হারুনর রশিদ, মহেশখালী:
মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নয়া পাড়া এলাকায় লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে রবিবার বেলা ২টার সময় । পরিত্যাক্ত বসতভিটি থেকে মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে মহেশখালী থানার এসআই ইকবাল এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ।
নিহত নারীর নাম ইসমত আরা(৩৫), সে ওই এলাকার আনোয়ার এর মেয়ে। নিহত শিশুর নাম আবরার (৬)। বিগত ৮ বছর আগে নিহত নারীর সাথে কুতুবজোমের ঘটিভাঙ্গার রহিম উল্লাহ র সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিল। ওই সংসারে তাদের ২ ছেলে সন্তান জন্ম লাভ করেছিল।
স্থানীয়দে দেওয়া তথ্য মতে উক্ত স্বামী রহিম উল্লাহ র সাথে ৪/৫ বছর আগে ডিভোর্স হয়েছিল নিহত ইসমত আরার। ডিভোর্সের পর ইসমত আরা কুতুবজোমের নয়া পাড়াস্থ বাপের বাড়ীতে চলে আসে। সেখানে আসার কিছু দিনের মধ্যে বড় সন্তান পুকুরের পানিতে ডুবে মারা গিয়েছিল।
নিহত ইসমত আরার পিতা আনোয়ার জানিয়েছেন রবিবার ১১ই জানুয়ারী বিকালে, পাড়া প্রতিবেশী শিশু-কিশোররা খেলার সময় বসতভিটির কলা গাছের ঝোঁপে ইসমত আরা ও তাঁর ছেলে আবরারের রক্তাক্ত নিতরদেহ পড়ে থাকতে দেখে, উক্ত খবর তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছালে তারা নিশ্চিত করেন নিহতরা তাদের স্বজন। সাথে সাথে মহেশখালী থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে থানার এসআই ইকবাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশের স্রুরতহাল রির্পোট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করেছেন।
এব্যাপারে মহেশখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত(ওসি) প্রতুল কুমারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিহত নারীর পিতা আনোয়ার জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে অসুস্থতা ভোগছিলেন।একারনে তার সংসার ও ভেঙ্গে গিয়েছে।
কিছু কাল আগে সে তার বড় ছেলে কে হারিয়েছে এবং আগুনে পুড়েগিয়ে আরো মানসিক ভারসাম্য হিনতায় ভোগে পাগলামী করতো বলে নিহতের পিতার বক্তব্য তা জানা যায়। তারপরও
ঘটনার মুল রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে বলে জানান ওসি।