মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৫ আসামিসহ ১৫ জন গ্রেফতার ঈদগাঁও – ঈদগড় সড়কের গহীন পাহাড়ে পুলিশের ৪ ঘণ্টার দুঃসাহসিক অভিযান উখিয়া -টেকনাফ সড়কের মরিচ্যা চেকপোস্টে বিজিবির অভিযান: ১৫ হাজারের বেশি ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ আটক কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের ২৪ ঘন্টার চিরুনী অভিযানে ডাকাত ও ছিনতাইকারীসহ গ্রেফতার ১৫ রামু থানা পুলিশের অভিযানে ১ লক্ষ ৪ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার’র আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির উপর হামলায় ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা !! খুরুশকুল ও রামুতে একাধিক অনুষ্ঠানে ব্যস্ত সময় পার করেছেন লুৎফুর রহমান কাজল এমপি কক্সবাজার প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত টেকনাফের বাহারছড়ায় মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য বন্দি থাকা ৩২ জন উদ্ধার

মায়ানমারে ভারতের ড্রোন হামলায় ৩ নেতা নিহতের দাবি উলফার

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী রবিবার জানিয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনী মায়ানমারে তাদের ঘাঁটিতে আন্ত সীমান্ত ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে গোষ্ঠীটির তিনজন শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী এ ধরনের কোনো হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে মায়ানমারের সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর জাতিগত, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা সীমান্তের ওপারে মায়ানমারে ঘাঁটি স্থাপন করে থাকে।

ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম-ইন্ডিপেনডেন্ট (উলফা-আই) একাধিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মায়ানমারে ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় ড্রোন হামলায় গোষ্ঠীটির একজন শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার নিহত হয়েছেন এবং আরো ১৯ জন আহত হয়েছেন। পরবর্তীতে আরো দুটি হামলায় তাদের আরো দুজন শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার নিহত হন। অনেক সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

উলফা-আই আরো জানিয়েছে, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী আরেকটি গোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ক্যাম্পগুলোকেও টার্গেট করে হামলা চালানো হয়েছে।

তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী উলফা-আইয়ের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গুয়াহাটির প্রতিরক্ষা জনসংযোগ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহেন্দ্র রাওয়াত বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে বলেন, ‘এ ধরনের কোনো অভিযানের বিষয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে কোনো তথ্য নেই।’

উলফা হলো ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর একটি, যারা আসাম রাজ্যের স্বাধীনতা দাবি করে। অন্যদিকে পিএলএ মণিপুর রাজ্যকে ভারতের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার পক্ষে।

উলফা-আই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন পরেশ বড়ুয়া। বর্তমানে গোষ্ঠীটির শীর্ষ পর্যায়ে শুধু অরুণোদয় দোহোতিয়া নামের এক সদস্যই মায়ানমারে সক্রিয় বলে জানা গেছে। মায়ানমারে উলফা-আই ক্যাম্প থেকে পরিচালিত অপর এক শীর্ষ নেতা রূপম অসমকে মে মাসে আসাম পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল।

উলফার একটি অংশ ২০২৩ সালে অস্ত্র সমর্পণ করে এবং ভারত সরকারের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে সই করে। এ ছাড়া গত কয়েক বছরে বিদ্রোহী হামলার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

তবে বিগত তিন দশকে এই ধরনের সহিংসতায় হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যার বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *