সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ২১২ টাকা দেশে মজুদ গ্যাস দিয়ে ১২ বছর চলবে : জ্বালানিমন্ত্রী রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৫ আসামিসহ ১৫ জন গ্রেফতার ঈদগাঁও – ঈদগড় সড়কের গহীন পাহাড়ে পুলিশের ৪ ঘণ্টার দুঃসাহসিক অভিযান উখিয়া -টেকনাফ সড়কের মরিচ্যা চেকপোস্টে বিজিবির অভিযান: ১৫ হাজারের বেশি ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ আটক কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের ২৪ ঘন্টার চিরুনী অভিযানে ডাকাত ও ছিনতাইকারীসহ গ্রেফতার ১৫ রামু থানা পুলিশের অভিযানে ১ লক্ষ ৪ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার’র আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির উপর হামলায় ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা !! খুরুশকুল ও রামুতে একাধিক অনুষ্ঠানে ব্যস্ত সময় পার করেছেন লুৎফুর রহমান কাজল এমপি

সেন্টমার্টিনকে আগের অবস্থায় ফেরানোই পাঁচ মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্য: পরিবেশ উপদেষ্টা

সেন্টমার্টিন দ্বীপকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনাই প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, পানি সম্পদ ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, পর্যটনের নামে অনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কার্যক্রমই দ্বীপের পরিবেশ ধ্বংসের প্রধান কারণ।

মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সেন্টমার্টিন দ্বীপের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।

সেন্টমার্টিনকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণার কথা উল্লেখ করে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে এ ধরনের সংবেদনশীল দ্বীপে রাতযাপন নিষিদ্ধ। ট্যুরিজম আর সেন্টমার্টিন এক বিষয় নয়। লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে তার স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনা।

তিনি জানান, সেন্টমার্টিন রক্ষায় প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যান ধাপে ধাপে বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে। তবে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া এই উদ্যোগ সফল হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, পর্যটন হতে হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠী কেন্দ্রিক। বহিরাগত নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কার্যক্রমই দ্বীপের পরিবেশ বিপর্যয়ের মূল কারণ।

দ্বীপবাসীর বিকল্প কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। মাস্টারপ্ল্যানে প্রথম অগ্রাধিকার পাবে সংরক্ষণ আর অর্থনীতি ও পর্যটন আসবে পরে।

সেন্টমার্টিন বারবিকিউ বা লাউডস্পিকারের জায়গা নয় উল্লেখ করে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, এটি প্রকৃতির কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি এলাকা। স্থানীয়দের ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা গড়ে তুললে সেটিই হবে হোটেল ও রিসোর্ট নির্ভরতার টেকসই বিকল্প।

তিনি আরও জানান, দ্বীপের ভাঙন, সংরক্ষণ ও কর্মসংস্থানের বিষয়গুলো সরকারিভাবেই নিয়মিত নজরদারিতে রয়েছে।

সেন্টমার্টিনের সামাজিক ও পরিবেশগত পরিস্থিতি তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, দ্বীপে কোনো কুকুর অনাহারে নেই বা অপুষ্টিতে ভুগছে—এমন তথ্য সঠিক নয়। বরং দ্বীপের প্রকৃতি ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সরকারের এই অবস্থানের মাধ্যমে সেন্টমার্টিনকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ও পরিবেশবান্ধবভাবে সংরক্ষণের বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সূত্র: সমকাল


আপনার মতামত লিখুন :

5 responses to “সেন্টমার্টিনকে আগের অবস্থায় ফেরানোই পাঁচ মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্য: পরিবেশ উপদেষ্টা”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *