<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>শিক্ষাঙ্গন &#8211; Cox&#039;s Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর</title>
	<atom:link href="https://dainikcoxsbazarekattor.com/category/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%A8/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com</link>
	<description>Propular News Paper in Cox&#039;s Bazar</description>
	<lastBuildDate>Tue, 30 Dec 2025 14:55:26 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2021/11/Favicon-150x111.gif</url>
	<title>শিক্ষাঙ্গন &#8211; Cox&#039;s Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর</title>
	<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 14:55:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পার্বত্য চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19850</guid>

					<description><![CDATA[কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক: খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে মহীয়সী এক নারী। নীতির প্রশ্নে দৃঢ়তা, গণমানুষের অধিকার আদায়ে আপসহীনতা, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অবিচল, কথাবার্তায় শালীনতাবোধ, মার্জিত আচরণ, অনমনীয়তা এবং বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আত্মত্যাগের সংমিশ্রণে শক্তিশালী রাজনৈতিক চরিত্রের অধিকারী অনন্য নেত্রী তিনি। কর্মগুণে তিনি পরিণত হন বাংলাদেশের মানুষের ভরসাস্থলে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জননন্দিত রাজনৈতিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="desktopDetailBody">
<div>
<p>কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক:</p>
<p>খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে মহীয়সী এক নারী। নীতির প্রশ্নে দৃঢ়তা, গণমানুষের অধিকার আদায়ে আপসহীনতা, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অবিচল, কথাবার্তায় শালীনতাবোধ, মার্জিত আচরণ, অনমনীয়তা এবং বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আত্মত্যাগের সংমিশ্রণে শক্তিশালী রাজনৈতিক চরিত্রের অধিকারী অনন্য নেত্রী তিনি। কর্মগুণে তিনি পরিণত হন বাংলাদেশের মানুষের ভরসাস্থলে।</p>
<p>দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জননন্দিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির অত্যন্ত সফল চেয়ারপারসন। শত ষড়যন্ত্র আর চক্রান্তের মধ্যেও তিনি দলটির জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পেরেছেন। তিনি নিজেও পরিণত হয়েছেন মানুষের আস্থার প্রতীকে।</p>
<p>খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে পাঁচটি করে আসনে প্রার্থী হয়ে সব কয়টি আসনে জয় পান। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবগুলোতেই বিজয়ী হন।</p>
<p>১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট অবিভক্ত ভারতবর্ষের জলপাইগুঁড়ির ছোট্ট শহরে বেগম জিয়ার জন্ম। পৃথিবীতে তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা থেমেছে মাত্র। তখন শরতের স্নিগ্ধ ভোর। নতুন ফুটফুটে শিশু কন্যার আগমনে পরিবারের সবাই আনন্দিত। নাম রাখা হয় ‘শান্তি’। পরে মেঝ বোন সেলিনা ইসলাম পুতুলের মতো শিশুর ডাক নাম রাখেন ‘পুতুল’। জলপাইগুঁড়ি থেকে পরবর্তী পর্যায়ে তার পরিবার দিনাজপুরে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।</p>
<p>১৯৬০ সালে তিনি দিনাজপুর সরকারি স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজে লেখাপড়া করেন। কলেজে পড়ার সময় তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। ১৯৬৫ সালে কলেজে ডিগ্রি কোর্সে অধ্যয়নকালে বেগম খালেদা জিয়া স্বামীর কর্মস্থল পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান।</p>
<p>১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের স্বাধিকারকামী মানুষের ওপর নৃশংসরূপে ঝাঁপিয়ে পড়লে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্টে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এমনি পরিস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামে কিছুদিন আত্মগোপন করে থাকার পর ছোট্ট দুই ছেলেকে নিয়ে ১৬ মে নৌপথে ঢাকায় আসেন। বড় বোন খুরশীদ জাহান হকের বাসায় ২৭ জুন পর্যন্ত দুই সন্তানকে নিয়ে আত্মগোপন করেন তিনি।</p>
<p>২ জুলাই পাকিস্তানি সেনারা দুই ছেলেসহ তাকে বন্দি করে। দীর্ঘদিন গৃহবন্দি থাকার পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে ১৯৮১ সালের ৩১ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কিছু বিপদগামী সেনা সদস্যের হাতে শাহাদতবরণ করেন। ততদিন অবধি সাধারণ আটপৌরে গৃহবধূই ছিলেন তিনি।</p>
<p>শেষ অবধি দলের নেতাকর্মীদের দাবির টানে ঘরের চৌহদ্দি ডিঙ্গিয়ে তাকে নামতে হয় রাজপথে। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। পরের বছরের মার্চে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন তিনি। ১৯৮৪ সালের ১০ মে খালেদা জিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।</p>
<p>জিয়াউর রহমান বীর উত্তম যখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন, তখন বেগম জিয়া ফার্স্ট লেডি হিসেবে তার সঙ্গী হিসেবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং নেদারল্যান্ডের রানী জুলিয়ানাসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করেন।</p>
<p>১৯৮১ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের সবচেয়েব সফল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবরণের পর, তিনি ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি সাধারণ সদস্য হিসাবে বিএনপিতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে দলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলটি তাকে চেয়ারপারসন নির্বাচিত করেন।</p>
<p>১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে বন্দুকের নল উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করলে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বাত্মক আন্দোলনের সূচনা করেন। তিনি এরশাদের স্বৈরশাসন থেকে দেশ পুনরুদ্ধারে ১৯৮৩ সালে গঠিত সাত দলীয় জোট গঠনের স্থপতি ছিলেন। তিনি ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে প্রহসনের নির্বাচনের বিরোধিতা করেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। যদিও আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মতো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা এরশাদের অবৈধ সরকারকে বৈধতা দেয়ার জন্য জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন শাসনের অধীনে নির্বাচনে যোগ দিয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়া এক মুহূর্তের জন্যও স্বৈরাচারের সাথে আপস করেননি। এরশাদ ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য নির্বিচারে ছাত্র হত্যার পথ বেছে নেয়। তিনি এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার দৃঢ় সংকল্পে ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতবার আটক করা হয় তাকে। এসময় দেশের জনগণ তাকে ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধি দেন।</p>
<p>১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বেগম জিয়া। তার প্রধানমন্ত্রীত্বকালে বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদে বেশ কিছু অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। কর্মসংস্থানের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় এই সময় এবং শুধুমাত্র তৈরি পোশাকশিল্প খাতেই পাঁচ বছরে কর্মসংস্থানের বৃদ্ধি ছিল ২৯%। প্রায় দুই লাখ নারী এই সময় তৈরি পোশাকশিল্প খাতে যোগ দেয়।</p>
<p>তিনি জাতিসংঘে গঙ্গার পানি-বণ্টনের সমস্যা উত্থাপন করেন, যাতে বাংলাদেশ গঙ্গার পানির ন্যায্য অংশ পায়। ১৯৯২ সালে তাকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানো হলে সেখানে তিনি রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের সমস্যা উত্থাপন করেন এবং পরে মিয়ানমার সরকার ১৯৯০ দশকের প্রথম দিকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি করে।</p>
<p>আপসহীন সংগ্রাম আর দেশজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে লাখো জনতার সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। সে সময় থেকে ‘দেশনেত্রী’ খালেদা জিয়ার নামের অংশ হয়ে যায়।</p>
<p>১৯৯৬ সালে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর খালেদা জিয়া টানা দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হন, কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং পুনরায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতির কারণে, তিনি এক মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেন। ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনে দেশি ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপিকে হারিয়ে দেয়া হয়। তবে দলটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সংসদে সবচেয়ে বড় বিরোধী দল হিসেবে ১১৬টি আসন পায় সেই নির্বাচনে।</p>
<p>বিএনপি ১৯৯৯ সালে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে চারদলীয় জোট গঠন করে এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলে। বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি ও সন্ত্রাস নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়ী হন। ফোর্বস ম্যাগাজিন নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে তার ভূমিকার জন্য ২০০৫ সালে বিশ্বের সেরা নারী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তাকে ২৯ নম্বরে স্থান দেয়।</p>
<p>২০১১ সালের ২৪ মে নিউ জার্সি স্টেট সিনেটে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘ফাইটার ফর ডেমোক্রেসি’ পদক প্রদান করা হয়।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট সিনেট কর্তৃক কোনো বিদেশিকে এ ধরনের সম্মান প্রদানের ঘটনা এটাই ছিল প্রথম। পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই তাকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ সম্মাননা দেয় কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (সিএইচআরআইও) নামের একটি সংগঠন।</p>
<p>২০০৬ সালে, তিনি একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে, তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্বাসনে পাঠানোর একাধিক প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে দুর্নীতির তুচ্ছ এবং ভিত্তিহীন অভিযোগে স্বৈরাচারী সরকার গ্রেফতার করে।</p>
<p>ক্ষমতায় থাকাকালীন, খালেদা জিয়ার সরকার বাধ্যতামূলক বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা, ছাত্রীদের জন্য একটি শিক্ষা ‘উপবৃত্তি’ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য খাদ্য প্রবর্তন করে শিক্ষা ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি করেছিল। তার সরকার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করে এবং শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করে।</p>
<p>২০০৯ সাল থেকে, যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার নির্বিচারে গুম, খুন, ক্রসফায়ার আর বিনাবিচারে ভিন্নমতের রাজনৈতিক কর্মীদের হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র থেকে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত করে, তখন তিনি গণতন্ত্রের জন্য তার লড়াই নতুন করে শুরু করেছিলেন। সরকার তাকে জোরপূর্বক তার বাড়ি থেকে এক কাপড়ে বের করে দেয় এবং গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন শুরু করায় তাকে দুইবার গৃহবন্দী করা হয়।</p>
<p>জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়াকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০২০ সালের কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্র্যাকটিস প্রতিবেদনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট আন্তর্জাতিক এবং দেশিয় আইন বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে যে, মূলত নির্বাচনি প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য একটি রাজনৈতিক চক্রান্ত হিসেবেই তাকে সাজা দেয়া হয়েছিল। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে তার ‘ন্যায্য বিচারের অধিকারকে সম্মান করা হচ্ছে না।’</p>
<p>বাংলাদেশে বেগম খালেদা জিয়াই একমাত্র নেত্রী, যিনি অন্তত ১১ বার বন্দিদশা মোকাবিলা করে স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষুকে ভ্রুকুটি করে ষড়যন্ত্র ও কুটিলতার জাল ছিন্ন করে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উজ্জ্বল পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছিলেন এবং সফলকাম হয়েছিলেন।</p>
<p>খালেদা জিয়ার ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত আসে ওয়ান ইলেভেনের সময়। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির সেনানিয়ন্ত্রিত সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ জিয়া পরিবারের ওপর নেমে আসে নির্মম নির্যাতনের ভয়াবহতা। খালেদা জিয়াকে বন্দি করে সাব-জেলে নিক্ষেপ করা হয়। দেশত্যাগে বাধ্য করতে তার ওপর নানামুখী চাপ সৃষ্টি করা হয়। তারেক রহমানকে বন্দি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে বন্দি করা হয়। চলে নিপীড়ন। সুস্থ সবল আরাফাত রহমান জেল থেকে বের হন মুমূর্ষু অবস্থায়। এরপর আর একদিনের জন্যও সুস্থ হননি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তারেক রহমান জেলখানা থেকে বের হন ভাঙ্গা মেরুদণ্ড নিয়ে।</p>
<p>২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শুরু হয় খালেদা জিয়া-তারেক রহমান ও বিএনপি বিনাশের নীলনকশা। তারই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার বিতর্কিত আদালত কথিত জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম জিয়াকে কারাবন্দি করেন। সেই থেকে শুরু হয় তার জেলজীবন। জেলে তাকে বিনা চিকিৎসায় জীবননাশের উপক্রম করা হয়। প্রায় দুই বছর পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের সময় পারিবারিক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় মাসের জন্য শর্তসাপেক্ষ মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরপর দফা-দফায় ছয় মাস করে তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ায় সাবেক সরকার। তাকে উন্নত চিকিৎসার কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। চিকিৎসকরাও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশ প্রেরণের সুপারিশ করেন। কিন্তু হাসিনার সরকার সেটি অগ্রাহ্য করে। ২০২৪ সালের আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়। পরদিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশে মুক্তি পান বেগম খালেদা জিয়া।</p>
<p>খালেদা জিয়ার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য স্বৈরাচারী এরশাদ, হাসিনা ও মইনুদ্দিন, ফখরুদ্দীন সরকার এমন কোনো চক্রান্ত নেই যা করেননি। কিন্তু বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অতন্দ্রপ্রহরী বেগম খালেদা জিয়া টানা ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে আছেন।  দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি নিখাত ভালবাসা খালেদা জিয়াকে সবচেয়ে আপন জনে পরিণত করেছে। তিনি সশস্ত্র হুমকিতেও দেশ ছেড়ে যাননি শুধু বাংলাদেশের মানুষের পাশে থাকার জন্য। কর্মগুণে, আন্তরিকতায় ও সততায় হয়ে গেছেন বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্মরণকালের কুখ্যাত স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ শাসনামলে খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল, যে বাড়িতে তার প্রাণপ্রিয় স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া শেষদিন পর্যন্ত জীবনযাপন করেছেন। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে শহীদ মইনুল হোসেন সড়কের বাড়িটি কেবল একটি বাড়ি ছিল না, এটি ছিল ইতিহাসের স্মৃতিময় গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। সেই বাড়ি থেকে যখন তাকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হয়, তখনো খালেদা জিয়া কোনো ধরনের রাজনৈতিক শিষ্টাচারের বাইরে যাননি। এমনকি বাড়ি নিয়ে নজিরবিহীন অপপ্রচারের জবাবও দেননি। খালেদা জিয়া মূলত এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি একজন আদর্শবান মহীয়সী নারী। জাতির অভিভাবকের মতোই তিনি আচরণ করেছেন সব সময়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর খালেদা জিয়া কারাগার থেকে বেরিয়ে চিকিৎসার জন্য গত জানুয়ারিতে যান লন্ডনে, সেখানে ঈদ করেন তার পুত্রের সঙ্গে। যুক্তরাজ্য থেকে তিনি ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে। সেখানেও তিনি কারো ব্যাপারে বিষোদগার করেননি, কোনো রাজনৈতিক বিভক্তির কথা বলেননি, অনৈক্যের কথা বলেননি, ধ্বংসাত্মক কথাবার্তা বলেননি, উসকানিমূলক বক্তব্য দেননি। ঐক্যের কথাই বলেছেন। এটিই একজন আদর্শ কীর্তিমান রাজনীতিবিদের বৈশিষ্ট্য।</p>
<p>একজন রাজনীতিবিদ যে পরিশীলিত ভাষায় কথা বলে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন, তার প্রমাণ বেগম খালেদা জিয়া। এ কারণেই বাংলাদেশের ইতিবাচক রাজনীতিতে এখন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র তিনি। জীবনের ৮০টি বছর পার হলেও এখনো সাধারণ জনগণের মধ্যে এখনো রয়েছে তার বিপুল জনপ্রিয়তা । বিশেষ করে বর্তমান সময় যখন রাজনীতিতে এক পক্ষ অন্য পক্ষের চরিত্র হননের জন্য অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করে, সেই সময় খালেদা জিয়ার মতো সাহসী ও মহীয়সী নারী রাজনীতিবিদ যেন জাতির জন্য এক সূর্যসম আলোকবর্তিকা।</p>
<p>জীবন চলার পথে কীভাবে রাজনীতিবিদদের সাথে কথা বলতে হয়, সমালোচনা করেও কীভাবে পরমতসহিষ্ণুতা দেখানো যায়, সম্মান জানানো যায়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বেগম খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া কখনো প্রতিশোধপ্রবণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করেননি। তিনি এক উদার গণতান্ত্রিক চেতনার ধারক ও বাহক। এ কারণেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেসব অন্যায়-অবিচার করা হয়েছে, সেই অন্যায়-অবিচারগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার তিনি দিয়েছেন দেশের জনগণের ওপর। তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে যেসব কথা বলেছেন সবই জনগণের উদ্দেশ্যে। কিন্তু একটিবারও নিজের কথা বলেননি। তিনি জনগণের কথা বলেছেন। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্বপ্নের কথা বলেছেন। নতুন করে বাংলাদেশ বিনির্মাণের কথা বলেছেন। এটি তার ঐতিহাসিক পরিকল্পনা ও মহত্ত্বের নমুনা। রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও বৈশিষ্ট্য একজন রাজনীতিবিদকে পরিণত করে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে। সেটি খালেদা জিয়া প্রমাণ করেছেন।</p>
<p>একজন প্রতিপক্ষের রাজনীতিবিদকে কী ভাষায় কথা বলতে হবে, ভিন্নমতের ব্যাপারে কী ধরনের ভদ্রতা ও শিষ্টাচার দেখাতে হবে, সম্মান দেখাতে হবে, তা আমাদের রাজনীতি থেকে প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। এ রকম একটি অসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিবেশে এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম বেগম খালেদা জিয়া। তিনি এদেশের রাজনীতিতে বিনয়ের প্রতীক হয়ে উদ্ভাসিত হয়েছেন জনগণের মাঝে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ৬ আগষ্ট তিনি যখন প্রচণ্ড অসুস্থ অবস্থায় মুক্তি পান, এর পর থেকে তার প্রতিটি আচরণ তাকে শ্রদ্ধার আসনে সমাসীন করেছে। দল-মত-নির্বিশেষে সবাই তার দূরদর্শিতা, প্রাজ্ঞ উদারতা, ধৈর্য ও ক্ষমাশীলতায় মুগ্ধ হয়েছেন । নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে সব মানুষের হৃদয় জয় করেছেন তিনি। তার সততা, নিষ্ঠা, পরিমিতিবোধ, আচার-আচরণ এবং সংযতবাক এ দেশের সকল শান্তিকামী মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে তিনি কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন, কিন্তু সেই সমালোচনা কখনো অসভ্যতা, অন্যায় ও শিষ্টাচারবহির্ভূত হয়নি। অশালীন নোংরামির পর্যায়ে যায়নি। তিনি কখনো জাতীয় নেতাদের অসম্মান করে বক্তব্য দেননি। এ ধারাটি তিনি অব্যাহত রেখেছেন সারা জীবনে। রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আদর্শ থেকে এতটুকু বিচ্যুত না হয়েও যে একজন রাজনীতিবিদ শিষ্ঠাচার মেনে চলতে পারেন, বিনয়ী ও ভদ্রোচিত ভাষায় তীব্র থেকে তীব্র্রতর সমালোচনা করতে পারেন, সেই ইতিহাস তিনি সৃষ্টি করে গেছেন।</p>
<p>দুঃখজনক হলেও সত্য যে, শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে সাবেক আওয়ামী লীগের পাতি নেতারাও বেগম জিয়া সম্পর্কে যে কুৎসিত ভাষা প্রয়োগ করেছিলেন, তা প্রকাশ করা তো দূরের কথা, চিন্তা করাও কুরুচির পরিচয় বহন করে। এসব অসভ্য অমার্জনীয় নোংরামির জবাব না দিয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন সকল বিতর্কের উর্ধ্বে। তার প্রতিবাদহীনতাই যেন মানুষের ভালোবাসার মূল উৎস। ফ্যাসিবদী সাবেক সরকারের বিরুদ্ধে তার যেসব কড়া কথা বলা উচিত ছিল, সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ভাষা প্রয়োগ করার কথা ছিল, কিন্তু তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক শিক্ষা তাকে সেই স্বীকৃতি দেয়নি। বরং তিনি তাদের শুধু নীতির সমালোচনা করেছেন, তাদের ভোট চুরির সমালোচনা করেছেন, তাদের অরাজকতা, গুম, হত্যা, খুন, রাহাজানি ও লুণ্ঠনের সমালোচনা করেছেন। কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে অশালীন, কুৎসিত ভাষায় তিনি আক্রমণ করেননি। খালেদা জিয়ার এ ধরনের রাজনৈতিক মহানুভবতা আজকের দিনে ভবিষ্যতে সবার জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে।</p>
<p>গৃহবধূ থেকে সময়ের প্রয়োজনে রাজনীতিতে এসেছেন বেগম খালেদা জিয়া। অথচ রাজনীতির তার চলার পথ মোটেই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। রাজনীতির বাঁকে বাঁকে বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে তিনি এগিয়েছেন। অর্জন করতে পেরেছেন মানুষের আস্থা। কর্মগুনে তিনি মানুষের ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছেন।</p>
<p>আমাদের রাজনীতির আকাশে বেগম খালেদা জিয়া উজ্জ্বলতম নক্ষত্র- লুব্ধক। তার মহাপ্রয়াণে আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রটি খসে পড়লো। খালেদা জিয়ার সততা, নিষ্ঠা, মানবতা, ক্ষমা, শান্তি, সৌহার্দ্য, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের আদর্শ অনুসরণ করতে পারলে মানবিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। সূত্র: যুগান্তর</p>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19850</post-id>	</item>
		<item>
		<title>২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ, কমলো ছুটি</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/28/%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/28/%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 15:56:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19807</guid>

					<description><![CDATA[দেশের সরকারি ও বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন এই তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট সরকারি ছুটি থাকবে ৬৪ দিন, যা গত বছরের তুলনায় ১২ দিন কম। গত ২০২৫ সালে মোট ছুটি ছিল ৭৬ দিন। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">দেশের সরকারি ও বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন এই তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট সরকারি ছুটি থাকবে ৬৪ দিন, যা গত বছরের তুলনায় ১২ দিন কম। গত ২০২৫ সালে মোট ছুটি ছিল ৭৬ দিন।</p>
<p class="alignfull">রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই শিক্ষাবর্ষ কার্যকর থাকবে।</p>
<p class="alignfull">প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পবিত্র রমজান মাসের প্রায় অর্ধেক সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। তবে পবিত্র রমজান, শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, শবে কদর, জুমাতুল বিদা, ঈদুল ফিতর এবং স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৯ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।</p>
<p class="alignfull">পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১২ দিন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ৫ দিন, শীতকালীন অবকাশ ও যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন (বড়দিন) উপলক্ষে ২০ থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ দিন বন্ধ রাখা হবে।</p>
<p class="alignfull">শিক্ষাপঞ্জিতে পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখও নির্ধারণ করে দিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অর্ধ-বার্ষিক/প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা ২৬ জুন থেকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন করে ২৯ জুলাই ফলাফল প্রকাশ করতে হবে।</p>
<p class="alignfull">২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নির্বাচনি পরীক্ষা ২৯ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে ১৮ নভেম্বরে। বার্ষিক পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বরে। আর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ১৫ থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করে ৩০ ডিসেম্বরে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। শিক্ষাবর্ষ হবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।</p>
<p class="alignfull">প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শিক্ষাবর্ষের মোট কর্মদিবস ও পাঠদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এই তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/28/%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19807</post-id>	</item>
		<item>
		<title>অসংক্রামক রোগের সচেতনতা বাড়াতে কক্সবাজার সদরে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালন</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/11/16/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/11/16/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 14:52:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পার্বত্য চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19782</guid>

					<description><![CDATA[বার্তা পরিবেশক:: &#8221; ডায়াবেটিস থামুক, জীবন এগোক&#8221;-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ কক্সবাজার সদর উপজেলায় পালিত হয়েছে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ২০২৫। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে এবং ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচি এর সহযোগিতায় দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দিনটি শুরু হয় সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে, যা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বার্তা পরিবেশক::</p>
<p>&#8221; ডায়াবেটিস থামুক, জীবন এগোক&#8221;-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ কক্সবাজার সদর উপজেলায় পালিত হয়েছে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ২০২৫। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে এবং ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচি এর সহযোগিতায় দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-19783" src="https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-300x224.jpeg" alt="" width="300" height="224" srcset="https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-300x224.jpeg 300w, https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-1024x765.jpeg 1024w, https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-150x112.jpeg 150w, https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-768x574.jpeg 768w, https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC-1536x1148.jpeg 1536w, https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2025/11/Messenger_creation_873B2977-EB74-4472-AD13-C29766D8D6FC.jpeg 1600w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" />দিনটি শুরু হয় সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে, যা সদর উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও স্বল্পমূল্যে ডায়াবেটিস,রক্তচাপ ও চক্ষু পরীক্ষা করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH&amp;FPO) ডা. টিটো চন্দ্র শীল।<br />
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচি কক্সবাজার জেলার এরিয়া ম্যানেজার মো: শাহ্ আলম ভূঁইয়া এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ব্র্যাক কর্মসূচি সংগঠক (স্বাস্থ্য) মো সাখাওয়াত হোছাইন শারেক,</p>
<p>আলোচনা সভায় বক্তারা দেহের যত্ন ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।<br />
ডা. টিটো চন্দ্র শীল বলেন,ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ দুটোই আমাদের নিজের হাতে। নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা—এসবই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। অনেক সময় ডায়াবেটিস কোনো উপসর্গ ছাড়াই শরীরে অগ্রসর হয়, তাই সচেতনতা জরুরি। সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নিলে ডায়াবেটিসের ভয়াবহ জটিলতা যেমন কিডনি, চোখ বা হৃদরোগ—সবই প্রতিরোধ করা সম্ভব।<br />
” এছাড়া ব্র্যাকের এই ধরনের নানান স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ও সামাজিক কার্যক্রমের জন্য ভূয়সী প্রশংসা করেন।</p>
<p>ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচির এরিয়া ম্যানেজার মো. শাহ্ আলম ভূঁইয়া বলেন,অসংক্রামক রোগ যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ও ক্যানসার—নীরবে ছড়িয়ে পড়ছে এবং আমাদের পরিবারের সামনে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। এর বেশিরভাগই প্রতিরোধযোগ্য, যদি আমরা নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রমকে জীবনের অংশ করতে পারি। চিনি, অতিরিক্ত তেল ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো এবং প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়। মানুষ যত সচেতন হবে, অসংক্রামক রোগের ক্ষতি তত কমবে।<br />
“আমরা ৩৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য স্ক্রিনিং পরিচালনা করছি, যেখানে অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে রেফার করা হয়।”</p>
<p>দিবসটি উপলক্ষে স্বল্পমূল্যে ডায়াবেটিস, রক্তচাপ পরিক্ষা, পরামর্শ ও *স্বল্পমূল্যে* চশমা বিতরণ করা হয়।<br />
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক মানুষ এই সেবায় অংশ নেন।<br />
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুধীজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/11/16/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19782</post-id>	</item>
		<item>
		<title>এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষার পরিবর্তিত সূচি প্রকাশ</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/07/23/%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/07/23/%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Jul 2025 13:59:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19653</guid>

					<description><![CDATA[চলমান এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষাগুলোর পরিবর্তিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে স্থগিত প্রতিদিনের পরীক্ষা পৃথক আরেকটি দিনে নেওয়ার সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের মোট চার দিনের স্থগিত পরীক্ষার এ সূচি প্রকাশ করেছে আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে আন্ত শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<article class="mb-5">চলমান এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষাগুলোর পরিবর্তিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে স্থগিত প্রতিদিনের পরীক্ষা পৃথক আরেকটি দিনে নেওয়ার সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>বুধবার (২৩ জুলাই) সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের মোট চার দিনের স্থগিত পরীক্ষার এ সূচি প্রকাশ করেছে আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে আন্ত শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
</article>
<article class="my-5">পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, ২২ জুলাইয়ের পরীক্ষা ১৭ আগস্ট এবং ২৪ জুলাইয়ের পরীক্ষা ১৯ আগস্ট নেওয়া হবে। এ ছাড়া বন্যা পরিস্থিতির কারণে গত ১০ জুলাই কুমিল্লা বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষাগুলো ১২ আগস্ট নেওয়া হবে। অন্যদিকে, গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে ঘটনায় গত ১৭ জুলাই শুধু গোপালগঞ্জ জেলায় স্থগিত হওয়া পরীক্ষা নেওয়া হবে ১৪ আগস্ট।</p>
<p>এদিকে লিখিত পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে যাওয়ায় ব্যাবহারিক পরীক্ষাও পেছানো হয়েছে।</p>
</article>
<article class="my-5">প্রকাশিত সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২১ আগস্ট থেকে ব্যাবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে, যা চলবে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।</article>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/07/23/%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19653</post-id>	</item>
		<item>
		<title>এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা: ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/06/24/%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a7%a7/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/06/24/%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a7%a7/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 14:35:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19568</guid>

					<description><![CDATA[এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার। এ পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে আগামী বুধবার মধ্যরাত থেকে আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়। সম্প্রতি শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার। এ পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে আগামী বুধবার মধ্যরাত থেকে আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।</p>
<div id="div-ub-dainikamadershomoy.com_1707391313564">
<div id="unibots-video"></div>
</div>
<p>আজ মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়। সম্প্রতি শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
<p>তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ২৫ জুন থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁস বা ফাঁস সংক্রান্ত গুজব ও পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের কাছে নকল সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মোবাইল ফোনসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।</p>
<p>এতে বলা হয়, পরীক্ষায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীও দায়িত্ব পালন করবে।</p>
<p>তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে এবং এ সময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী এর পরে প্রবেশ করলে রেজিস্টারে তাদের নাম, রোল, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করে পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করতে হবে। এ ছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কোনো কক্ষে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু হলে, যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে- পরীক্ষার্থীদের ততটুকু সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে ১১ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ফরম পূরণ করেছেন ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন পরীক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ও ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/06/24/%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a7%a7/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19568</post-id>	</item>
		<item>
		<title>টেকনাফের সর্ববৃহৎ রঙ্গিখালী ড. গাজী কামরুল ইসলাম বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিল ৬২২ শিক্ষার্থী</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/01/26/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a6%96/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/01/26/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a6%96/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Jan 2025 06:29:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19187</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিনিধি : টেকনাফের হ্নীলা রঙিখালীতে ড. গাজী কামরুল ইসলাম বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক ও শিক্ষামূলক সর্ববৃহৎ সংগঠন রঙিখালী স্টুডেন্ট ফোরামের গঠনতন্ত্র মোতাবেক টেকনাফ উপজেলার প্রাথমিক পর্যায়ে ৪র্থ শ্রেনী ও সমমান এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে ৭ম শ্রেনী ও সমমান ছাত্র/ছাত্রীদের অংশগ্রহনে শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় ২০২৪ সালের বৃত্তি প্রদানের লক্ষে নির্দিষ্ট কারিকুলামে শান্তিপূর্ন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div dir="auto">নিজস্ব প্রতিনিধি :</div>
<div dir="auto">টেকনাফের হ্নীলা রঙিখালীতে ড. গাজী কামরুল ইসলাম বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক ও শিক্ষামূলক সর্ববৃহৎ সংগঠন রঙিখালী স্টুডেন্ট ফোরামের গঠনতন্ত্র মোতাবেক টেকনাফ উপজেলার প্রাথমিক পর্যায়ে ৪র্থ শ্রেনী ও সমমান এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে ৭ম শ্রেনী ও সমমান ছাত্র/ছাত্রীদের অংশগ্রহনে শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় ২০২৪ সালের বৃত্তি প্রদানের লক্ষে নির্দিষ্ট কারিকুলামে শান্তিপূর্ন পরিবেশে রঙিখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা কেন্দ্রে ১৭ টি কক্ষে বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।</div>
<div dir="auto">পরীক্ষায় ৪র্থ শ্রেনী-স্কুল ১৩৭, মাদ্রাসা ২১৫ জন এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে ৭ম শ্রেনী-স্কুল ১৪৩ ও মাদ্রাসা ১২৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। উপজেলার ৮২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৬২২ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেন।</div>
<div dir="auto">পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাস্টার মোঃ হেলাল উদ্দিন এবং কেন্দ্র সচিব মাস্টার মনছুর আলম জানান, টেকনাফ উপজেলার ৮২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও মাদ্রাসা) থেকে ছাত্র/ছাত্রীরা সুন্দরভাবে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। অত্যান্ত সুন্দর উৎসবমূখর পরিবেশে কোন ঝামেলা ছাড়া পরীক্ষা শেষ করা সম্ভব হয়েছে।</div>
<div dir="auto">রঙিখালী স্টুডেন্ট ফোরাম এর সভাপতি শাখাওয়াত হোছাইন, অর্থ সম্পাদক আবু হানিফ ও সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক বলেন, ২০১৬ সাল থেকে টেকনাফের অন্যতম সামাজিক সংগঠন &#8220;রঙিখালী স্টুডেন্ট ফোরামের&#8221; উদ্যোগে এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। টেকনাফ উপজেলার স্কুল ও মাদ্রাসা উভয় বিভাগ থেকে এইবারে ৮২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪র্থ ও ৭ম শ্রেণি থেকে ৬২২ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। প্রতিবারের ন্যায় এইবারেও স্বাচ্ছন্দ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</div>
<div dir="auto">বৃত্তি পরীক্ষাচলাকালে পরিদর্শনে আসা অতিথিরা বলেন, ছেলে-মেয়েদেরকে সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে, তাদেরকে সত্য কথা বলতে শিখতে হবে। বৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীরা সাহস ও উদ্যোমী হবে সবসময়।</div>
<div dir="auto">পরিদর্শনে আসা অতিথিরা আরো বলেন, এ বৃত্তি দেয়ার উদ্দেশ্য কিছু টাকা দেওয়া না, এর উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উদ্বুদ্ধ করা। সে জন্য অভিভাবকদেরকে শিক্ষার্থীদের প্রতি আরো যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানান। মাদকের ডেরা খ্যাত এ উপজেলায় সব সময়ই শিক্ষা নিয়ে ভাবতে হবে এবং শিক্ষা নিয়ে কাজ করতে হবে, তারই অংশ হিসেবে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে এ বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন দেখে এবং পরিদর্শন করতে পেরে সবাই আনন্দিত, ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৃত্তি পরীক্ষা সফল আয়োজনে সহযোগিতা কারি সংশ্লিষ্ট সকলকে আয়োজক কমিটি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।  কেন্দ্র পরিদর্শন করেন, সাবেক ছাত্রনেতা টেকনাফ উপজেলা জামায়াতের এ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী সরওয়ার কামাল সিকদার, হ্নীলা ইউনিয়ন দক্ষিণ বিএনপির সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক জুহুর আলম, দৈনিক বণিক বার্তা&#8217;র কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি ছৈয়দ আলম, এশিয়ান টিভি ও দৈনিক যুগান্তর এর টেকনাফ প্রতিনিধি নাছির উদ্দিন রাজ, স্টুডেন্ট ফোরামের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন, ৪১ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার হারুনুর রশীদ, এলাকার দুই কৃতি ছাত্র আবু সুফিয়ান ও মোবারক হোসাইন। কেন্দ্রে সার্বিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন, সহকারী পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রভাষক শাহীন সরওয়ার, মাওলানা আতাউল হক বিন মুছা ও ৪০ জন কক্ষ পরিদর্শক।</div>
<div dir="auto">পরিক্ষা কেন্দ্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আগত অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী, মাদ্রাসার শিক্ষকগণ, ফোরামের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীগণ উপস্থিত ছিলেন।</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/01/26/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a6%96/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19187</post-id>	</item>
		<item>
		<title>খুনিয়া পালং এর চিহ্নিত গাছ চুর সিন্ডিকেট কর্তৃক হামলার শিকার সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী আনিস ও শামসুল আলম</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/09/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%82-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/09/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%82-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Dec 2024 13:37:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আরো]]></category>
		<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[তথ্য প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাস থেকে]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞাপন]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তমত]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[লেখালেখি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19013</guid>

