<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>সারাদেশ &#8211; Cox&#039;s Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর</title>
	<atom:link href="https://dainikcoxsbazarekattor.com/category/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com</link>
	<description>Propular News Paper in Cox&#039;s Bazar</description>
	<lastBuildDate>Sun, 11 Jan 2026 17:14:49 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.1</generator>

<image>
	<url>https://dainikcoxsbazarekattor.com/wp-content/uploads/2021/11/Favicon-150x111.gif</url>
	<title>সারাদেশ &#8211; Cox&#039;s Bazar Ekattor | দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর</title>
	<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>হজযাত্রীদের নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/11/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/11/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%ae/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 17:14:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19875</guid>

					<description><![CDATA[কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক: চলতি বছরের পবিত্র হজের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই চূড়ান্ত তারিখ জানানো হয়েছে। তবে এবারের যাত্রায় হজযাত্রী ও এজেন্সিগুলোর জন্য বেশ কিছু নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। ২৫ জানুয়ারির মধ্যে যে ১১ ধরনের স্বাস্থ্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক:</p>
<p>চলতি বছরের পবিত্র হজের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই চূড়ান্ত তারিখ জানানো হয়েছে। তবে এবারের যাত্রায় হজযাত্রী ও এজেন্সিগুলোর জন্য বেশ কিছু নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।</p>
<p>২৫ জানুয়ারির মধ্যে যে ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা লাগবে হজযাত্রীদের মন্ত্রণালয়ের গাইডলাইন অনুযায়ী, হিজরি ১৪৪৭ সালের হজে কোনো এজেন্সি চাইলেই সব হজযাত্রীকে একবারে পাঠাতে পারবে না। প্রতিটি এজেন্সিকে তাদের মোট যাত্রীর অন্তত ২০ শতাংশ পাঠাতে হবে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে। এছাড়া প্রথম ও শেষ পর্যায়ের ফ্লাইটে টিকিট ইস্যুর হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সীমার কম বা বেশি টিকিট ইস্যু করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে মন্ত্রণালয়।</p>
<p>সৌদি সরকারের নিয়ম মেনে এবার একই সার্ভিস কোম্পানির আওতাভুক্ত হজযাত্রীদের একই ফ্লাইটে পাঠানোও বাধ্যতামূলক। মূলত জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দরে চাপ সামলাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ সংশ্লিষ্ট তিনটি সংস্থাকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/11/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19875</post-id>	</item>
		<item>
		<title>শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতে পেকুয়ায় আসছেন তারেক রহমান</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a6-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a6-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 14:37:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19873</guid>

					<description><![CDATA[মোবারক উদ্দিন নয়ন, কক্সবাজার ৭১:: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করতে আগামী ১৮ জানুয়ারি’২৬ কক্সবাজারের পেকুয়া সফরে আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো এ সংক্রান্ত কোনো ঘোষণা না আসলেও জেলা ও উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মোবারক উদ্দিন নয়ন, কক্সবাজার ৭১::</strong></p>
<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করতে আগামী ১৮ জানুয়ারি’২৬ কক্সবাজারের পেকুয়া সফরে আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।</p>
<p>তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো এ সংক্রান্ত কোনো ঘোষণা না আসলেও জেলা ও উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন কক্সবাজারের জুলাই যোদ্ধা শাহিদুল ওয়াহিদ শাহেদ নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ’সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসের ১৮ তারিখ পেকুয়ায় আসবেন দেশনায়ক তারেক রহমান।’</p>
<p>এদিকে আগামী ১১ জানুয়ারি ১৯ বছর পর বগুড়ায় যাচ্ছেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র, পরদিন ১২ জানুয়ারি রংপুরে তাঁর শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করার কথা রয়েছে।</p>
<p>গত ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে তারেক রহমান ঢাকায় আসেন, যেদিন তাকে রাজধানীর তিনশ ফিটে অভ্যর্থনা জানায় লাখো মানুষ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a6-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19873</post-id>	</item>
		<item>
		<title>রহস্য উদঘাটন: ইয়াবার লেনদেনের জেরে হোয়াইক্যংয়ের সৈয়দ মিয়া হত্যাকান্ড,গ্রেফতার ২</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%a8-%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%a8-%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 14:33:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19870</guid>

					<description><![CDATA[হোয়াইক্যংয়ের চাঞ্চল্যকর সৈয়দ মিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মামলার ২ আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। ৩ জানুয়ারী টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সৈয়দ মিয়া হত্যা মামলার আসামী আরফাত (২২)কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করলে সে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নিজের দোষ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>হোয়াইক্যংয়ের চাঞ্চল্যকর সৈয়দ মিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মামলার ২ আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।</p>
<p>৩ জানুয়ারী টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সৈয়দ মিয়া হত্যা মামলার আসামী আরফাত (২২)কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করলে সে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নিজের দোষ স্বীকারসহ হত্যাকান্ডে জড়িত মোঃ ইসমাইল (২৯) সহ অন্যান্য আসামীদের নাম প্রকাশ করে।</p>
<p>আরফাতের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৪ জানুয়ারী হোয়াইক্যং থেকে মোঃ ইসমাইল (২৯) কে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৫ জানুয়ারী আদালতে প্রেরণ করলে সে লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।</p>
<p>জবানবন্দিতে দেয়া তথ্যে জানা যায়, নিহত সৈয়দ মিয়ার সঙ্গে মামলার আসামী নিশানের ইয়াবার লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। তার জের ধরে ৫ ডিসেম্বর রাত সাড়ে দশটার দিকে নিশান, আরফাত, তারেক,ইসমাইলসহ কয়েকজন মিলে নোহা গাড়ীযোগে কক্সবাজার শহর থেকে পালংখালী নিশানের বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে সৈয়দ মিয়াকে মুখে কস্টেপ পেচিয়ে হাত-পা বেধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। মৃত্যুর পর পালংখালী থেকে হোয়াইক্যংয়ের চাকমারকুল খালের পাড়ে জোবায়েরের জমির পাশে গর্ত খুঁড়ে মাটি চাপা দেয়।</p>
<p>জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস জানান,এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরেছে এবং প্রকৃত অপরাধীরা সনাক্ত হয়েছে। ২ আসামী গ্রেফতার হয়েছে। বাকী আসামীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%a8-%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19870</post-id>	</item>
		<item>
		<title>সেন্টমার্টিনকে আগের অবস্থায় ফেরানোই পাঁচ মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্য: পরিবেশ উপদেষ্টা</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 14:29:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19863</guid>

					<description><![CDATA[সেন্টমার্টিন দ্বীপকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনাই প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, পানি সম্পদ ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, পর্যটনের নামে অনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কার্যক্রমই দ্বীপের পরিবেশ ধ্বংসের প্রধান কারণ। মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সেন্টমার্টিন দ্বীপের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন উপদেষ্টা। সেন্টমার্টিনকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ) [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সেন্টমার্টিন দ্বীপকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনাই প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, পানি সম্পদ ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, পর্যটনের নামে অনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কার্যক্রমই দ্বীপের পরিবেশ ধ্বংসের প্রধান কারণ।</p>
<p>মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সেন্টমার্টিন দ্বীপের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।</p>
<p>সেন্টমার্টিনকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণার কথা উল্লেখ করে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে এ ধরনের সংবেদনশীল দ্বীপে রাতযাপন নিষিদ্ধ। ট্যুরিজম আর সেন্টমার্টিন এক বিষয় নয়। লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে তার স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনা।</p>
<p>তিনি জানান, সেন্টমার্টিন রক্ষায় প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যান ধাপে ধাপে বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে। তবে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া এই উদ্যোগ সফল হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>উপদেষ্টা বলেন, পর্যটন হতে হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠী কেন্দ্রিক। বহিরাগত নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কার্যক্রমই দ্বীপের পরিবেশ বিপর্যয়ের মূল কারণ।</p>
<p>দ্বীপবাসীর বিকল্প কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। মাস্টারপ্ল্যানে প্রথম অগ্রাধিকার পাবে সংরক্ষণ আর অর্থনীতি ও পর্যটন আসবে পরে।</p>
<p>সেন্টমার্টিন বারবিকিউ বা লাউডস্পিকারের জায়গা নয় উল্লেখ করে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, এটি প্রকৃতির কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি এলাকা। স্থানীয়দের ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা গড়ে তুললে সেটিই হবে হোটেল ও রিসোর্ট নির্ভরতার টেকসই বিকল্প।</p>
<p>তিনি আরও জানান, দ্বীপের ভাঙন, সংরক্ষণ ও কর্মসংস্থানের বিষয়গুলো সরকারিভাবেই নিয়মিত নজরদারিতে রয়েছে।</p>
<p>সেন্টমার্টিনের সামাজিক ও পরিবেশগত পরিস্থিতি তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, দ্বীপে কোনো কুকুর অনাহারে নেই বা অপুষ্টিতে ভুগছে—এমন তথ্য সঠিক নয়। বরং দ্বীপের প্রকৃতি ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।</p>
<p>সরকারের এই অবস্থানের মাধ্যমে সেন্টমার্টিনকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ও পরিবেশবান্ধবভাবে সংরক্ষণের বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>সূত্র: সমকাল</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>5</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19863</post-id>	</item>
		<item>
		<title>দুদকের হাতে ‘ধরা খাওয়া’ উখিয়ার সাব-রেজিস্ট্রার বহাল! অনিয়মে জন-ভোগান্তি</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 14:21:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19860</guid>

					<description><![CDATA[কক্সবাজারের উখিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবাকে কেন্দ্র করে বছরের পর বছর ধরে যে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের অভিযোগ ঘুরে ফিরে আসছে, তা এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি এক ধরনের ‘ওপেন সিক্রেট’। প্রশ্ন উঠছে – অভিযোগের পাহাড়, দুদকের সরেজমিন অভিযান এবং ভুক্তভোগীদের আর্তনাদের পরও কেন কার্যকর পরিবর্তন আসেনি? [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কক্সবাজারের উখিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবাকে কেন্দ্র করে বছরের পর বছর ধরে যে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের অভিযোগ ঘুরে ফিরে আসছে, তা এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি এক ধরনের ‘ওপেন সিক্রেট’।<br />
প্রশ্ন উঠছে – অভিযোগের পাহাড়, দুদকের সরেজমিন অভিযান এবং ভুক্তভোগীদের আর্তনাদের পরও কেন কার্যকর পরিবর্তন আসেনি?<br />
সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসটি সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকলেও সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের প্রবেশ সহজ নয়। ‘বিনা অনুমতিতে প্রবেশ নিষেধ’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে কার্যত দালালনির্ভর ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। অনেকেই জানান, দালাল ছাড়া ফাইল এগোয় না, আর ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না।<br />
উখিয়া সদর এলাকার এক ভুক্তভোগী বলেন, “সরকারি ফি জমা দিয়েও আমাকে কয়েকদিন ঘুরতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বলা হলো—‘ম্যানেজ’ না করলে দলিল নামবে না।”<br />
স্থানীয় দলিল লেখক ও একাধিক সূত্রের দাবি, অফিস সহকারী বেবী রাণী দে পুরো অনিয়মের কেন্দ্রে রয়েছেন এছাড়াও তার সঙ্গে মোহরার সৃদুল দাশ ও রবিউল্লাহ রবির নামও বারবার উঠে এসেছে।<br />
অভিযোগ রয়েছে, তাদের ঘিরেই একটি শক্ত সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যারা অফিসের প্রতিটি ধাপ নিয়ন্ত্রণ করে।<br />
জমি নিবন্ধনের সময় সরকারি ফি’র বাইরে জমির ঘোষিত মূল্যের প্রায় ০.৫ শতাংশ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয় বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। অর্থাৎ এক কোটি টাকার জমি নিবন্ধনে দিতে হয় প্রায় ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত অর্থ।<br />
জানা গেছে, এই অর্থ সরাসরি নেওয়া হয় না এবং দলিল লেখকদের মাধ্যমেই আদায় করা হয় যাতে করে লেনদেন আড়ালে থাকে।<br />
গত বছরের ১৬ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জেলা কার্যালয়ের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম উখিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালায়।<br />
অভিযানে অতিরিক্ত ফি আদায়, সেবা দিতে গড়িমসি এবং অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।<br />
অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,’দুদক আসার খবর আগেই পেয়ে যান সাব-রেজিস্ট্রার। সেদিন অস্বাভাবিকভাবে তিনি সকালেই অফিসে আসেন। অফিসের ভেতরের নগদ সাড়ে ৩ লাখ টাকা দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয়।’<br />
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক গোলসান আনোয়ার অভিযানের দিন গণমাধ্যমকে জানান, ‘ ছদ্মবেশে অভিযানে দলিলের খরচ, পদ্ধতি ও খরচ সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হয়। উপস্থিত সেবা গ্রহীতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রহীতাদের হয়রানি এবং অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়ের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যায়।’<br />
দুদকের অভিযানের পরও দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না হওয়ায় প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা—এই অভিযান কি শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ ছিল?<br />
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে পতিত সরকার আমল থেকে সাব-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের দীর্ঘদিন ধরে বহাল তবিয়তে থাকার বিষয়ে । স্থানীয়রা জানান, একাধিকবার অভিযোগ ওঠা সত্ত্বেও তিনি বছরের পর বছর একই অফিসে বহাল রয়েছেন।<br />
ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন— ‘যদি অফিসে অনিয়ম না থাকে, তাহলে বারবার অভিযোগ আসে কেন? আর যদি অভিযোগের সত্যতা না থাকে, তাহলে দুদক অভিযান চালাল কেন?’<br />
একজন প্রবীণ দলিল লেখক বলেন, ‘ এখানে যে সিন্ডিকেট চলে, তা একদিনে তৈরি হয়নি। দীর্ঘদিন একই কর্মকর্তা থাকলে এমন কাঠামো গড়ে ওঠাই স্বাভাবিক।’<br />
ঘুষ আদায়ের পাশাপাশি আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে—জমির শ্রেণি পরিবর্তন, প্রকৃত বাজারমূল্যের চেয়ে কম দাম দেখিয়ে দলিল নিবন্ধন এবং এর মাধ্যমে সরকারকে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এতে অফিসের একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।<br />
স্থানীয় ব্যবসায়ী নুরুল আমিন বলেন , ‘সরকার বদলেছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ের চিত্র বদলায়নি। যদি এখনই ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে আস্থা আরও ভেঙে পড়বে।’<br />
অফিস সহকারী বেবী রাণী দে ও মোহরার সৃদুল দাশের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রবিউল্লাহ রবি বলেন, ‘আমি এসব বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’<br />
সাব-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মোরশেদ আলম বলেন, ‘অফিসে প্রবেশে কোনো বাধা নেই। সবকিছু সিসিটিভির আওতায়। অবৈধ লেনদেনের সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’<br />
স্থানীয়দের অভিমত, কেবল অভিযান নয়—প্রয়োজন প্রশাসনিক জবাবদিহি। একজন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন একই জায়গায় বহাল থাকলে সেখানে অনিয়মের ঝুঁকি বাড়ে। তারা দ্রুত স্বাধীন তদন্তের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বদলি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2026/01/06/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>4</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19860</post-id>	</item>
		<item>
		<title>থার্টি ফার্স্ট নাইট:জেলা পুলিশের কঠোর বিধি-নিষেধ</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 15:02:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19856</guid>

					<description><![CDATA[মোবারক উদ্দিন নয়ন: থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে কক্সবাজার জেলায় সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত রাখতে একাধিক বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব বিধি-নিষেধ মেনে চলার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, থার্টি ফার্স্ট নাইট [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মোবারক উদ্দিন নয়ন:</p>
<p>থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে কক্সবাজার জেলায় সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত রাখতে একাধিক বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।</p>
<p>বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব বিধি-নিষেধ মেনে চলার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।</p>
<p>প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে কক্সবাজার শহর এলাকাসহ সমুদ্র সৈকতে আতশবাজি, পটকা ও ফানুস ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে আতশবাজি ও ফটকা বিক্রি ও বিপণন কেন্দ্র বন্ধ রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এছাড়া থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে কক্সবাজার জেলার উন্মুক্ত স্থান ও রাস্তায় প্রকাশ্যে কোনো ধরনের কনসার্ট, নাচ কিংবা গানের অনুষ্ঠান আয়োজন না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জেলার সকল বার ও মদের দোকানে মদ ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>প্রেস রিলিজে আরও উল্লেখ করা হয়, থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, অপপ্রচার ও উস্কানিমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো, নাশকতা, সহিংসতা কিংবা বোমা হামলাসহ যেকোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।</p>
<p>এছাড়া উচ্চ শব্দে গাড়ির হর্ণ বাজানো, প্রতিযোগিতা, জয় রাইড এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে আগত নারী পর্যটকদের কোনো ধরনের ইভটিজিং বা উত্ত্যক্ত না করার বিষয়েও কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।</p>
<p>আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হোটেল ও মোটেলসমূহে ইনডোরে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলে সে বিষয়ে এবং আগত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তথ্য ডিএসবি (ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ)কে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>প্রেস রিলিজটি প্রেরণ করেন কক্সবাজার জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস।</p>
<p>জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে থার্টি ফার্স্ট নাইট শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে উদযাপনে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>4</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19856</post-id>	</item>
		<item>
		<title>খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 14:55:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পার্বত্য চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19850</guid>

					<description><![CDATA[কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক: খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে মহীয়সী এক নারী। নীতির প্রশ্নে দৃঢ়তা, গণমানুষের অধিকার আদায়ে আপসহীনতা, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অবিচল, কথাবার্তায় শালীনতাবোধ, মার্জিত আচরণ, অনমনীয়তা এবং বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আত্মত্যাগের সংমিশ্রণে শক্তিশালী রাজনৈতিক চরিত্রের অধিকারী অনন্য নেত্রী তিনি। কর্মগুণে তিনি পরিণত হন বাংলাদেশের মানুষের ভরসাস্থলে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জননন্দিত রাজনৈতিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="desktopDetailBody">
<div>
<p>কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক:</p>
<p>খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে মহীয়সী এক নারী। নীতির প্রশ্নে দৃঢ়তা, গণমানুষের অধিকার আদায়ে আপসহীনতা, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অবিচল, কথাবার্তায় শালীনতাবোধ, মার্জিত আচরণ, অনমনীয়তা এবং বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আত্মত্যাগের সংমিশ্রণে শক্তিশালী রাজনৈতিক চরিত্রের অধিকারী অনন্য নেত্রী তিনি। কর্মগুণে তিনি পরিণত হন বাংলাদেশের মানুষের ভরসাস্থলে।</p>
<p>দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জননন্দিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির অত্যন্ত সফল চেয়ারপারসন। শত ষড়যন্ত্র আর চক্রান্তের মধ্যেও তিনি দলটির জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পেরেছেন। তিনি নিজেও পরিণত হয়েছেন মানুষের আস্থার প্রতীকে।</p>
<p>খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে পাঁচটি করে আসনে প্রার্থী হয়ে সব কয়টি আসনে জয় পান। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবগুলোতেই বিজয়ী হন।</p>
<p>১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট অবিভক্ত ভারতবর্ষের জলপাইগুঁড়ির ছোট্ট শহরে বেগম জিয়ার জন্ম। পৃথিবীতে তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা থেমেছে মাত্র। তখন শরতের স্নিগ্ধ ভোর। নতুন ফুটফুটে শিশু কন্যার আগমনে পরিবারের সবাই আনন্দিত। নাম রাখা হয় ‘শান্তি’। পরে মেঝ বোন সেলিনা ইসলাম পুতুলের মতো শিশুর ডাক নাম রাখেন ‘পুতুল’। জলপাইগুঁড়ি থেকে পরবর্তী পর্যায়ে তার পরিবার দিনাজপুরে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।</p>
<p>১৯৬০ সালে তিনি দিনাজপুর সরকারি স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজে লেখাপড়া করেন। কলেজে পড়ার সময় তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। ১৯৬৫ সালে কলেজে ডিগ্রি কোর্সে অধ্যয়নকালে বেগম খালেদা জিয়া স্বামীর কর্মস্থল পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান।</p>
<p>১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের স্বাধিকারকামী মানুষের ওপর নৃশংসরূপে ঝাঁপিয়ে পড়লে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্টে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এমনি পরিস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামে কিছুদিন আত্মগোপন করে থাকার পর ছোট্ট দুই ছেলেকে নিয়ে ১৬ মে নৌপথে ঢাকায় আসেন। বড় বোন খুরশীদ জাহান হকের বাসায় ২৭ জুন পর্যন্ত দুই সন্তানকে নিয়ে আত্মগোপন করেন তিনি।</p>
<p>২ জুলাই পাকিস্তানি সেনারা দুই ছেলেসহ তাকে বন্দি করে। দীর্ঘদিন গৃহবন্দি থাকার পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে ১৯৮১ সালের ৩১ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কিছু বিপদগামী সেনা সদস্যের হাতে শাহাদতবরণ করেন। ততদিন অবধি সাধারণ আটপৌরে গৃহবধূই ছিলেন তিনি।</p>
<p>শেষ অবধি দলের নেতাকর্মীদের দাবির টানে ঘরের চৌহদ্দি ডিঙ্গিয়ে তাকে নামতে হয় রাজপথে। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। পরের বছরের মার্চে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন তিনি। ১৯৮৪ সালের ১০ মে খালেদা জিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।</p>
<p>জিয়াউর রহমান বীর উত্তম যখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন, তখন বেগম জিয়া ফার্স্ট লেডি হিসেবে তার সঙ্গী হিসেবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং নেদারল্যান্ডের রানী জুলিয়ানাসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করেন।</p>
<p>১৯৮১ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের সবচেয়েব সফল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবরণের পর, তিনি ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি সাধারণ সদস্য হিসাবে বিএনপিতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে দলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলটি তাকে চেয়ারপারসন নির্বাচিত করেন।</p>
<p>১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে বন্দুকের নল উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করলে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বাত্মক আন্দোলনের সূচনা করেন। তিনি এরশাদের স্বৈরশাসন থেকে দেশ পুনরুদ্ধারে ১৯৮৩ সালে গঠিত সাত দলীয় জোট গঠনের স্থপতি ছিলেন। তিনি ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে প্রহসনের নির্বাচনের বিরোধিতা করেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। যদিও আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মতো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা এরশাদের অবৈধ সরকারকে বৈধতা দেয়ার জন্য জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন শাসনের অধীনে নির্বাচনে যোগ দিয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়া এক মুহূর্তের জন্যও স্বৈরাচারের সাথে আপস করেননি। এরশাদ ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য নির্বিচারে ছাত্র হত্যার পথ বেছে নেয়। তিনি এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার দৃঢ় সংকল্পে ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতবার আটক করা হয় তাকে। এসময় দেশের জনগণ তাকে ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধি দেন।</p>
<p>১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বেগম জিয়া। তার প্রধানমন্ত্রীত্বকালে বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদে বেশ কিছু অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। কর্মসংস্থানের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় এই সময় এবং শুধুমাত্র তৈরি পোশাকশিল্প খাতেই পাঁচ বছরে কর্মসংস্থানের বৃদ্ধি ছিল ২৯%। প্রায় দুই লাখ নারী এই সময় তৈরি পোশাকশিল্প খাতে যোগ দেয়।</p>
<p>তিনি জাতিসংঘে গঙ্গার পানি-বণ্টনের সমস্যা উত্থাপন করেন, যাতে বাংলাদেশ গঙ্গার পানির ন্যায্য অংশ পায়। ১৯৯২ সালে তাকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানো হলে সেখানে তিনি রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের সমস্যা উত্থাপন করেন এবং পরে মিয়ানমার সরকার ১৯৯০ দশকের প্রথম দিকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি করে।</p>
<p>আপসহীন সংগ্রাম আর দেশজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে লাখো জনতার সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। সে সময় থেকে ‘দেশনেত্রী’ খালেদা জিয়ার নামের অংশ হয়ে যায়।</p>
<p>১৯৯৬ সালে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর খালেদা জিয়া টানা দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হন, কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং পুনরায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতির কারণে, তিনি এক মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেন। ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনে দেশি ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপিকে হারিয়ে দেয়া হয়। তবে দলটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সংসদে সবচেয়ে বড় বিরোধী দল হিসেবে ১১৬টি আসন পায় সেই নির্বাচনে।</p>
<p>বিএনপি ১৯৯৯ সালে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে চারদলীয় জোট গঠন করে এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলে। বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি ও সন্ত্রাস নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়ী হন। ফোর্বস ম্যাগাজিন নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে তার ভূমিকার জন্য ২০০৫ সালে বিশ্বের সেরা নারী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তাকে ২৯ নম্বরে স্থান দেয়।</p>
<p>২০১১ সালের ২৪ মে নিউ জার্সি স্টেট সিনেটে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘ফাইটার ফর ডেমোক্রেসি’ পদক প্রদান করা হয়।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট সিনেট কর্তৃক কোনো বিদেশিকে এ ধরনের সম্মান প্রদানের ঘটনা এটাই ছিল প্রথম। পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই তাকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ সম্মাননা দেয় কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (সিএইচআরআইও) নামের একটি সংগঠন।</p>
<p>২০০৬ সালে, তিনি একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে, তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্বাসনে পাঠানোর একাধিক প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে দুর্নীতির তুচ্ছ এবং ভিত্তিহীন অভিযোগে স্বৈরাচারী সরকার গ্রেফতার করে।</p>
<p>ক্ষমতায় থাকাকালীন, খালেদা জিয়ার সরকার বাধ্যতামূলক বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা, ছাত্রীদের জন্য একটি শিক্ষা ‘উপবৃত্তি’ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য খাদ্য প্রবর্তন করে শিক্ষা ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি করেছিল। তার সরকার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করে এবং শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করে।</p>
<p>২০০৯ সাল থেকে, যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার নির্বিচারে গুম, খুন, ক্রসফায়ার আর বিনাবিচারে ভিন্নমতের রাজনৈতিক কর্মীদের হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র থেকে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত করে, তখন তিনি গণতন্ত্রের জন্য তার লড়াই নতুন করে শুরু করেছিলেন। সরকার তাকে জোরপূর্বক তার বাড়ি থেকে এক কাপড়ে বের করে দেয় এবং গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন শুরু করায় তাকে দুইবার গৃহবন্দী করা হয়।</p>
<p>জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়াকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০২০ সালের কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্র্যাকটিস প্রতিবেদনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট আন্তর্জাতিক এবং দেশিয় আইন বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে যে, মূলত নির্বাচনি প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য একটি রাজনৈতিক চক্রান্ত হিসেবেই তাকে সাজা দেয়া হয়েছিল। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে তার ‘ন্যায্য বিচারের অধিকারকে সম্মান করা হচ্ছে না।’</p>
<p>বাংলাদেশে বেগম খালেদা জিয়াই একমাত্র নেত্রী, যিনি অন্তত ১১ বার বন্দিদশা মোকাবিলা করে স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষুকে ভ্রুকুটি করে ষড়যন্ত্র ও কুটিলতার জাল ছিন্ন করে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উজ্জ্বল পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছিলেন এবং সফলকাম হয়েছিলেন।</p>
<p>খালেদা জিয়ার ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত আসে ওয়ান ইলেভেনের সময়। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির সেনানিয়ন্ত্রিত সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ জিয়া পরিবারের ওপর নেমে আসে নির্মম নির্যাতনের ভয়াবহতা। খালেদা জিয়াকে বন্দি করে সাব-জেলে নিক্ষেপ করা হয়। দেশত্যাগে বাধ্য করতে তার ওপর নানামুখী চাপ সৃষ্টি করা হয়। তারেক রহমানকে বন্দি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে বন্দি করা হয়। চলে নিপীড়ন। সুস্থ সবল আরাফাত রহমান জেল থেকে বের হন মুমূর্ষু অবস্থায়। এরপর আর একদিনের জন্যও সুস্থ হননি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তারেক রহমান জেলখানা থেকে বের হন ভাঙ্গা মেরুদণ্ড নিয়ে।</p>
<p>২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শুরু হয় খালেদা জিয়া-তারেক রহমান ও বিএনপি বিনাশের নীলনকশা। তারই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার বিতর্কিত আদালত কথিত জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম জিয়াকে কারাবন্দি করেন। সেই থেকে শুরু হয় তার জেলজীবন। জেলে তাকে বিনা চিকিৎসায় জীবননাশের উপক্রম করা হয়। প্রায় দুই বছর পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের সময় পারিবারিক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় মাসের জন্য শর্তসাপেক্ষ মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরপর দফা-দফায় ছয় মাস করে তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ায় সাবেক সরকার। তাকে উন্নত চিকিৎসার কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। চিকিৎসকরাও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশ প্রেরণের সুপারিশ করেন। কিন্তু হাসিনার সরকার সেটি অগ্রাহ্য করে। ২০২৪ সালের আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়। পরদিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশে মুক্তি পান বেগম খালেদা জিয়া।</p>
<p>খালেদা জিয়ার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য স্বৈরাচারী এরশাদ, হাসিনা ও মইনুদ্দিন, ফখরুদ্দীন সরকার এমন কোনো চক্রান্ত নেই যা করেননি। কিন্তু বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অতন্দ্রপ্রহরী বেগম খালেদা জিয়া টানা ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে আছেন।  দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি নিখাত ভালবাসা খালেদা জিয়াকে সবচেয়ে আপন জনে পরিণত করেছে। তিনি সশস্ত্র হুমকিতেও দেশ ছেড়ে যাননি শুধু বাংলাদেশের মানুষের পাশে থাকার জন্য। কর্মগুণে, আন্তরিকতায় ও সততায় হয়ে গেছেন বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্মরণকালের কুখ্যাত স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ শাসনামলে খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল, যে বাড়িতে তার প্রাণপ্রিয় স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া শেষদিন পর্যন্ত জীবনযাপন করেছেন। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে শহীদ মইনুল হোসেন সড়কের বাড়িটি কেবল একটি বাড়ি ছিল না, এটি ছিল ইতিহাসের স্মৃতিময় গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। সেই বাড়ি থেকে যখন তাকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হয়, তখনো খালেদা জিয়া কোনো ধরনের রাজনৈতিক শিষ্টাচারের বাইরে যাননি। এমনকি বাড়ি নিয়ে নজিরবিহীন অপপ্রচারের জবাবও দেননি। খালেদা জিয়া মূলত এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি একজন আদর্শবান মহীয়সী নারী। জাতির অভিভাবকের মতোই তিনি আচরণ করেছেন সব সময়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর খালেদা জিয়া কারাগার থেকে বেরিয়ে চিকিৎসার জন্য গত জানুয়ারিতে যান লন্ডনে, সেখানে ঈদ করেন তার পুত্রের সঙ্গে। যুক্তরাজ্য থেকে তিনি ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে। সেখানেও তিনি কারো ব্যাপারে বিষোদগার করেননি, কোনো রাজনৈতিক বিভক্তির কথা বলেননি, অনৈক্যের কথা বলেননি, ধ্বংসাত্মক কথাবার্তা বলেননি, উসকানিমূলক বক্তব্য দেননি। ঐক্যের কথাই বলেছেন। এটিই একজন আদর্শ কীর্তিমান রাজনীতিবিদের বৈশিষ্ট্য।</p>
<p>একজন রাজনীতিবিদ যে পরিশীলিত ভাষায় কথা বলে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন, তার প্রমাণ বেগম খালেদা জিয়া। এ কারণেই বাংলাদেশের ইতিবাচক রাজনীতিতে এখন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র তিনি। জীবনের ৮০টি বছর পার হলেও এখনো সাধারণ জনগণের মধ্যে এখনো রয়েছে তার বিপুল জনপ্রিয়তা । বিশেষ করে বর্তমান সময় যখন রাজনীতিতে এক পক্ষ অন্য পক্ষের চরিত্র হননের জন্য অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করে, সেই সময় খালেদা জিয়ার মতো সাহসী ও মহীয়সী নারী রাজনীতিবিদ যেন জাতির জন্য এক সূর্যসম আলোকবর্তিকা।</p>
<p>জীবন চলার পথে কীভাবে রাজনীতিবিদদের সাথে কথা বলতে হয়, সমালোচনা করেও কীভাবে পরমতসহিষ্ণুতা দেখানো যায়, সম্মান জানানো যায়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বেগম খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া কখনো প্রতিশোধপ্রবণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করেননি। তিনি এক উদার গণতান্ত্রিক চেতনার ধারক ও বাহক। এ কারণেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেসব অন্যায়-অবিচার করা হয়েছে, সেই অন্যায়-অবিচারগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার তিনি দিয়েছেন দেশের জনগণের ওপর। তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে যেসব কথা বলেছেন সবই জনগণের উদ্দেশ্যে। কিন্তু একটিবারও নিজের কথা বলেননি। তিনি জনগণের কথা বলেছেন। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্বপ্নের কথা বলেছেন। নতুন করে বাংলাদেশ বিনির্মাণের কথা বলেছেন। এটি তার ঐতিহাসিক পরিকল্পনা ও মহত্ত্বের নমুনা। রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও বৈশিষ্ট্য একজন রাজনীতিবিদকে পরিণত করে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে। সেটি খালেদা জিয়া প্রমাণ করেছেন।</p>
<p>একজন প্রতিপক্ষের রাজনীতিবিদকে কী ভাষায় কথা বলতে হবে, ভিন্নমতের ব্যাপারে কী ধরনের ভদ্রতা ও শিষ্টাচার দেখাতে হবে, সম্মান দেখাতে হবে, তা আমাদের রাজনীতি থেকে প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। এ রকম একটি অসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিবেশে এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম বেগম খালেদা জিয়া। তিনি এদেশের রাজনীতিতে বিনয়ের প্রতীক হয়ে উদ্ভাসিত হয়েছেন জনগণের মাঝে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ৬ আগষ্ট তিনি যখন প্রচণ্ড অসুস্থ অবস্থায় মুক্তি পান, এর পর থেকে তার প্রতিটি আচরণ তাকে শ্রদ্ধার আসনে সমাসীন করেছে। দল-মত-নির্বিশেষে সবাই তার দূরদর্শিতা, প্রাজ্ঞ উদারতা, ধৈর্য ও ক্ষমাশীলতায় মুগ্ধ হয়েছেন । নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে সব মানুষের হৃদয় জয় করেছেন তিনি। তার সততা, নিষ্ঠা, পরিমিতিবোধ, আচার-আচরণ এবং সংযতবাক এ দেশের সকল শান্তিকামী মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে তিনি কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন, কিন্তু সেই সমালোচনা কখনো অসভ্যতা, অন্যায় ও শিষ্টাচারবহির্ভূত হয়নি। অশালীন নোংরামির পর্যায়ে যায়নি। তিনি কখনো জাতীয় নেতাদের অসম্মান করে বক্তব্য দেননি। এ ধারাটি তিনি অব্যাহত রেখেছেন সারা জীবনে। রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আদর্শ থেকে এতটুকু বিচ্যুত না হয়েও যে একজন রাজনীতিবিদ শিষ্ঠাচার মেনে চলতে পারেন, বিনয়ী ও ভদ্রোচিত ভাষায় তীব্র থেকে তীব্র্রতর সমালোচনা করতে পারেন, সেই ইতিহাস তিনি সৃষ্টি করে গেছেন।</p>
<p>দুঃখজনক হলেও সত্য যে, শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে সাবেক আওয়ামী লীগের পাতি নেতারাও বেগম জিয়া সম্পর্কে যে কুৎসিত ভাষা প্রয়োগ করেছিলেন, তা প্রকাশ করা তো দূরের কথা, চিন্তা করাও কুরুচির পরিচয় বহন করে। এসব অসভ্য অমার্জনীয় নোংরামির জবাব না দিয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন সকল বিতর্কের উর্ধ্বে। তার প্রতিবাদহীনতাই যেন মানুষের ভালোবাসার মূল উৎস। ফ্যাসিবদী সাবেক সরকারের বিরুদ্ধে তার যেসব কড়া কথা বলা উচিত ছিল, সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ভাষা প্রয়োগ করার কথা ছিল, কিন্তু তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক শিক্ষা তাকে সেই স্বীকৃতি দেয়নি। বরং তিনি তাদের শুধু নীতির সমালোচনা করেছেন, তাদের ভোট চুরির সমালোচনা করেছেন, তাদের অরাজকতা, গুম, হত্যা, খুন, রাহাজানি ও লুণ্ঠনের সমালোচনা করেছেন। কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে অশালীন, কুৎসিত ভাষায় তিনি আক্রমণ করেননি। খালেদা জিয়ার এ ধরনের রাজনৈতিক মহানুভবতা আজকের দিনে ভবিষ্যতে সবার জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে।</p>
<p>গৃহবধূ থেকে সময়ের প্রয়োজনে রাজনীতিতে এসেছেন বেগম খালেদা জিয়া। অথচ রাজনীতির তার চলার পথ মোটেই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। রাজনীতির বাঁকে বাঁকে বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে তিনি এগিয়েছেন। অর্জন করতে পেরেছেন মানুষের আস্থা। কর্মগুনে তিনি মানুষের ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছেন।</p>
<p>আমাদের রাজনীতির আকাশে বেগম খালেদা জিয়া উজ্জ্বলতম নক্ষত্র- লুব্ধক। তার মহাপ্রয়াণে আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রটি খসে পড়লো। খালেদা জিয়ার সততা, নিষ্ঠা, মানবতা, ক্ষমা, শান্তি, সৌহার্দ্য, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের আদর্শ অনুসরণ করতে পারলে মানবিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। সূত্র: যুগান্তর</p>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19850</post-id>	</item>
		<item>
		<title>রুমিন ফারহানাসহ বিএনপির ৯ নেতা বহিষ্কার</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 14:53:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19846</guid>

					<description><![CDATA[কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক: দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য রুমিন ফারহানসহ ৯ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক:</p>
<p class="pf0"><span class="cf0">দলীয়</span> <span class="cf0">সিদ্ধান্ত</span> <span class="cf0">অমান্য</span><span class="cf0"> করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য রুমিন ফারহানসহ ৯ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।</span></p>
<p class="pf0"><span class="cf0">মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।</span></p>
<p class="pf0"><span class="cf0">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহ আলম, হাসান মামুন, আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19846</post-id>	</item>
		<item>
		<title>খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার, দাফন করা হবে স্বামীর কবরের পাশে</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a7/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a7/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 14:52:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সব]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19843</guid>

					<description><![CDATA[কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা আগামীকাল বুধবার বাদ জোহর জাতীয় সংসদ ভবন মাঠ ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। তাকে তার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করা হবে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক বার্তায় অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="desktopDetailBody">
<div>
<p>কক্সবাজার ৭১ ডেস্ক:</p>
<p>বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা আগামীকাল বুধবার বাদ জোহর জাতীয় সংসদ ভবন মাঠ ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। তাকে তার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করা হবে।</p>
<p>মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক বার্তায় অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বুধবার জোহরের নামাজ শেষে বেলা দুইটায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিসেস জিয়ার জানাজা সম্পন্ন করা হবে।</p>
<p>জানাজা শেষে সংসদভবন এলাকাসংলগ্ন জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বিকেল আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে মিসেস জিয়ার দাফন সম্পন্ন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।</p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক দাফন সম্পন্ন হবে। সাধারণ জনগণের প্রবেশ নিষিদ্ধ। কোনো ব্যাগ বা ভারী সামগ্রী বহন করা যাবে না।</p>
<p>মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, বেগম জিয়ার জানাজার নামাজ পড়াবেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতি মুফতি আব্দুল মালেক।</p>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a7/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19843</post-id>	</item>
		<item>
		<title>গৃহবধূ থেকে যেভাবে বিএনপির হাল ধরেন খালেদা জিয়া</title>
		<link>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%97%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a7%82-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%97%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a7%82-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Balal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 14:51:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://dainikcoxsbazarekattor.com/?p=19840</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা গেছেন। ৮০ বছর বয়সে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। ব্যক্তিজীবনে রাজনীতি থেকে দূরে থাকা এই গৃহিণী কখনোই সরাসরি রাজনীতিতে জড়ানোর আগ্রহ দেখাননি। তবে এক করুণ ও জটিল পরিস্থিতিতে স্বামী, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাকে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে হয়। দীর্ঘ চার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="desktopDetailBody">
