শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
আবদুল কাদের
কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুসকুল রাস্তার মাথা থেকে শুরু করে চৌফলদন্ডী হয়ে ঈদগাহ বাজার পর্যন্ত পুরো সড়কের চারটি স্থানে নেওয়া হচ্ছে চাঁদা। কক্সবাজার সদর উপজেলা টমটম মালিক সমিতি, ব্যাটারী চালিত অটো বাইক /ই বাইক মালিক সমিতি প্রভৃতি সংগঠনের নামে বেনামে প্রতিটি পয়েন্টে প্রত্যেক অটোবাইক ও মিনি টমটম থেকে প্রতিবার ২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে এই চাদাঁ।
সড়কের খুরুসকুল রাস্তার মাথা,চৌফলদন্ডী ব্রীজ,চৌফলদন্ডী সি এন জি ষ্টেশন ও সর্বশেষ ঈদগাহ বঙ্গিবাজার ব্রীজ,এই চারটি স্থানে একবার যাতায়তে মোট ৮০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয় প্রত্যেক ড্রাইভারকে।
২৪ জুলাই সকালে চৌফলদন্ডী ব্রীজ থেকে কক্সবাজার গামী একটি টমটম থেকে, শাকের আলম নামে ১ ছেলে ২০ টাকা নিয়ে ড্রাইভারের হাতে ধরিয়ে দিল একটি রসিদ যাতে লিখা আছে দৈনিক টাকার পরিমান ১০ টাকা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ ড্রাইভার জানান,এখানে ১০ টাকা লিখা থাকলে ও ২০ টাকা না দিলে লাঠি দিয়ে গাড়ি ভাংচুর করে, গাড়ির চাবি কেড়ে নেই এবং মারধর করে। এই রোডে আর গাড়ি চালাতে দেয় না।তাই সব অত্যাচার মুখ বুজে সহ্য করতে হয়।কক্সবাজার থেকে ঈদগাহ বাজার পর্যন্ত একটি গাড়ি মোট ভাড়া পাই ২৫০ টাকা থেকে ২৭০ টাকা। পথিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে চাঁদা দিতে হয় মোট ৮০ টাকা।
সরেজমিনে তথ্য নিয়ে জানা যায়,ঈদগাহ তেলিপাড়ার একটি সিন্ডিকেট বঙ্কিম বাজার ব্রীজ থেকে,চৌফলদন্ডীর একটি সিন্ডিকেট পুরাতন সি এন জি ষ্টেশন থেকে,খুরুসকুলের একটি সিন্ডিকেট চৌফলদন্ডী ব্রীজ থেকে এবং কক্সবাজার পি টি আই স্কুলের একটি সিন্ডিকেট খুরুসকুল রাস্তার মাথা থেকে প্রতিদিন চাঁদা তুলে।
সড়কে এমন চাঁদাবাজীর ব্যাপারে জানতে চাইলে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান,এ ব্যাপারে আমার কাছে ইতিমধ্যে তথ্য এসেছে খুব শীগ্রই এদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। রাস্তা সড়ক ও জনপথ বিভাগের তাই এখানে চাঁদা তুলার ব্যপারে কোন শ্রমীক কিংবা মালিক সংগঠনের এখতিয়ার আছে বলে আমার জানামতে আইনে নাই।