					<description><![CDATA[মোহাম্মদ শাহজাহান রামু প্রতিনিধি, গত ৯ই ডিসেম্বর ২৪ই রোজ সোমবার সকাল আনুমানিক ১১.০০ ঘটিকার সময় খুনিয়া পালং মির্জা আলী সওদাগরের দোকান এলাকার একটি করাত মিল থেকে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের রাজারকুল রেঞ্জের আওতাধীন দারিয়ার দীঘি বিটের সামাজিক বনায়ন থেকে চুরি হওয়া গাছের সন্ধান পেয়ে বিট কর্মকর্তা ও উপকার ভোগীদের সমন্বয়ে একটি টীম সতেরো মাথা গাছ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div dir="auto">মোহাম্মদ শাহজাহান রামু প্রতিনিধি,</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">গত ৯ই ডিসেম্বর ২৪ই রোজ সোমবার সকাল আনুমানিক ১১.০০ ঘটিকার সময় খুনিয়া পালং মির্জা আলী সওদাগরের দোকান এলাকার একটি করাত মিল থেকে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের রাজারকুল রেঞ্জের আওতাধীন দারিয়ার দীঘি বিটের সামাজিক বনায়ন থেকে চুরি হওয়া গাছের সন্ধান পেয়ে বিট কর্মকর্তা ও উপকার ভোগীদের সমন্বয়ে একটি টীম সতেরো মাথা গাছ উদ্ধার করেন।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এসময় গাছ চোর সিন্ডিকেটের সদস্য দক্ষিণ খুনিয়া পালং এলাকার হাবিব উল্লাহর পুত্র মোহাম্মদ রশিদ প্রকাশ রোহিঙ্গা রশিদ(৩৫),ও তার ভাই মোহাম্মদ হোছন প্রকাশ মান্নিয়া(৩০),একই এলাকার ছৈয়দ আলমের পুত্র ফোরকান(২৮),উত্তর কম্বুনিয়া এলাকার মৃত আব্দু শুক্কুরের পুত্র আব্দুর রহমান প্রকাশ আব্দুইয়া(২৬) এবং দক্ষিণ খুনিয়া পালং এলাকার শামশুল আলমের পুত্র জাগির হোছন(৩০)সহ অজ্ঞাত ৩/৪জন মিলে সন্ত্রাসী কায়দায় বনবিভাগ ও সামাজিক বনায়নের উপকার ভোগী সদস্যদের ওপর হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এসময় সামাজিক বনায়নের উপকার ভোগী দক্ষিণ খুনিয়া পালং এলাকার বাসিন্দা নুর আহমদ সওদাগরের পুত্র আনিছুর রহমান ও একই এলাকার মৃত অছিয়র রহমানের পুত্র শামসুল আলম আহত হয়।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আহত আনিসুল ইসলাম জানান আমরা জানতে পারি যে গত রাতে আমাদের বাগান থেকে গাছ চোরি হয়েছে তার পর আমরা বিভিন্ন জায়গায় খুঁজাখুঁজি করি পরে এক সুত্রে জানতে পারি যে গাছ গুলো দক্ষিণ খুনিয়া পালং মির্জা আলী সওদাগরের দোকান সংলগ্ন একটি করা মিলে বর্তমানে গাছ গুলো রয়েছে জানার পর বিষয়টি দারিয়ার দীঘি বিটের বিট কর্মকর্তা ইজরাইলকে অবগত করি।তার মায়ের অসুস্থ জনিত কারণে সে ছুটিতে থাকায় আফারেজু বিটের বিট কর্মকর্তা ও খুনিয়া পালং বিটের বিট কর্মকর্তা ও দারিয়ার দীঘি বিটের এক বন রক্ষক জুলহাস ও সামাজিক বনায়নের কয়েকজন উপকার ভোগী সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ গুলো উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।পরে গাছ চোরদের সাথে আমাদের সংঘর্ষ হয় এবং আমি ও আমার চাচা শামসুল আলম আহত হয় আমি এই চোর সিন্ডিকেটের সদস্যদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">দারিয়ার দীঘি বিটের বিট কর্মকর্তা মোঃ ইসরাইল হোসেন জানান আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই ও ঘটনার সাথে জড়িতদের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/09/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%82-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19013</post-id>	</item>
		<item>
		<title>টেকনাফ বসত ঘর হতে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/09/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%a4-%e0%a6%98%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a7%a7-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%b9/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/09/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%a4-%e0%a6%98%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a7%a7-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%b9/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Dec 2024 13:34:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আরো]]></category>
		<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[তথ্য প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাস থেকে]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞাপন]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তমত]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[লেখালেখি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19010</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক কক্সবাজারের টেকনাফে বসতঘরে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) টেকনাফ পৌরসভার কুলাল পাড়ায় অভিযান চালিয়ে ওই ইয়াবাগুলো একটি বসত ঘর হতে উদ্ধার করে। এসময় মাদক কারবারিরা পালিয়ে যাওয়া কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। টেকনাফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) সুত্র জানায়, টেকনাফ বিশেষ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div dir="auto">নিজস্ব প্রতিবেদক</div>
<div dir="auto">কক্সবাজারের টেকনাফে বসতঘরে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।</div>
<div dir="auto">সোমবার (৯ ডিসেম্বর) টেকনাফ পৌরসভার কুলাল পাড়ায় অভিযান চালিয়ে ওই ইয়াবাগুলো একটি বসত ঘর হতে উদ্ধার করে। এসময় মাদক কারবারিরা পালিয়ে যাওয়া কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।</div>
<div dir="auto">টেকনাফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) সুত্র জানায়, টেকনাফ বিশেষ জোনের একটি আভিযানিক দল সহকারী পরিচালক সিফাত তাসনিমের নেতৃত্বে টেকনাফ পৌরসভার কুলাল পাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কুলাল পাড়ার জনৈক মোঃ আলমগীর ৫ কক্ষ বিশিষ্ট বসতঘরের শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি ট্রাভেল ব্যাগের ভিতর স্কচটেপ ও টিস্যু পেপার দ্বারা মোড়ানো পলি প্যাকেটে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার  করা হয়। ঘটনাস্থলে ডিএনসি টিমের উপস্থিতি টের পেয়ে মোঃ আলমগীর (৩৯) পালিয়ে যায়। সে কুলাল পাড়ার মুজাফ্ফর আহমদের পুত্র।  ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় তাকে পলাতক আসামী করে টেকনাফ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মত মামলা  রুজু করা হবে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)র বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক সিফাত তাসনিম।</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/09/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%a4-%e0%a6%98%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a7%a7-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%b9/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19010</post-id>	</item>
		<item>
		<title>সরকারি জমিতে রোহিঙ্গা বাজার, খাস কালেকশনের নামে ভাগবাটোয়ারা</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/09/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/09/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Dec 2024 13:31:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আরো]]></category>
		<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[তথ্য প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাস থেকে]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞাপন]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তমত]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[লেখালেখি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19007</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজার-টেকনাফ প্রধান সড়কের দু&#8217;পাশের সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে রোহিঙ্গা বাজার।উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী মরাগাছতলা এলাকার রোহিঙ্গা বাজারটির খাস কালেকশনের নামে ভাগবাটোয়ারা করছে স্থানীয় বিএনপির কতিপয় স্বঘোষিত সমর্থক&#8217;রা। পর্বে বালুখালী মরাগাছতলা বাজার নামে বেশ জনপ্রিয় থাকলেও এখন রোহিঙ্গা বাজার নামে সর্বত্রে পরিচিত।  যার কারণ এই বাজারের অধিকাংশ দোকানদার রোহিঙ্গা নাগরিক। সরেজমিনে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div dir="auto">নিজস্ব প্রতিবেদক :</div>
<div dir="auto">কক্সবাজার-টেকনাফ প্রধান সড়কের দু&#8217;পাশের সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে রোহিঙ্গা বাজার।উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী মরাগাছতলা এলাকার রোহিঙ্গা বাজারটির খাস কালেকশনের নামে ভাগবাটোয়ারা করছে স্থানীয় বিএনপির কতিপয় স্বঘোষিত সমর্থক&#8217;রা।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">পর্বে বালুখালী মরাগাছতলা বাজার নামে বেশ জনপ্রিয় থাকলেও এখন রোহিঙ্গা বাজার নামে সর্বত্রে পরিচিত।  যার কারণ এই বাজারের অধিকাংশ দোকানদার রোহিঙ্গা নাগরিক।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,উখিয়ার বালুখালী মরাগাছতলা (পূর্বের নাম বালুখালীর ঢালা)সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গা ও সরকারি ১নং খতিয়ানভূক্ত জায়গা দখল করে সেমি পাকা ও টিনের দোকান নির্মাণ করে একটি বাজারে পরিণত করা হয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বাজারের প্রায় রোহিঙ্গা দোকানদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, মূলত স্হানীয় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট বাজারটি নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। আওয়ামী সরকারের আমলে বাজারটি নিয়ন্ত্রণ করতেন স্হানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">পট পরিবর্তনের পরে বাজারটি দখলে নেন বিএনপি সমর্থিত ফোরকান চৌধুরী, আনোয়ার সিকদার, আকবর আহাম্মদ, রহমত উল্লাহ ও হাজী নুরুল হক।এই ৫ জনের নেতৃত্বে তৈরি হয় একটি  বিশাল বাজার নিয়ন্ত্রণ সিন্ডিকেট।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আরও জানা যায়,ফোরকান চৌধুরী ও আনোয়ার সিকদার&#8217;কে নামেমাত্র বাজারের ইজারাদার করে বাজারটি দখলে নিয়েছে আকবর আহাম্মদ, রহমত উল্লাহ ও হাজী নুরুল হক।