অপপ্রচারের জবাবও দেননি। খালেদা জিয়া মূলত এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি একজন আদর্শবান মহীয়সী নারী। জাতির অভিভাবকের মতোই তিনি আচরণ করেছেন সব সময়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর খালেদা জিয়া কারাগার থেকে বেরিয়ে চিকিৎসার জন্য গত জানুয়ারিতে যান লন্ডনে, সেখানে ঈদ করেন তার পুত্রের সঙ্গে। যুক্তরাজ্য থেকে তিনি ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে। সেখানেও তিনি কারো ব্যাপারে বিষোদগার করেননি, কোনো রাজনৈতিক বিভক্তির কথা বলেননি, অনৈক্যের কথা বলেননি, ধ্বংসাত্মক কথাবার্তা বলেননি, উসকানিমূলক বক্তব্য দেননি। ঐক্যের কথাই বলেছেন। এটিই একজন আদর্শ কীর্তিমান রাজনীতিবিদের বৈশিষ্ট্য।</p>
<p>একজন রাজনীতিবিদ যে পরিশীলিত ভাষায় কথা বলে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন, তার প্রমাণ বেগম খালেদা জিয়া। এ কারণেই বাংলাদেশের ইতিবাচক রাজনীতিতে এখন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র তিনি। জীবনের ৮০টি বছর পার হলেও এখনো সাধারণ জনগণের মধ্যে এখনো রয়েছে তার বিপুল জনপ্রিয়তা । বিশেষ করে বর্তমান সময় যখন রাজনীতিতে এক পক্ষ অন্য পক্ষের চরিত্র হননের জন্য অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করে, সেই সময় খালেদা জিয়ার মতো সাহসী ও মহীয়সী নারী রাজনীতিবিদ যেন জাতির জন্য এক সূর্যসম আলোকবর্তিকা।</p>
<p>জীবন চলার পথে কীভাবে রাজনীতিবিদদের সাথে কথা বলতে হয়, সমালোচনা করেও কীভাবে পরমতসহিষ্ণুতা দেখানো যায়, সম্মান জানানো যায়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বেগম খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া কখনো প্রতিশোধপ্রবণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করেননি। তিনি এক উদার গণতান্ত্রিক চেতনার ধারক ও বাহক। এ কারণেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেসব অন্যায়-অবিচার করা হয়েছে, সেই অন্যায়-অবিচারগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার তিনি দিয়েছেন দেশের জনগণের ওপর। তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে যেসব কথা বলেছেন সবই জনগণের উদ্দেশ্যে। কিন্তু একটিবারও নিজের কথা বলেননি। তিনি জনগণের কথা বলেছেন। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্বপ্নের কথা বলেছেন। নতুন করে বাংলাদেশ বিনির্মাণের কথা বলেছেন। এটি তার ঐতিহাসিক পরিকল্পনা ও মহত্ত্বের নমুনা। রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও বৈশিষ্ট্য একজন রাজনীতিবিদকে পরিণত করে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে। সেটি খালেদা জিয়া প্রমাণ করেছেন।</p>
<p>একজন প্রতিপক্ষের রাজনীতিবিদকে কী ভাষায় কথা বলতে হবে, ভিন্নমতের ব্যাপারে কী ধরনের ভদ্রতা ও শিষ্টাচার দেখাতে হবে, সম্মান দেখাতে হবে, তা আমাদের রাজনীতি থেকে প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। এ রকম একটি অসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিবেশে এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম বেগম খালেদা জিয়া। তিনি এদেশের রাজনীতিতে বিনয়ের প্রতীক হয়ে উদ্ভাসিত হয়েছেন জনগণের মাঝে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ৬ আগষ্ট তিনি যখন প্রচণ্ড অসুস্থ অবস্থায় মুক্তি পান, এর পর থেকে তার প্রতিটি আচরণ তাকে শ্রদ্ধার আসনে সমাসীন করেছে। দল-মত-নির্বিশেষে সবাই তার দূরদর্শিতা, প্রাজ্ঞ উদারতা, ধৈর্য ও ক্ষমাশীলতায় মুগ্ধ হয়েছেন । নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে সব মানুষের হৃদয় জয় করেছেন তিনি। তার সততা, নিষ্ঠা, পরিমিতিবোধ, আচার-আচরণ এবং সংযতবাক এ দেশের সকল শান্তিকামী মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে তিনি কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন, কিন্তু সেই সমালোচনা কখনো অসভ্যতা, অন্যায় ও শিষ্টাচারবহির্ভূত হয়নি। অশালীন নোংরামির পর্যায়ে যায়নি। তিনি কখনো জাতীয় নেতাদের অসম্মান করে বক্তব্য দেননি। এ ধারাটি তিনি অব্যাহত রেখেছেন সারা জীবনে। রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আদর্শ থেকে এতটুকু বিচ্যুত না হয়েও যে একজন রাজনীতিবিদ শিষ্ঠাচার মেনে চলতে পারেন, বিনয়ী ও ভদ্রোচিত ভাষায় তীব্র থেকে তীব্র্রতর সমালোচনা করতে পারেন, সেই ইতিহাস তিনি সৃষ্টি করে গেছেন।</p>
<p>দুঃখজনক হলেও সত্য যে, শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে সাবেক আওয়ামী লীগের পাতি নেতারাও বেগম জিয়া সম্পর্কে যে কুৎসিত ভাষা প্রয়োগ করেছিলেন, তা প্রকাশ করা তো দূরের কথা, চিন্তা করাও কুরুচির পরিচয় বহন করে। এসব অসভ্য অমার্জনীয় নোংরামির জবাব না দিয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন সকল বিতর্কের উর্ধ্বে। তার প্রতিবাদহীনতাই যেন মানুষের ভালোবাসার মূল উৎস। ফ্যাসিবদী সাবেক সরকারের বিরুদ্ধে তার যেসব কড়া কথা বলা উচিত ছিল, সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ভাষা প্রয়োগ করার কথা ছিল, কিন্তু তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক শিক্ষা তাকে সেই স্বীকৃতি দেয়নি। বরং তিনি তাদের শুধু নীতির সমালোচনা করেছেন, তাদের ভোট চুরির সমালোচনা করেছেন, তাদের অরাজকতা, গুম, হত্যা, খুন, রাহাজানি ও লুণ্ঠনের সমালোচনা করেছেন। কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে অশালীন, কুৎসিত ভাষায় তিনি আক্রমণ করেননি। খালেদা জিয়ার এ ধরনের রাজনৈতিক মহানুভবতা আজকের দিনে ভবিষ্যতে সবার জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে।</p>
<p>গৃহবধূ থেকে সময়ের প্রয়োজনে রাজনীতিতে এসেছেন বেগম খালেদা জিয়া। অথচ রাজনীতির তার চলার পথ মোটেই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। রাজনীতির বাঁকে বাঁকে বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে তিনি এগিয়েছেন। অর্জন করতে পেরেছেন মানুষের আস্থা। কর্মগুনে তিনি মানুষের ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছেন।</p>
<p>আমাদের রাজনীতির আকাশে বেগম খালেদা জিয়া উজ্জ্বলতম নক্ষত্র- লুব্ধক। তার মহাপ্রয়াণে আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রটি খসে পড়লো। খালেদা জিয়ার সততা, নিষ্ঠা, মানবতা, ক্ষমা, শান্তি, সৌহার্দ্য, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের আদর্শ অনুসরণ করতে পারলে মানবিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। সূত্র: যুগান্তর</p>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19850</post-id>	</item>
		<item>
		<title>জানুয়ারিতে চালু হচ্ছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/28/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a2/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/28/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 16:08:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19816</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার আশা প্রকাশ করে বলেছেন, জানুয়ারিতে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হবে। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার। এ সময় তিনি এই আশা প্রকাশ করেন। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<article class="mb-5">বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার আশা প্রকাশ করে বলেছেন, জানুয়ারিতে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হবে। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার। এ সময় তিনি এই আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p>সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও বিমান চলাচলে সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত ও চিকিৎসা বিনিময় বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
</article>
<article class="my-5">পাকিস্তানি হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, গত বছরের তুলনায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, উভয় দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় সক্রিয়ভাবে নতুন বিনিয়োগের সুযোগগুলো সন্ধান করছে।</p>
<p>তিনি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, বিশেষ করে চিকিৎসা বিজ্ঞান, ন্যানোটেকনোলজি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রবল আগ্রহ দেখিয়েছে।</p>
<p>হায়দার আরো বলেন, পাকিস্তানে লিভার ও কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালে যাতায়াত করা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পাকিস্তান প্রতিস্থাপন সম্পর্কিত চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ ও একাডেমিক সুযোগ দিতে প্রস্তুত।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মিথস্ক্রিয়াকে স্বাগত জানান এবং সার্ক সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সফর বৃদ্ধির পাশাপাশি সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত ও জনগণের মধ্যে বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
</article>
<article class="my-5">প্রফেসর ইউনূস বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্য আরো জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন—হাইকমিশনার হায়দারের মেয়াদকালে উভয় দেশই বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগের ব্যবসার জন্য নতুন পথ অন্বেষণ করবে। সভায় এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/28/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19816</post-id>	</item>
		<item>
		<title>মিয়ানমারে শেষ হলো প্রথম ধাপের ভোট, গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/28/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/28/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 15:59:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19810</guid>

					<description><![CDATA[মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের পর প্রথমবারের মতো সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। তবে দেশজুড়ে চলমান গৃহযুদ্ধ এবং বিরোধীদের বয়কটের মুখে এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল&#8211;জাজিরা এ খবর জানিয়েছে। রবিবার ইয়াঙ্গুনসহ দেশটির প্রধান শহরগুলোতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull"><strong><span lang="hi-IN">মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের পর প্রথমবারের মতো সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। তবে দেশজুড়ে চলমান গৃহযুদ্ধ এবং বিরোধীদের বয়কটের মুখে এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল</span>&#8211;<span lang="hi-IN">জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।</span></strong></p>
<p class="alignfull"><span lang="hi-IN">রবিবার ইয়াঙ্গুনসহ দেশটির প্রধান শহরগুলোতে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। তবে ৩৩০টি জনপদের </span>(<span lang="hi-IN">টাউনশিপ</span>) <span lang="hi-IN">মধ্যে মাত্র এক</span>&#8211;<span lang="hi-IN">তৃতীয়াংশে ভোট নেওয়া সম্ভব হয়েছে। সংঘাতের কারণে ৬৫টি জনপদে ভোট গ্রহণ পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।</span></p>
<p class="alignfull"><span lang="hi-IN">আল</span>&#8211;<span lang="hi-IN">জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী</span>, <span lang="hi-IN">নির্বাচনের প্রথম ধাপে ভোটার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে</span>, <span lang="hi-IN">নিবন্ধিত ভোটারদের মাত্র এক</span>&#8211;<span lang="hi-IN">তৃতীয়াংশ ভোট দিতে এসেছেন। এর ফলে দেশটির অন্তত ২০ শতাংশ মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।</span></p>
<p class="alignfull"><span lang="hi-IN">নির্বাচনের পরবর্তী দুই ধাপ আগামী ১১ এবং ২৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।</span></p>
<p class="alignfull"><span lang="hi-IN">রাজধানী নেপিদোতে বেসামরিক পোশাকে ভোট দেন জান্তা প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। ভোট দেওয়ার পর তিনি হাসিমুখে কালিতে ভেজানো আঙুল উঁচিয়ে ধরেন। তিনি এই নির্বাচনকে মিয়ানমারের রাজনীতি ও অর্থনীতির জন্য এক ‘নতুন সূচনা’ এবং ‘জাতীয় সংহতির পথ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।</span></p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC"></div>
</div>
<p class="alignfull"><span lang="hi-IN">প্রথমবারের মতো মিয়ানমারে এই নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন </span>(<span lang="hi-IN">ইভিএম</span>) <span lang="hi-IN">ব্যবহার করা হয়েছে। তবে সমালোচকরা বলছেন</span>, <span lang="hi-IN">সু চির দল এনএলডি</span>&#8211;<span lang="hi-IN">কে বিলুপ্ত করা এবং তাকে কারাবন্দি রেখে এই নির্বাচন কেবল লোকদেখানো। এতে জান্তা সমর্থিত ইউএসডিপি বড় জয়ের পথে রয়েছে।</span></p>
<p class="alignfull"><span lang="hi-IN">জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুস এই নির্বাচনকে ‘বন্দুকের মুখে অভিনীত একটি প্রহসন’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন</span>, <span lang="hi-IN">জান্তা যখন বেসামরিক জনগণের ওপর বোমা ফেলছে এবং বিরোধীদের কারারুদ্ধ করছে</span>, <span lang="hi-IN">তখন এই নির্বাচন কোনও সমাধান নয়</span>; <span lang="hi-IN">বরং এটি দমন</span>&#8211;<span lang="hi-IN">পীড়ন ও সংঘাতকে আরও দীর্ঘস্থায়ী করবে।</span></p>
<p class="alignfull"><span lang="hi-IN">২০২১ সালের অভ্যুত্থান পরবর্তী গৃহযুদ্ধে মিয়ানমারে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৩৫ লাখ মানুষ। রাজনৈতিক অপরাধের নামে বর্তমানে দেশটিতে ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ বন্দি রয়েছেন।</span></p>
<p class="alignfull"><span lang="hi-IN">নির্বাচন নিয়ে মিয়ানমারের সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ ও ভীতি। মান্দালয় অঞ্চলের বাসিন্দা মো মো মিন্ট ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন</span>, <span lang="hi-IN">যে জান্তা আমাদের জীবন ধ্বংস করেছে</span>, <span lang="hi-IN">তাদের আয়োজিত নির্বাচন কীভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু হতে পারে</span>? <span lang="hi-IN">আমরা এখন জঙ্গলে লুকিয়ে জীবন ও মৃত্যুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছি।</span></p>
<p class="alignfull"><span lang="hi-IN">বিশ্লেষকরা বলছেন</span>, <span lang="hi-IN">এই নির্বাচনের মাধ্যমে সামরিক বাহিনী বেসামরিক শাসনের একটি </span>মৃদু আবরণ তৈরি করতে চাইলেও আন্তর্জাতিক মহলে এর গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক রিচার্ড হর্সি মনে করেন, <span lang="hi-IN">এই নির্বাচন মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে ব্যর্থ হবে এবং এপ্রিল ২০২৬</span>&#8211;<span lang="hi-IN">এ ক্ষমতা গ্রহণ করতে যাওয়া নতুন প্রশাসনের কাছেও কোন</span>ও কার্যকর বিশ্বাসযোগ্যতা থাকবে না।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/28/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19810</post-id>	</item>
		<item>
		<title>অসংক্রামক রোগের সচেতনতা বাড়াতে কক্সবাজার সদরে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালন</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/11/16/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/11/16/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 14:52:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পার্বত্য চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19782</guid>

					<description><![CDATA[বার্তা পরিবেশক:: &#8221; ডায়াবেটিস থামুক, জীবন এগোক&#8221;-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ কক্সবাজার সদর উপজেলায় পালিত হয়েছে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ২০২৫। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে এবং ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচি এর সহযোগিতায় দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দিনটি শুরু হয় সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে, যা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বার্তা পরিবেশক::</p>
<p>&#8221; ডায়াবেটিস থামুক, জীবন এগোক&#8221;-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ কক্সবাজার সদর উপজেলায় পালিত হয়েছে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ২০২৫। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে এবং ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচি এর সহযোগিতায় দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-19783" src="https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-300x224.jpeg" alt="" width="300" height="224" srcset="https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-300x224.jpeg 300w, https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-1024x765.jpeg 1024w, https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-150x112.jpeg 150w, https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-768x574.jpeg 768w, https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-1536x1148.jpeg 1536w, https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC.jpeg 1600w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" />দিনটি শুরু হয় সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে, যা সদর উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও স্বল্পমূল্যে ডায়াবেটিস,রক্তচাপ ও চক্ষু পরীক্ষা করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH&amp;FPO) ডা. টিটো চন্দ্র শীল।<br />
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচি কক্সবাজার জেলার এরিয়া ম্যানেজার মো: শাহ্ আলম ভূঁইয়া এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ব্র্যাক কর্মসূচি সংগঠক (স্বাস্থ্য) মো সাখাওয়াত হোছাইন শারেক,</p>
<p>আলোচনা সভায় বক্তারা দেহের যত্ন ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।<br />
ডা. টিটো চন্দ্র শীল বলেন,ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ দুটোই আমাদের নিজের হাতে। নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা—এসবই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। অনেক সময় ডায়াবেটিস কোনো উপসর্গ ছাড়াই শরীরে অগ্রসর হয়, তাই সচেতনতা জরুরি। সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নিলে ডায়াবেটিসের ভয়াবহ জটিলতা যেমন কিডনি, চোখ বা হৃদরোগ—সবই প্রতিরোধ করা সম্ভব।<br />
” এছাড়া ব্র্যাকের এই ধরনের নানান স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ও সামাজিক কার্যক্রমের জন্য ভূয়সী প্রশংসা করেন।</p>
<p>ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচির এরিয়া ম্যানেজার মো. শাহ্ আলম ভূঁইয়া বলেন,অসংক্রামক রোগ যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ও ক্যানসার—নীরবে ছড়িয়ে পড়ছে এবং আমাদের পরিবারের সামনে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। এর বেশিরভাগই প্রতিরোধযোগ্য, যদি আমরা নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রমকে জীবনের অংশ করতে পারি। চিনি, অতিরিক্ত তেল ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো এবং প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়। মানুষ যত সচেতন হবে, অসংক্রামক রোগের ক্ষতি তত কমবে।<br />
“আমরা ৩৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য স্ক্রিনিং পরিচালনা করছি, যেখানে অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে রেফার করা হয়।”</p>
<p>দিবসটি উপলক্ষে স্বল্পমূল্যে ডায়াবেটিস, রক্তচাপ পরিক্ষা, পরামর্শ ও *স্বল্পমূল্যে* চশমা বিতরণ করা হয়।<br />
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক মানুষ এই সেবায় অংশ নেন।<br />
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুধীজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/11/16/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19782</post-id>	</item>
		<item>
		<title>মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মারা গেছেন</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/08/07/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/08/07/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 Aug 2025 16:34:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19752</guid>

					<description><![CDATA[মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ইউ মিন্ত সোয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে রাজধানী নেইপিদোতে সামরিক বাহিনীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৪ বছর। হাসপাতালের ডাক্তররা জানিয়েছেন পার্কিনসন্স এবং স্নায়বিক ব্যাধিতে ভুগছিলেন তিনি। মেডিকেল রেকর্ড বলছে, ২০২০ সাল থেকেই শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন ইউ মিন্ত সোয়ে। খাওয়াদাওয়াও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<article>মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ইউ মিন্ত সোয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে রাজধানী নেইপিদোতে সামরিক বাহিনীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি।</p>
<p>মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৪ বছর। হাসপাতালের ডাক্তররা জানিয়েছেন পার্কিনসন্স এবং স্নায়বিক ব্যাধিতে ভুগছিলেন তিনি। মেডিকেল রেকর্ড বলছে, ২০২০ সাল থেকেই শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন ইউ মিন্ত সোয়ে। খাওয়াদাওয়াও করতে পারতেন না ঠিকমতো। গত এপ্রিলে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ মেডিকেল সেন্টারেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সোয়ে-কে।</p>
<p>২০২০ সালের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হন ইউ মিন্ত সোয়ে। মিয়ানমারের সেনাপ্রধান এবং বর্তমানে ক্ষমতাসীন সামরিক সরকারের প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লেইং তাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেন।</p>
<p>জেনারেল মিন অং হ্লেইংয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা ইউ মিন্ত সোয়ে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী থেকে অবসর নেন ২০১০ সালে। অবসর নেওয়ার সময় লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদবীতে ছিলেন তিনি।</p>
</article>
<article>সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর রাজনীতিতে আসেন ইউ মিন্ত সোয়ে। ২০১২ সাল থেকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইয়াঙ্গুনের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তারপর ২০১৬ সালের মার্চ থেকে ’১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত মিয়ানমারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন।</p>
</article>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/08/07/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19752</post-id>	</item>
		<item>
		<title>রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে ভয়ংকর তথ্য ফাঁস</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/07/31/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/07/31/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 30 Jul 2025 18:26:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19722</guid>

					<description><![CDATA[নতুন বাধা রাখাইনের “বিরল খনিজ সম্পদ”! কক্সবাজার ৭১ ডেস্কঃ কক্সবাজারের সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন সময়ে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে ভয়ংকর তথ্য ফাঁস পেয়েছে। এর কেন্দ্রবিন্দুতে আছে রাখাইন রাজ্যে ‘রেয়ার আর্থ মিনারেল’ বা বিরল খনিজ সম্পদ ঘিরে নতুন ভূরাজনৈতিক কৌশল। এর ফলে মিয়ানমার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের আভাস মিলছে, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong><em><span style="color: #0000ff;">নতুন বাধা রাখাইনের “বিরল খনিজ সম্পদ”!</span></em></strong></p>
<p>কক্সবাজার ৭১ ডেস্কঃ<br />
কক্সবাজারের সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন সময়ে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে ভয়ংকর তথ্য ফাঁস পেয়েছে। এর কেন্দ্রবিন্দুতে আছে রাখাইন রাজ্যে ‘রেয়ার আর্থ মিনারেল’ বা বিরল খনিজ সম্পদ ঘিরে নতুন ভূরাজনৈতিক কৌশল।<br />
এর ফলে মিয়ানমার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের আভাস মিলছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে ‘রেয়ার আর্থ মিনারেল’ বা বিরল খনিজ ঘিরে নতুন ভূরাজনৈতিক কৌশল।<br />
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এমন কিছু প্রস্তাব নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিয়ানমার নীতিকে পাল্টে সামরিক জান্তার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথ খুলে দিতে পারে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র মূলত মিয়ানমারের বিরল খনিজ সম্পদকে চীনের একক নিয়ন্ত্রণ থেকে বের করে নিজস্ব সরবরাহ শৃঙ্খলে যুক্ত করার চেষ্টা করছে।<br />
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৩ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। যার মধ্যে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১০ লাখ ৫ হাজার ৫২০ জন। পরিবার রয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ২৭৪টি। আশ্রিতদের মধ্যে ৫২ শতাংশ শিশু, ৪৪ শতাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ৪ শতাংশ বয়স্ক রয়েছে। যার মধ্যে ৪৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৫১ শতাংশ নারী। আর প্রতিবছর ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশু জন্মগ্রহণ করে।<br />
জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মূল ভিত্তি ছিল আন্তর্জাতিক চাপ। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যদি মিয়ানমারকে তাদের ভূরাজনৈতিক স্বার্থের অংশ করে নিতে চায়, তাহলে সে চাপ অস্তিত্বহীন হয়ে পড়তে পারে। এতে বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা কার্যত শূন্যের কোটায় নেমে আসতে পারে বলে শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।<br />
চলমান পরিস্থিতিতে এটা প্রায় নিশ্চিত যে রোহিঙ্গা ইস্যু যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে আর অগ্রাধিকার পাচ্ছে না। এরই মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য নির্ধারিত মানবিক সহায়তায় আর্থিক ঘাটতি, জীবন রক্ষাকারী পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে নতুন করে দেড় লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর আগমন সংকট আরো গভীর করেছে।<br />
এ পরিস্থিতিতে মিয়ানমার জান্তার প্রতি মার্কিন নীতি নমনীয় হলে আন্তর্জাতিক মহলে তাদের বৈধতা প্রশ্নে যে নৈতিক অবস্থান বজায় ছিল, তা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়বে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জান্তা সরকারের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক চাপ হ্রাস পেলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা শুধু ক্ষীণই নয়, প্রায় অবাস্তব হয়ে উঠতে পারে।<br />
সম্প্রতি মিয়ানমারের সামরিক জান্তাঘনিষ্ঠ চার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের চিঠির জবাবে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান ও জান্তা নেতা মিন অং হ্লাইং পাল্টা চিঠি পাঠিয়ে তার নেতৃত্বের প্রশংসা করার পর এমন ঘোষণা আসে।<br />
যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বলেছেন, জান্তাপ্রধানের ওই চিঠির সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে বিশ্লেষকদের মত, এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ট্রাম্পঘনিষ্ঠ কূটনীতির দৃষ্টান্ত।<br />
এরই মধ্যে রয়টার্স বলছে, ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ানমার নীতিতে পরিবর্তন আনতে কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা করেছে। যার উদ্দেশ্য চীনের একচ্ছত্র আধিপত্য ভেঙে মিয়ানমারের বিরল খনিজের নিয়ন্ত্রণ নেয়া। মিয়ানমারের কাচিন রাজ্যে মজুদ বিরল খনিজের বড় অংশ বিদ্রোহী গোষ্ঠী কাচিন ইনডিপেনডেন্স আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।<br />
এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে—সরাসরি জান্তার সঙ্গে আলোচনা করে কাচিন ইনডিপেনডেন্স আর্মির (কেআইএ) সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের চেষ্টা করা। এছাড়া তাদের আরেকটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র জান্তা সরকারকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি কেআইএর সঙ্গে সমঝোতায় যাবে। যদিও এ সম্ভাবনা কম বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।<br />
চীন বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ৯০ শতাংশ বিরল খনিজের প্রসেসিং ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। ফাইটার জেট, ক্ষেপণাস্ত্র, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সেন্সর ও সামরিক যন্ত্রপাতি তৈরিতে এসব খনিজের বিকল্প নেই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র নিজে এমন খনিজ উত্তোলন করতে পারে সীমিত পরিমাণে।<br />
এজন্য তারা অনেকাংশেই চীনের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির কাচিন প্রদেশে অবস্থিত চিপওয়ে-পাংওয়া বেল্টে মজুদ রয়েছে উচ্চমানের বিরল খনিজের বিশাল ভাণ্ডার, যা এতদিন চীন একাই ব্যবহার করে আসছে।<br />
রয়টার্স বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এসব পরিকল্পনা এতদিন গোপন থাকলেও গত ১৭ জুলাই ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অফিসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনায় আসে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সাবেক প্রধান অ্যাডাম কাস্টিলো, যিনি বর্তমানে মিয়ানমারে একটি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।<br />
কাস্টিলো রয়টার্সকে বলেন, ‘চীনের সোনার ডিম পাড়া হাঁস হয়ে থাকা কাচিনের খনিজ সম্পদ নিয়ে এখন কেআইএ নিজেরাই বিরক্ত। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।<br />
’ তবে এটা নিশ্চিত যে মিয়ানমারে নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র। কাচিন অত্যন্ত দুর্গম, পাহাড়ঘেরা এমন একটি অঞ্চল যেখান থেকে খনিজ পণ্য ভারতে নিয়ে যাওয়ার মতো একটি মাত্র রাস্তা রয়েছে।<br />
তাই এ আলোচনায় ভারতকেও অন্তর্ভুক্ত করতে চায় হোয়াইট হাউজ। ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত কোয়াড জোটকেও এক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকায় আনার কথা ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে সেক্ষেত্রে চীনের পক্ষ থেকে জোর বাধা আসতে পারে।<br />
যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ানমার নীতি পরিবর্তনের বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে আসাকে ‘টু আর্লি’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়।<br />
তবে বোঝা যাচ্ছে যে রিপাবলিকান সরকার হয়তো নতুনভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির চিন্তাভাবনা করছে। ডেমোক্রেটিক পার্টি যেভাবে চিন্তা করছিল সেই পথে ট্রাম্প প্রশাসন যাচ্ছে না। তারা হয়তো ব্যবসাটাকে প্রাধান্য দিচ্ছে।<br />
এর প্রভাব কী হবে সেটা বলা মুশকিল। আমাদের সুবিধাও হতে পারে, তবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। যদি ওই ধরনের ব্যবসা হয়, তাহলে সেখানে আমাদেরও দেখা দরকার যে ওটাকে ব্যবহার করে জোট পরিবর্তন করা যায় কিনা। আমাদের উচিত পর্যবেক্ষণ বাড়ানো।’<br />
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিংক ট্যাংক স্টিমসন সেন্টারের এক সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ পরামর্শকরা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের এতদিনের নীতি একদিকে মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছে, অন্যদিকে সেখানে চীনের প্রভাব দিন দিন গভীর হয়েছে<br />
। এটি এশিয়ায় আমেরিকান স্বার্থকেও হুমকির মুখে ফেলছে। এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের সম্ভাব্য কৌশলগত রূপরেখা আগের প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনেকটাই ভিন্ন এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক স্বার্থকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে।<br />
ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য নীতি ‘স্বার্থনির্ভর কাঠামো’ অনুসরণ করা। মানবাধিকার বা গণতান্ত্রিক আদর্শের পরিবর্তে তারা গুরুত্ব দেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভূকৌশলগত ও অর্থনৈতিক অবস্থান সংরক্ষণে। স্টিমসনের বিশ্লেষণ বলছে, ট্রাম্প মিয়ানমারে এমন একটি কৌশল তৈরি করতে চান যাতে তা চীনের রেডলাইন অতিক্রম না করে, আবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থও নিশ্চিত হয়।<br />
সব মিলিয়ে মিয়ানমারের বিরল খনিজে ট্রাম্প প্রশাসনের ভাগ বসানোর কৌশল এবং জান্তাঘনিষ্ঠদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার তাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পথ সুগম করছে। ফলে রোহিঙ্গা ইস্যু আন্তর্জাতিক পরিসরে গুরুত্ব হারাতে পারে। মিয়ানমার সরকার যদি আন্তর্জাতিক চাপমুক্ত হয়, তবে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন বাস্তবায়ন একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়বে।<br />
এ বিষয়ে লেখক ও ভূরাজনীতিবিষয়ক গবেষক আলতাফ পারভেজ বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান মূলত নীতিগত নয়—এটা যতটা না মানবিক, তার চেয়ে অনেক বেশি ভূরাজনৈতিক কৌশলের অংশ। তাদের উদ্দেশ্য বার্মায় (মিয়ানমার) গণতন্ত্র কায়েম করা নয়; বরং তারা সেখানে প্রবেশের সুযোগ খুঁজছে। মিয়ানমারের বিপুল সম্পদ ও কৌশলগত অবস্থান তাদের স্পষ্ট অর্থনৈতিক লক্ষ্যবস্তু।’<br />
মিয়ানমারের আসন্ন নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় দেশগুলো মেনে নিতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা একেবারে অস্বাভাবিক বা অবিশ্বাস্য নয়। বরং নিজেদের স্বার্থেই তারা জান্তাশাসিত নির্বাচনকে বৈধতা দিতে পারে।’<br />
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে আলতাফ পারভেজ বলেন, ‘আমি মনে করি প্রত্যাবাসনের কোনো বাস্তব সম্ভাবনা কখনো তৈরিই হয়নি। এজন্য আরাকান আর্মির সঙ্গে রাজনৈতিক আলোচনার প্রয়োজন ছিল। এমনকি চীনের সঙ্গে এবং কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গেও কৌশলগত সমঝোতা দরকার ছিল। কিন্তু সে পথে না গিয়ে শুধু আন্তর্জাতিক মানবিক চাপের ওপর নির্ভর করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে, যা ফলপ্রসূ হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না।’<br />
দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মূল ভিত্তি ছিল মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় সামনে এনে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যদি মিয়ানমারকে ভূরাজনৈতিক স্বার্থের অংশ করে নেয়, তাহলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা আরো ক্ষীণ হয়ে উঠবে।<br />
তবে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে পরিবর্তন এলেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ওপর তার বড় কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ সাম্প্রতিক বাস্তবতায় রাখাইন অঞ্চলে মিয়ানমার জান্তার কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে তারা কোন দেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক গড়ে তুলছে, তা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় নির্ধারক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম।<br />
এ বিষয়ে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমার মনে হয়নি যে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের কোনো বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। আবার নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা কমে যাবে, সেটাও আমি মনে করি না। এ নিষেধাজ্ঞা বা তা প্রত্যাহার—কোনোটিই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে খুব একটা ভ্যারিয়েবল হিসেবে কাজ করছে বলে আমার মনে হয় না।’<br />
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে মিজানুর রহমান বলেন, ‘রাখাইনের প্রায় ৯০ বা ৯০ শতাংশের বেশি এলাকা আরাকান আর্মির দখলে। যাদের মিয়ানমার সরকার সন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপ হিসেবে চিহ্নিত করে। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা এখন তারাই দখলে রেখেছে। সেখানে রোহিঙ্গারা নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।<br />
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। মনে হচ্ছে তারা সম্ভবত আরাকানকে রোহিঙ্গাশূন্য করে ছাড়বে।’<br />
এরই মধ্যে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা এ শরণার্থী জনগোষ্ঠীর জন্য অর্থ বরাদ্দ কমিয়ে দেয়ায় পরিস্থিতি নাজুক হয়ে উঠেছে। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘ ও সহযোগীদের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ দুই বছরের যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা (জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান) নেয়া হয়।<br />
এ পরিকল্পনার প্রথম বছরের জন্য ৯৩ কোটি ৪৫ লাখ ডলার তহবিল আহ্বান করা হয়, যার মাধ্যমে কক্সবাজার ও ভাসানচরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা এবং উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয় জনগণ মিলে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ উপকারভোগী হবেন। যদিও মার্চ পর্যন্ত পাওয়া গেছে মাত্র ৩৯ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রায় ৫৮ শতাংশ ঘাটতি রয়ে গেছে। এতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাদ্যনিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন, আশ্রয়, সুরক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।<br />
খাদ্যসহায়তা যদি ব্যাহত হয়, তবে ৭৮ শতাংশ শরণার্থী (বিশেষ করে নারী ও শিশু) মারাত্মক অপুষ্টি ও অনাহারের শিকার হবে। স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতে সেবা না থাকলে নারীদের প্রসবকালীন জটিলতায় মৃত্যু বাড়বে এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হবে। বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে এ পরিকল্পনায় নতুন করে আসা দেড় লাখ রোহিঙ্গার আরো ৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার প্রয়োজন।<br />
তাদের মধ্যে রয়েছে ৬৩ হাজার শিশু। অর্থায়ন না হলে তারা আরো বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে। এ অবস্থায় বেশি চাপে পড়ছে বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের অবস্থানের কারণে স্থানীয় বাংলাদেশীরাও নানা সংকটে রয়েছে। এ সংকট আগামী দিনে আরো ঘনীভূত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।<br />
উল্লেখ্য, ১৯৭৭-৭৮ সালে ২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে, যার মধ্যে ১ লাখ ৯০ হাজার মিয়ানমারে ফিরে যায়। এরপর ১৯৯১ সালে ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৭৭ জন অনুপ্রবেশ করে, যার মধ্যে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৯ জন মিয়ানমারে ফিরে যায়। ২০১২ থেকে ১৬ সাল পর্যন্ত ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে। তারপর ২০১৭ সালে ৮ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে। আর ২০২৪ সালে ৬৪ হাজার ৭১৮ জন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে স্থানীয় জনগোষ্ঠী রয়েছে ৫ লাখের কাছাকাছি। কিন্তু তার বিপরীতে রোহিঙ্গার সংখ্যা দ্বিগুণের কাছাকাছি।<br />
সম্প্রতি প্রথম পর্যায়ে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের জন্য শনাক্ত করেছে মিয়ানমার। তাই রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ট্রানজিট সেন্টার। নতুনভাবে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দুটি ট্রানজিট সেন্টার হস্তান্তর হচ্ছে শিগগিরই। টেকনাফ ও ঘুমধুমে আগে থেকেই প্রস্তুত আছে দুটি। আর প্রত্যাবাসনের জন্য সম্মত রোহিঙ্গাদের তালিকা হালনাগাদ করার কথা বলছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ সরকার ২০১৮ সাল থেকে নানা প্রচেষ্টা চালিয়ে এসেছে। কিন্তু নানা ছলচাতুরির মাধ্যমে মিয়ানমার একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত নেয়নি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/07/31/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19722</post-id>	</item>
		<item>
		<title>মায়ানমারে ভারতের ড্রোন হামলায় ৩ নেতা নিহতের দাবি উলফার</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/07/13/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/07/13/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Jul 2025 15:09:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19646</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী রবিবার জানিয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনী মায়ানমারে তাদের ঘাঁটিতে আন্ত সীমান্ত ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে গোষ্ঠীটির তিনজন শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী এ ধরনের কোনো হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে মায়ানমারের সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর জাতিগত, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা সীমান্তের ওপারে মায়ানমারে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<article class="mb-5">ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী রবিবার জানিয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনী মায়ানমারে তাদের ঘাঁটিতে আন্ত সীমান্ত ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে গোষ্ঠীটির তিনজন শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী এ ধরনের কোনো হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে।</p>
