মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী. টেকনাফ:
টেকনাফেসাংবাদিক ইমারত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সর্বত্র অপরিকল্পিত ভবন, মার্কেট ও দালান ঘর তৈরী হচ্ছে। প্রতিনিয়ত গড়ে উঠা ভবন, মার্কেট, দালান- বাড়ি ঘর তৈরী করতে গিয়ে কোন আইন কানুন অনুসরণের বালাই নেই। এসব স্হাপনার মালীকেরা অপরিকল্পিত ভাবে দালান তৈরী করলে ও গাড়ি পার্কিংয়ের কোন জায়গা রাখেনি। তাদের বাড়িতে, মার্কেটে ও বাসা- বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের হাত থেকে এসব স্হাপনা মোটে ও নিরাপদ নয় বলে মনে করছেন. বিজ্ঞ মহল। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ইমারত আইন সংবলিত উপজেলা পর্যায়ে প্রর্দশনী মুলক সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে দিলে ও কোন কাজই শুরু করেনি। এতে ধরে নেওয়া যায় আইন আছে,প্রয়োগ নেই।
১৯৯৬ সালের ইমরাত আইন এ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। সারা দেশে প্রতিনিয়ত অগ্নিকান্ডে হতাহতের ঘটনায় অকালে নারী,পুরুষ শিশু প্রাণ হারালে ও সরকার কার্যকর ব্যবস্হা নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করেন সচেতন মহল।
এদিকে স্হাপনার মালীকেরা তাঁদের বিল্ডিং বা দালান বাড়িতে যাওয়ার জন্য গাড়ি ঢুকার এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্হা রাখা হয়নি। নেই অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা। এ সময় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলেই এসব মহল্লা বা স্হাপনার কাছে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশ করা সম্ভব হয় না। এসব দালান ও ভবনের মালীকেরা সড়কের জায়গা ঘেঁষে, অনেকে রাস্তার উপর বাউন্ডারী ও গেইট নির্মাণ করে বসেছে। অথচ এসব দেখার কেউ নেই।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিনিয়র সাংবাদিক ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি টেকনাফ প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি মাওঃ ছৈয়দ হোসাইন বলেছেন, যারা দালান বাড়ি ঘরসহ ভবন তৈরী করেছে,তাদের বিবেক থাকা উচিত। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে অপরিকল্পিত ভাবে তৈরী করছে স্হায়ী স্হাপনা সমুহ। কেউ আইন কানুন মানছে না। ইমারত আইন কাকে বলে তারা জানে না।
বিশেষ করে উখিয়া – টেকনাফে মাদক কারবারীরা যেনতেন ভাবে বহুতর ভবন ও দালান ঘর তৈরী করে আসলে ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কোন দেখভাল নেই। যেমন কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই।
এদিকে দেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক আজকের বসুন্ধরা প্রত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি এ প্রতিবেককে বলেন, যত্রতত্র মার্কেট, ভবন ও দালান বাড়ি ঘর না করার জন্য ইমারত আইনের বিধি প্রয়োগ করা দরকার। উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা চেয়ারম্যান, স্হানীয় ইউপি চেয়ারম্যানগণ তদারকি করলে কেউ মনগড়া বা ইচ্ছামত ভবন তৈরী করতে পারবে না। সবকিছুর তো একটা নিয়ম নীতি আছে। বিশেষ করে স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদ হোল্ডিং কার্ড দেওয়ার সময় বিষয়টি নজরে আনতে পারেন।
তিঁনি এ বিষয়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ব্যবস্হা নেওয়ার জন্য দাবী জানান।