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এদের নেতৃত্বে বাজারের প্রতিটি দোকান থেকে দৈনিক মোটা অংকের টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। বাজারটি স্হানীয়রা নিয়ন্ত্রণ করলেও প্রায় দোকানদার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বাজারে প্রায় দুইশটির মতো বিভিন্ন আধা পাকা ঘর নির্মাণ করে ও অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। এখানকার কয়েকটি দোকানে দেশীয় পন্য বিক্রি হলেও প্রায় দোকানে  বার্মিজ পন্যে সয়লাব।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী কোন নাগরিক ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান করতে গেলে একটি ট্টেড লাইসেন্স প্রয়োজন। এই লাইসেন্স উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। ট্রেড লাইসেন্স শুধুমাত্র লাইসেন্সধারী ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের নামে প্রদান করা হয় যা কোনোভাবে হস্তান্তরযোগ্য নয়। প্রতিটি ব্যবসার জন্য ভিন্ন ভিন্ন লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক।লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হলেও এই বাজারের অধিকাংশ দোকানদারের ট্রেড লাইসেন্স নেই, যাদের ট্রেড লাইসেন্স আছে তারা রোহিঙ্গাদের মোটা অংকের টাকা নিয়ে সেই লাইসেন্স ভাড়া দিয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী রোহিঙ্গারা কাটা তারের বাইরে আসা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অথচ প্রতিদিন রোহিঙ্গারা কাটাতারের বাইরে এসে বালুখালী মরাগাছ তলা বাজারে দোকানদারি করে রাতে ক্যাম্পে চলে যাচ্ছে। আবার অনেক রোহিঙ্গা সড়কের পাশে বসে তেল,ডাল,চাল, সাবান ও বার্মিজ পন্য বিক্রি করছে।বাজারটি ঘিরে রোহিঙ্গাদের অবাধ বিচরণ,এককথায় বাজারটি রোহিঙ্গা বাজার নামেও পরিচিত।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য মতে, বালুখালী মরাগাছতলা বাজারে যেসব রোহিঙ্গা দোকানদারি করছে তাদের মূল উদ্দেশ্য দোকানদারি নয়। তারা এখানে বসেই স্হানীয় মাদক সিন্ডিকেটের সাথে মিশে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিদিন এই বাজারে বসেই কোটি কোটি টাকার ইয়াবা কারবারের লেনদেন হয়। পট পরিবর্তনের পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তেমন তৎপরতা না থাকায় বাজারটি ঘিরে রোহিঙ্গা ও স্হানীয় মাদক কারবারিদের বিচরণ বেড়ে গেছে।রোহিঙ্গা মাদক কারবারিরা কোন প্রকার বাঁধা ছাড়া ক্যাম্পের বাহিরে আসাকে হুমকি সরূপ দেখছেন স্হানীয় সচেতন মহল।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান,</div>
<div dir="auto">বাজার খাস কালেকশন হলেও দৈনিক প্রতিটি দোকান থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আদায় করেন বিএনপি নেতারা। আদায়কৃত টাকার সিংহভাগ যায় বাজার নিয়ন্ত্রণকারীদের পকেটে। বাজারের অধিকাংশ দোকানদার রোহিঙ্গা,তাদের  কাছ থেকে মোটা অংকের সালামি নিয়ে ভাড়া দেয়া হয়েছে। আবার অনেক স্হানীয় বাসিন্দারা নিজেদের নামে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে  চুক্তির ভিত্তিতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের ভাড়া দিয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এদিকে বালুখালী মরাগাছতলা এলাকায় সরকারি জায়গা দখলেরও হিড়িক পড়েছে। প্রতিনিয়ত সরকারি জমিতে নতুন করে নির্মাণ করা হচ্ছে দোকান ও ঘরবাড়ি। স্হানীয় দখলবাজরা সরকারি জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণ করে রোহিঙ্গাদের মোটা অংকের টাকা নিয়ে ভাড়া দেয়। আবার অনেক দখলবাজ ঘর নির্মাণ করে রোহিঙ্গাদের বিক্রি করে দেয়।বাজারের পূর্বপাশে যেসব ঘর বাড়ি রয়েছে অধিকাংশ ঘরে রোহিঙ্গাদের বসবাস।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এবিষয়ে জানার জন্য বাজার নিয়ন্ত্রণ সিন্ডিকেটের অন্যতম আনোয়ার সিকদারের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">উখিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)  যারিন তাসনিম তাসিন বলেন, এবিষয়ে আমি অবগত নয়। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/09/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19007</post-id>	</item>
		<item>
		<title>সরকারী ভূমিতে মারমেইড বীচ রিসোর্টের অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মান অব্যাহত</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/06/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/06/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a7%80/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Dec 2024 06:13:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আরো]]></category>
		<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[তথ্য প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাস থেকে]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞাপন]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তমত]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[লেখালেখি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=18967</guid>

					<description><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদক: পর্যটন স্পট কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ লাগোয়া রেজুখাল সংলগ্ন রামু পেচাঁরদ্বীপ এলাকায় সরকারী ভূমিতে মারমেইড বীচ রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মান কাজ অব্যাহত রেখেছে। কিছুদিন আগে উপজেলা প্রশাসন কয়েকটি স্থাপনা গুড়িয়ে দিলেও বুধবার থেকে অজ্ঞাত কারণে আবারও পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। জানা যায়, ঝাউবিথী কেটে বালুচর দখল, সৈকত দ্বিখণ্ডিত নতুন করে কাঠের সেতু [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিবেদক:</p>
<p>পর্যটন স্পট কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ লাগোয়া রেজুখাল সংলগ্ন রামু পেচাঁরদ্বীপ এলাকায় সরকারী ভূমিতে মারমেইড বীচ রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মান কাজ অব্যাহত রেখেছে। কিছুদিন আগে উপজেলা প্রশাসন কয়েকটি স্থাপনা গুড়িয়ে দিলেও বুধবার থেকে অজ্ঞাত কারণে আবারও পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।<br />
জানা যায়, ঝাউবিথী কেটে বালুচর দখল, সৈকত দ্বিখণ্ডিত নতুন করে কাঠের সেতু নির্মাণ এবং ফের বালুচরে থার্টি ফাস্ট নাইটের অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে মারমেইড বীচ রিসোর্ট মালিক আনিসুল হক চৌধুরী প্রকাশ এলিয়েন সোহাগ। অনেকে বলাবলি করছে সরকার বদল হলেও মোটা অঙ্কের ঘুষ লেনদেন ঠিকই রয়ে গেছে। সরকারী খাস খতিয়ানের সাড়ে ৬ একর ভুমিতে এধরনের অবৈধ দখলদারিত্বের কাজ অব্যাহত রাখলেও জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগ রহস্যজনক নিরবতা পালন করছে।<br />
পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগ দুটি নামমাত্র মামলা করে অনেকটা নিশ্চুপ রয়েছে। বুধবার জেলা প্রশাসন সম্মেলনকক্ষে পরিবেশ রক্ষা ও ইসিএ এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ বন্ধকল্পে অনুষ্টিত এক সভায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কক্সবাজার জেলা কমিটির সভাপতি এইচএম এরশাদ সরকারী এই বিশাল সম্পদ দখল ও বিপুল পরিমাণ ঝাউ গাছ কাটার বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গত ১৫-১৬ বছর ধরে এধরনে পরিবেশ ও রাষ্ট্র বিরোধী কাজ অব্যাহত রেখেছে মারমেইড বীচ রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ।এসময় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা সহ সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।<br />
থার্টি ফাস্ট নাইট পালন ডিজে ও মদের পার্টির বিশেষ জোন ॥ কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে মারমেইড বিচ রিসোর্টে’র বিরুদ্ধে সমুদ্র সৈকত দখলের অভিযোগ নতুন নয়। থার্টি ফাস্ট নাইট পালনে ডিজে ও মদের পার্টির জন্য বিশেষ জোন তৈরি করেছে ঝাউবিথীর বাগানে। সেখানে ঝাউগাছ কাটা হয়েছে তিন শতাধিক। যার নাম দেয়া হয়েছে ‘ফুল মুন বিচ পার্টি’। সমুদ্র সৈকত রক্ষায় কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগ কতৃক রোপণ করা শতশত ঝাউবিথী উপড়ে ফেলা হয়েছে। যার ফলে পরিবেশের পাশাপাশি ক্ষতিরমূখে পড়ছে দেশের একমাত্র মেরিনড্রাইভ সড়ক। এছাড়াও, অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ সরকারের সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আইসিটি মন্ত্রী জুনায়েদ আহমদ পলক, শেখ পরিবারের এক নাতিসহ একাধিক মন্ত্রী-প্রভাবশালী নেতার বলয় দেখিয়ে একের পর এক সৈকতের বালিয়াড়ি দখল করেছেন মারমেইড রিসোর্টটির মালিক আনিসুল হক চৌধুরী সোহাগ। নিজেকে শেখ পরিবারের একজন দাবী করা সোহাগ একের পর এক দখল চালিয়ে গেলেও গেল ১৫-১৬ বছর অদৃশ্য কারণে প্রশাসনের কেউ সেদিকে নজর দেননি। জানা গেছে, ২০১০ সালের ২২ জুলাই কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তৎকালিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: রফিকুল ইসলাম অবৈধ দখলদার হিসেবে মাটমেইড ক্যাফে নামক কটেজ রেস্টুরেন্ট ও আবাসিক নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করায় জমির অবৈধ দখল ছেড়ে দিতে ও অবৈধ স্থাপনা সরানোর জন্য নোটিশ দেন। তিনি (সোহাগ) পেঁচারদ্বীপ মৌজার বিএস ১নং খাস খতিয়ানের বিএস ১২১৪ দাগের আন্দর ৫.৩০ একর জমিতে এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেন। এরআগে সহকারী কমিশনার (ভূমি), রামু গত ০১/১২/২০০৯ খ্রিঃ ও ০৭/১২/২০০৯ খ্রিঃ তারিখে তাকে দুই দফা নোটিশ দিলেও তার কোন কারণ দর্শানোর জবাব না দিয়ে অবৈধ দখলের মাধ্যমে ব্যবসা চালু রাখে। উক্ত অবৈধ দখলীয় জমি হতে উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে ওই সময়ে উচ্ছেদ মামলা নং-০২/১০-১১ রুজু করা হয়। উক্ত উচ্ছেদ মামলায় উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানোর জন্য ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। অবৈধ দখলীয় জমি হতে আপনাকে কেন উচ্ছেদ করা হবেনা জানতে চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে অবৈধ দখল ছেড়ে না দিলে এবং অবৈধ স্থাপনা সরানো না হলে ঐদিন বিধিমতে উচ্ছেদ কার্যক্রম সম্পাদন করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। তবে প্রশাসনের ইচ্ছে থাকলেও আওয়ামী লীগ নেতাদের চাপের মুখে উচ্ছেদ করতে পারেনি। এভাবে ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি প্রশাসনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বহমান খালের উপর অবৈধ একটি সেতু নির্মান করেছে। যে সেতুর উপর দিয়ে যেতে হবে সেই বিশেষ ডিজে ও মদের জোনে। পর্যটনের দোহায় দিয়ে পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকান্ড চললেও সবাই অদৃশ্য কারণে চুপছিল।<br />
সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্ট গণঅদ্ভ্যুথানের পর শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলে কিছু দিনের জন্য গা ঢাকা দেয় এই মারমেইড সোহাগ। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ওইসব জমি উদ্ধারে উদ্যোগ নেয় জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মো. সালাহ উদ্দিনের নির্দেশে ২১ নভেম্বর দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬ একর সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হয়। রামু উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজ্জাদ জাহিদ রাতুলের নেতৃত্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হয়। সৈকত দ্বিখণ্ডিত করে নির্মিত কাঠের সেতু ভেঙ্গে দেয়া হয়।<br />
অভিযানে বালুচরে গড়ে তোলা অন্তত ৩০টি অবৈধ কটেজ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সৈকতে ঝাউবিথী কেটে স্থাপনা নির্মানের ঘটনায় বনবিভাগ বাদী হয়ে মারমেইড বীচ রিসোর্ট কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করেছে। এছাড়া পরিবেশের ক্ষতি করায় পরিবেশ অধিদপ্তরও একটি মামলা দায়ের করেছে।<br />
ভেঙ্গে দেয়া কাঠের সেতু পূন:স্থাপন ॥ সরেজমিনে ‘মারমেইড বীচ রিসোর্টে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানে ভেঙে দেয়া কাঠের সেতুর পাশে নতুন করে আরও একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যটক বা স্থানীয়রা নির্মিত সেতু দিয়ে সেখানে প্রবেশ করতে চাইলে বাধা দেয়া হয়। নতুন ভাবে নির্মিত সেতু পেরিয়ে দেখা গেছে, আবারও শত শত ঝাউবিথী কেটে তৈরি করা হয়েছে নাচ-গানের মঞ্চ, কফি সপ’, বা ‘মদের বার সাদৃশ্য বিশেষ জোন। সৈকতে ঝাউবিথী কেটে নতুন ভাবে অবকাঠামো তৈরি করেছে মারমেইড বিচ রিসোর্ট। মারমেইড বীচ রিসোর্টের কয়েকজন কর্মচারী জানিয়েছেন, সৈকত দখল করে গড়ে তোলা ঝাউবিথীর ভিতর থার্টি ফাস্ট নাইটের অনুষ্ঠান আয়োজনে প্রস্ততি চলছে। প্রতিজন ৩৫০০ টাকা হারে টিকেটও বিক্রি করা হচ্ছে। আর প্রতি মাসে একটি বিশেষ ‘ডিজে পার্টি’ হয় সেখানে। সাড়ে তিন হাজার টাকায় জনপ্রতি ফি’ নেয়া হয়। টিকেটধারীই শুধু সেখানে যেতে পারে। ‘বিশেষ ডিজে’ পার্টিতে ‘কি কি থাকে বা খাবার কি থাকে’ জানতে চাইলে কর্মচারীরা বলেন, তেমন কিছু না, শুধু বিদেশী বিয়ার ও মদ থাকে আর নারীদের দিয়ে নাচ-গান। রামু ভুমি অফিসের একজন কর্মকর্তা জানান, মূলত মারমেইড বিচ রিসোর্টটি পড়েছে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে উন্মুক্ত প্রবাহমান খালের উপর মারমেইড বিচ কর্তৃপক্ষ দুটি সেতুটি নির্মাণ করে। মারমেইড বিচ কর্তৃপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ার কারণে কোন কিছুই তোয়াক্কা করছে না। তারা সম্প্রতি রাতের আঁধারে সেতুটি নির্মাণ করে চলছে অবৈধভাবে। কারণ সরকারী নিয়ম মতে চলমান খালের উপর সেতু নির্মাণ করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হয়। এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনকে অভিযোগ আকারে জানালে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ এসে বিষয়টি দেখে চলে যায়। শুনেছি প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই মারমেইড বিচ কর্তৃপক্ষ সেতুটি খালের উপর দৃশ্যমান রেখেছে এবং সরকারী প্রায় সাড়ে ৬ একর জমি দখল করেছে।<br />
মারমেইডেচ অধিকাংশই খাসজমি ও সৈকতের বেলাভূমি ॥ গত ২৮ নভেম্বর রামু ধেছুয়াপালং ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্তৃক স্মারকনং-ইউঃভূ:অ/ধেচুয়াপালং/২০২৪-৫৬৪ মুলে জেলা প্রশাসক বরাবর দাখিলকৃত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মারমেইড বিচ রিসোর্টের বিশাল এলাকার অধিকাংশই খাসজমি ও সৈকতের বেলাভূমি। অল্প সংখ্যক জমি কিনে পাশের খাস জমি ও সৈকতের বালিয়াড়ির জমির মধ্যেই গড়ে উঠেছে মারমেইড বিচ রিসোর্ট। তিনটি দাগের ৬ একর ৭০ শতক সরকারী জমি দখল, চরভরাট ও শ্রেণী পরিবর্তন করে ৭৮ লাখ ২৫ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে।<br />
সরকার পতন হলেও মারমেইড সোহাগের দখবাজি থেমে নেই ॥ সরকার পতন হলেও মারমেইড সোহাগের দখবাজি যেন থেমে নেই। আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে এবং কমিশন দিয়ে সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ির বিশাল এলাকা দখলে রেখে গলাকাটা বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল মারমেইড বিচ কর্তৃপক্ষ। সরকার পতন হলেও মারমেইড সোহাগের দখবাজি থেমে নেই। বালিয়াড়ি, পাথরময় জোয়ার-ভাটা অঞ্চল, উপকুলীয় জলাভূমী ও কোরালসহ সামূদ্রিক দ্বীপ রক্ষায় কক্সবাজারের সৈকত এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল এ সংক্রান্ত গেজেটও প্রকাশ করে। এ নির্দেশনা মতে, ১২০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকত, সৈকতের ঝাউ গাছসমৃদ্ধ ৩০০ মিটারে যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ ও উন্নয়ন নিষিদ্ধ ও ৫০০ মিটার সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি মারমেইড বিচ রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ সেই আদেশ অমান্য করে সবকিছুই তৈরি করেছেন।<br />
উচ্চ আদালতের নির্দেশ-নো ডেভেলপমেন্ট জোন ॥ ২০১৭ সালে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) করা এক রিটের বিপরীতে ‘ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ফর কক্সবাজার টাউন অ্যান্ড সি আপ টু টেকনাফ’ মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী জোয়ার ভাটার মধ্যবর্তী লাইন থেকে প্রথম ৩০০ মিটার ‘নো ডেভেলপমেন্ট জোন’ উল্লেখ করে এ এলাকায় কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না বলে নির্দেশনা দেন উচ্চ আদালত। এর সঙ্গে যুক্ত হয় কউকের মাস্টারপ্ল্যান। এ প্ল্যান বাস্তবায়নে কউক সমুদ্র সৈকতের ৩০০ মিটারে কোন স্থাপনা নির্মাণ থেকে বিরত থাকতে প্রচার চালানো হয়। রহস্যজনক কারণে উচ্চ আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন না হওয়া দু:খজনক বলে মনে করেন পরিবেশবাদীরা। যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে ইসিএ এলাকায় সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করা না হয় পরিবেশগত বড় হুমকিতে পড়বে পর্যটন নগরী কক্সবাজার। তাই এখনি সময় দখলদাররা যতই প্রভাবশালী হোক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার।<br />
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন হিমছড়ি টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, রাতের আধারে যারা ঝাউবিথী কেটেছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা দায়ের করেছি। আবারও ঝাউগাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছি। মারমেইড কর্তৃপক্ষ সেখানে অবকাটামো তৈরি করেছে, সেবিষয়ে উপজেলা প্রশাসন দেখবেন। এটি আমাদের দায়িত্ব না। গাছ কাটার ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মারমেইড বিচ রিসোর্টের মালিক আনিসুল হক চৌধুরী সোহাগের মুঠোফােনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তার জবাব দেননি তিনি। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, সরকারি জমি হোক আর ব্যক্তিগত জমি, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ নেই। খাস বা সৈকতের বালিয়াড়ির জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। একবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। আবার দখল করলে আবারও চলবে অভিযান। সুত্র: জনকণ্ঠ</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2024/12/06/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">18967</post-id>	</item>
	</channel>
</rss>
