মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সদরের পার্শবর্তী ইউনিয়ন খুরুশকুল,মাত্র কয়েক বছর আগেও এই খুরুশকুল ছিল সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক সূন্দর্য্যপূর্ন এলাকা। তবে এখন সেই রুপেগুনে খুরুশকুল আর নেই। সেই খুরুশকুলেই জন্ম নেওয়া কিছু ভুমিদস্যু এবং পাহাড়খেকো লোক অবাধে পাহাড় কাটা এবং মাটি বিক্রি করার কারনে সেই খুরুশকুলের রুপ সন্দর্য্য হারিয়েছে। আবার এসব প্রভাবশালী পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে একাধিকা মামলা হলেও কোন কিছুকে তোয়াক্কা করেনা তারা। বরং পাহাড়কেটেই মামলা খরচ চালায় তারা। খুরুশকুলের স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে,মাত্র ১০ থেকে ১২ জন লোকের সিন্ডিকেট পুরু খুরুশকুলের পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করার কাজ করে। গত কয়েক বছর এসব লোক এখন শুন্য থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক। শুধু পাহাড় কাটা নয় জমি দখল,চাঁদাবাজি,ইয়াবা সহ অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রন করে এই সিন্ডিকেট আর এই ১০/১২ জনের সিন্ডিকেটের সাথে ২০/৩০ জন উঠতি বয়সের ছেলে যারা অনেকটা দৈনিক মজুরী ভিত্তিতে মাস্তানী ভাতা পায়। স্থানীয়দের মতে খুরুশকুল কাউয়ারপাড়া নুরুল আলম বহদ্দারের ছেলে বহু মামলার আসামী মামুন এবং কায়সার,লামাজী পাড়ার নাছির এবং আবছার,কুলিয়াপাড়ার জিয়াবুল,তেতৈয়ার হেলাল, হানিফার ছেলে বেলাল,বাবুল,লজিন সহ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দৈনিক অন্তত ১০০ ডাম্পার পাহাড়ের মাটি বিক্রি করে। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এসব সিন্ডিকেটের অনেকে বিরুদ্ধে মামলা আছে তারা সেই মামলা চালাতে পাহাড়ের মাটি বিক্রি করেই খরচ চালায় বলে জানান স্থানীয়রা। এদিকে সচেতন মহলের দাবী খুরুশকুলে এখন নতুন জনপ্রতিনিধি দায়িত্ব নিয়েছে আমরা আশা করবো পাহাড় কাটা সহ সমস্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রনে তারা যেন কার্যকর ভুমিকা রাখে। এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আমীন আল পারভেজ বলেন,খুরুশকুলের পাহাড় কাটার অভিযোগ অনেক দিনের বিষয়টি নিয়ে এর আগেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এখন তালিকা ধরে প্রয়োজনী আরো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।