<div>
<p>বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা গেছেন। ৮০ বছর বয়সে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।</p>
<p>ব্যক্তিজীবনে রাজনীতি থেকে দূরে থাকা এই গৃহিণী কখনোই সরাসরি রাজনীতিতে জড়ানোর আগ্রহ দেখাননি। তবে এক করুণ ও জটিল পরিস্থিতিতে স্বামী, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাকে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে হয়।</p>
<p>দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম প্রধান চরিত্র খালেদা জিয়া গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে নেমে দশ বছরের মধ্যেই বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়েছিলেন।</p>
<p>খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির প্রথম মেয়াদে সরকার গঠনের সময় দেশে আবার সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা চালু হয়েছে।</p>
<p>বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ১৯৮১ সালে যখন হত্যা করা হয়, সেই প্রেক্ষাপটে বিপর্যস্ত বিএনপিকে টিকিয়ে রাখতে খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেছিলেন</p>
<p>বিশ্লেষকরা বলেছেন, ক্ষমতার বলয়ের ভেতর থেকে তৈরি হওয়া বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে নিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। তবে তার নেতৃত্বাধীন বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীসহ ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন দলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমালোচনাও ছিল।</p>
<p><b>পুতুল থেকে খালেদা জিয়া</b></p>
<p>খালেদা জিয়া বিধবা হন ৩৬ বছর বয়সে। তখন তিনি একজন সাধারণ গৃহবধূ ছিলেন। তারেক রহমান এবং আরাফাত রহমান-দুই সন্তান নিয়েই ছিল তার সংসার।</p>
<p>তার পুরো নাম ছিল খালেদা খানম। আর পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজনের কাছে তার ডাক নাম ছিল পুতুল।</p>
<p>জিয়াউর রহমান ১৯৬০ সালে যখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে একজন ক্যাপ্টেন ছিলেন, তখন তাদের বিয়ে হয়।</p>
<p>তিনি বিয়ের পরই তার স্বামীর নামের সাথে মিলিয়ে খালেদা জিয়া নাম নিয়েছিলেন বলে তার বোন সেলিমা ইসলাম জানিয়েছেন।</p>
<p>তবে রাজনীতিতে নামার পরই তিনি পরিচিত হন খালেদা জিয়া নামে।</p>
<p>তার বড় বোন সেলিমা ইসলাম বিবিসিকে বলেছেন, সে সময় খালেদা জিয়ার রাজনীতি নিয়ে কোন চিন্তাই ছিল না। এর আগে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময়ও খালেদা জিয়া কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হননি।</p>
<p>তার সমালোচকদের অনেকে বলে থাকেন, খালেদা জিয়া তার স্বামী জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে বিএনপির দায়িত্ব পেয়ে রাজনীতিক হয়েছেন।</p>
<p>খালেদা জিয়ার জীবন কাহিনী নিয়ে বই প্রকাশ করেন সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ। বইটি প্রকাশের সময় মাহফুজ উল্লাহ বিবিসিকে বলেছিলেন, অল্প বয়সে বিধবা হওয়ার পর খালেদা জিয়া পুরুষ শাসিত সমাজে একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে এসে যোগ্যতা দিয়ে নিজের আসন তৈরি করে নেন।</p>
<p><b>দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেছিলেন</b></p>
<p>জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল দেখা দেয় এবং অন্যদিকে নেতাদের অনেকে তখন সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদের সাথে শরিক হন।</p>
<p>সব মিলিয়ে দলটি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।</p>
<p>সেই পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়া বিএনপিতে যোগ দেন ১৯৮৩ সালের ৩ জানুয়ারি। প্রথমে তিনি দলের ভাইস চেয়ারম্যান হন। এর পরের বছর ১৯৮৪ সালের ১০ মে বিএনপির চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন খালেদা জিয়া।</p>
<p>তাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন বিএনপির সাবেক নেতা অলি আহমেদ। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তার একান্ত সচিব ছিলেন অলি আহমেদ। তিনি বলেছেন, বিএনপিকে টিকিয়ে রাখতে তাদের অনুরোধে খালেদা জিয়া রাজনীতিতে আসেন।তার ঘনিষ্ঠ এবং বিএনপির নেত্রী সেলিমা রহমান বলেছেন, রাজনীতি নিয়ে শত ব্যস্ততার মাঝেও খালেদা জিয়া পারিবারিক কর্তব্য পালনে সক্রিয় থাকতেন।</p>
<p><b>আপোষহীন নেত্রী হিসাবে পরিচিতি</b></p>
<p>খালেদা জিয়া সেই ১৯৮২ সালে যখন বিএনপির নেতৃত্বে আসেন, তখন জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসন চলছিল।</p>
<p>সেই শাসনের বিরুদ্ধে নয় বছরের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তিনি রাজনীতিতে নিজের এবং দলের অবস্থান তৈরি করেন বলে বিএনপি নেতারা মনে করেন।</p>
<p>বিএনপির নেতৃত্ব নেয়ার পরের বছর ১৯৮৩ সালে তিনি সাত দলীয় ঐক্যজোট গঠন করে এরশাদের শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন।</p>
<p>অন্যদিকে আন্দোলন করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আট দলীয় জোট এবং বামপন্থী দলগুলোর পাঁচ দলীয় জোট। ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগের জোট এরশাদ সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।</p>
<p>তবে বিএনপির জোট নির্বাচনে অংশ না নিয়ে নয় বছর রাজপথের আন্দোলনে থাকায় খালেদা জিয়া আপোষহীন নেত্রী হিসাবে পরিচিতি পেয়েছিলেন।</p>
<p>এরশাদ সরকার বিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনবার।</p>
<p>বিএনপি নিয়ে গবেষণাধর্মী বইয়ের লেখক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়া বিএনপিকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন।</p>
<p>এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সব দলের অংশ গ্রহণে নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসে।</p>
<p>তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস গড়েন। নির্বাচনে খালেদা জিয়া পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবক&#8217;টি আসনেই নির্বাচিত হয়েছিলেন।</p>
<p>সেই নির্বাচনের আগে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে থাকা তিন জোটের রূপরেখায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার ছিল।</p>
<p>সেই প্রেক্ষাপটে নির্বাচনের পর গঠিত পঞ্চম সংসদে সংসদ নেতা হিসাবে খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রবর্তনের জন্য বিল উত্থাপন করেছিলেন এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে তা পাস হয়।</p>
<p>তখন দীর্ঘ ১৬ বছর পর ফিরে আসে সংসদীয় সরকার।</p>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://dainikcoxsbazarekattor.com/2025/12/30/%e0%a6%97%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a7%82-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">19840</post-id>	</item>
	</channel>
</rss>