<p>ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে মায়ানমারের সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর জাতিগত, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা সীমান্তের ওপারে মায়ানমারে ঘাঁটি স্থাপন করে থাকে।</p>
</article>
<article class="my-5">ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম-ইন্ডিপেনডেন্ট (উলফা-আই) একাধিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মায়ানমারে ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় ড্রোন হামলায় গোষ্ঠীটির একজন শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার নিহত হয়েছেন এবং আরো ১৯ জন আহত হয়েছেন। পরবর্তীতে আরো দুটি হামলায় তাদের আরো দুজন শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার নিহত হন। অনেক সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>উলফা-আই আরো জানিয়েছে, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী আরেকটি গোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ক্যাম্পগুলোকেও টার্গেট করে হামলা চালানো হয়েছে।</p>
</article>
<article class="my-5">তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী উলফা-আইয়ের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গুয়াহাটির প্রতিরক্ষা জনসংযোগ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহেন্দ্র রাওয়াত বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে বলেন, ‘এ ধরনের কোনো অভিযানের বিষয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে কোনো তথ্য নেই।’</p>
<p>উলফা হলো ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর একটি, যারা আসাম রাজ্যের স্বাধীনতা দাবি করে। অন্যদিকে পিএলএ মণিপুর রাজ্যকে ভারতের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার পক্ষে।</p>
</article>
<article class="my-5">উলফা-আই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন পরেশ বড়ুয়া। বর্তমানে গোষ্ঠীটির শীর্ষ পর্যায়ে শুধু অরুণোদয় দোহোতিয়া নামের এক সদস্যই মায়ানমারে সক্রিয় বলে জানা গেছে। মায়ানমারে উলফা-আই ক্যাম্প থেকে পরিচালিত অপর এক শীর্ষ নেতা রূপম অসমকে মে মাসে আসাম পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল।</p>
<p>উলফার একটি অংশ ২০২৩ সালে অস্ত্র সমর্পণ করে এবং ভারত সরকারের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে সই করে। এ ছাড়া গত কয়েক বছরে বিদ্রোহী হামলার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।</p>
</article>
<article class="my-5">তবে বিগত তিন দশকে এই ধরনের সহিংসতায় হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যার বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক।</article>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/07/13/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19646</post-id>	</item>
		<item>
		<title>“ইসরায়েল, বোমা ফেলো না”—ইরান ইস্যুতে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/06/24/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/06/24/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%a8%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 14:52:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19571</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার (২৪ জুন) ইরানে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকতে কড়া ভাষায় সতর্ক করেছেন ইসরায়েলকে। তিনি এটিকে একটি &#8220;মারাত্মক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন&#8221; বলে উল্লেখ করেন। ট্রাম্প Truth Social-এ স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, &#8220;ইসরায়েল, সেই বোমা ফেলো না। যদি ফেল, সেটা হবে বড় ধরনের লঙ্ঘন। এখনই তোমাদের পাইলটদের ঘরে ফিরিয়ে আনো!&#8221; এই মন্তব্য আসে এমন সময়, যখন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="contentDetails">
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার (২৪ জুন) ইরানে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকতে কড়া ভাষায় সতর্ক করেছেন ইসরায়েলকে। তিনি এটিকে একটি &#8220;মারাত্মক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন&#8221; বলে উল্লেখ করেন।<span id="ezoic-pub-ad-placeholder-133" class="ezoic-adpicker-ad" data-ezoic-video-excluded="1"></span></p>
<div class="DContentAdd">
<div class="row mt-3 mb-3">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div class="AdvertClass">
<div id="div-ub-dailyjanakantha.com_1707388633658"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p><strong>ট্রাম্প Truth Social-এ স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, </strong><strong>&#8220;ইসরায়েল, সেই বোমা ফেলো না। যদি ফেল, সেটা হবে বড় ধরনের লঙ্ঘন। এখনই তোমাদের পাইলটদের ঘরে ফিরিয়ে আনো!&#8221;</strong></p>
<p><span id="ezoic-pub-ad-placeholder-153" class="ezoic-adpicker-ad" data-ezoic-video-excluded="1"></span>এই মন্তব্য আসে এমন সময়, যখন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ দাবি করেন—ইরান যুদ্ধবিরতি ভেঙেছে এবং এর জবাবে তেহরানে হামলার নির্দেশ দেন তিনি।</p>
<div class="DContentAdd2">
<div class="row mt-3 mb-3">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div class="AdvertClass DAdDesktop"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>তবে কিছুক্ষণ পরেই ট্রাম্প আরেকটি পোস্টে নিশ্চিত করেন, <strong>&#8220;ইসরায়েল ইরানকে আক্রমণ করছে না। সব বিমান ঘুরে ফিরে যাচ্ছে, এবং ‘Plane Wave’ দিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা জানাচ্ছে ইরানকে। কেউ আঘাতপ্রাপ্ত হবে না, যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে!&#8221;</strong></p>
<div class="DContentAdd3">
<div class="row mt-3 mb-3">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div class="AdvertClass DAdDesktop"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>ট্রাম্প আরও ঘোষণা করেন, ইরান তার পারমাণবিক স্থাপনাগুলো আর কখনো পুনর্নির্মাণ করতে পারবে না—যা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের একযোগে হামলায় ধ্বংস হয়েছে গত কয়েক দিনে।<span id="ezoic-pub-ad-placeholder-142" class="ezoic-adpicker-ad" data-ezoic-video-excluded="1"></span></p>
<p>হোয়াইট হাউজে ন্যাটো সম্মেলনে যোগদানের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, তেহরান ও তেলআবিব—দুই পক্ষই যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। ইসরায়েল সম্পর্কে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমাকে এখন ইসরায়েলকে ঠাণ্ডা করতে হবে।”</p>
<p><strong>কী ঘটেছিল?</strong></p>
<p>ইসরায়েল ১৩ জুন থেকে ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় ধারাবাহিকভাবে হামলা চালায়, দাবি করে—তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে এবং পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।</p>
<p>এরপর যুক্তরাষ্ট্র রোববার সকালবেলায় ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায়—<strong>ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহান</strong>—বোমা হামলা চালায়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, এই হামলায় সাইটগুলো “সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস” হয়ে গেছে।<span id="ezoic-pub-ad-placeholder-141" class="ezoic-adpicker-ad" data-ezoic-video-excluded="1"></span></p>
<p>এর জবাবে ইরান সোমবার রাতে কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল উদেইদ সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায়। তবে এতে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানি হয়নি।</p>
<p>এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির অবসান ঘটে একটি <strong>“১২ দিনের যুদ্ধ”</strong> শেষে, যা যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শেষ হয়।</p>
<p><strong>যুদ্ধবিরতির শর্ত কী ছিল?</strong></p>
<p>প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে বলেন, এটি ধাপে ধাপে কার্যকর হবে।</p>
<ul>
<li>প্রথমে <strong>ইরান যুদ্ধবিরতি শুরু করবে</strong>
<div class="DContentAdd">
<div class="row mt-3 mb-3">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div class="AdvertClass">
<div id="div-ub-dailyjanakantha.com_1707388633658"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</li>
<li><strong>১২ ঘণ্টা পর ইসরায়েল থামবে</strong>
<div class="DContentAdd">
<div class="row mt-3 mb-3">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div class="AdvertClass">
<div id="div-ub-dailyjanakantha.com_1707388633658"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</li>
<li><strong>২৪ ঘণ্টা শেষে</strong> পুরোপুরি সংঘর্ষ বন্ধ হবে
<div class="DContentAdd">
<div class="row mt-3 mb-3">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div class="AdvertClass">
<div id="div-ub-dailyjanakantha.com_1707388633658"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</li>
</ul>
<p>ঘোষণার পর ট্রাম্প লেখেন, <strong>&#8220;যুদ্ধবিরতি এখন কার্যকর। অনুরোধ করছি, কেউ এটি লঙ্ঘন করবেন না!&#8221;</strong></p>
<p><strong>সূত্রঃ আনাদলু</strong></p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/06/24/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%a8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19571</post-id>	</item>
		<item>
		<title>লজ্জা ভুলে ট্রেন্ড! ইরানের টিভি স্টুডিওতে হামলা নিয়ে ইসরায়েলে ব্যঙ্গ, বিশ্বব্যাপী নিন্দা</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/06/19/%e0%a6%b2%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/06/19/%e0%a6%b2%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 14:36:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19528</guid>

					<description><![CDATA[ইরানের রাজধানী তেহরানে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার ভবনে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই হামলার কারণে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কিছু সময়ের জন্য। তবে হামলার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আবার সম্প্রচারে ফিরে আসে চ্যানেলটি। লাইভ সম্প্রচারের সময় উপস্থাপকের ভয়ে ক্যামেরার বাইরে সরে যাওয়ার দৃশ্য বিশ্ব গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে নতুন বিতর্কের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইরানের রাজধানী তেহরানে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার ভবনে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই হামলার কারণে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কিছু সময়ের জন্য। তবে হামলার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আবার সম্প্রচারে ফিরে আসে চ্যানেলটি।</p>
<p>লাইভ সম্প্রচারের সময় উপস্থাপকের ভয়ে ক্যামেরার বাইরে সরে যাওয়ার দৃশ্য বিশ্ব গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দেয় ইসরায়েলে। দেশটির টিকটকে ওই উপস্থাপককে অনুকরণ করে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও বানানোর হিড়িক পড়ে যায়। ওইসব ভিডিওতে উপস্থাপিকার পোশাক ও আতঙ্কিত মুখভঙ্গি নকল করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই ট্রেন্ডকে ‘যুদ্ধাপরাধের নির্লজ্জ উৎসব’ বলে কড়া সমালোচনা করেছেন।</p>
<div id="div-ub-bd-pratidin.com_1706868550746"></div>
<p>ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, “সত্যের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতে ইসরায়েল এই বর্বর হামলা চালিয়েছে।” একাধিক কর্মী নিহত হয়েছেন বলেও ইরান দাবি করেছে। সম্প্রচারের সময় স্টুডিওতে ধ্বংসাবশেষ পড়ে ও কর্মীরা ক্যামেরার বাইরে ছুটে যান— এমন দৃশ্য ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে।</p>
<p>তেহরানের তৃতীয় জেলায় অবস্থিত এই টেলিভিশন ভবনটিকে ইসরায়েল ‘সামরিক যোগাযোগ কেন্দ্র’ বলে দাবি করেছে। হামলার আগে সাধারণ মানুষকে সরানোর জন্য ‘আগাম সতর্কতা’ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেছে তারা। তবে ইরান একে সম্পূর্ণ বেসামরিক স্থাপনায় ‘যুদ্ধাপরাধমূলক হামলা’ বলে অভিহিত করেছে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরায়েলি তরুণদের এই টিকটক ট্রেন্ড ‘লজ্জাজনক ও মানবিক মূল্যবোধ বিসর্জন দেওয়া’ একটি কাজ, যা চলমান যুদ্ধের নৃশংসতাকে আরও উস্কে দিচ্ছে।</p>
<p>এ বিষয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার প্রধান পেমান জেবেলি বলেছেন, “আমরা এবং আমাদের কর্মীরা শেষ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকব।” রক্তমাখা কাগজ হাতে সম্প্রচারে এসে তিনি জানান, “এই হামলা আমাদের চুপ করাতে পারবে না।”</p>
<p>বিশ্বজুড়ে এ ঘটনার নিন্দা জানানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে টার্গেট করা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের সামিল।</p>
<p>সূত্র: <a href="https://www.aljazeera.com/video/newsfeed/2025/6/19/israeli-tik-tok-trend-mocks-bombed-iranian-tv-presenter#flips-6374571637112:0">আলজাজিরা</a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/06/19/%e0%a6%b2%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19528</post-id>	</item>
	</channel>
</rss>
