বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন শামীম আরা স্বপ্না ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ২১২ টাকা দেশে মজুদ গ্যাস দিয়ে ১২ বছর চলবে : জ্বালানিমন্ত্রী রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৫ আসামিসহ ১৫ জন গ্রেফতার ঈদগাঁও – ঈদগড় সড়কের গহীন পাহাড়ে পুলিশের ৪ ঘণ্টার দুঃসাহসিক অভিযান উখিয়া -টেকনাফ সড়কের মরিচ্যা চেকপোস্টে বিজিবির অভিযান: ১৫ হাজারের বেশি ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ আটক কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের ২৪ ঘন্টার চিরুনী অভিযানে ডাকাত ও ছিনতাইকারীসহ গ্রেফতার ১৫ রামু থানা পুলিশের অভিযানে ১ লক্ষ ৪ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার’র আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির উপর হামলায় ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা !!

জেলা প্রশাসককে বিব্রত করে দণ্ড পেলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব

অনলাইন ডেস্কঃ

মুন্সীগঞ্জ জেলায় ২০১৮ সালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন বর্তমানে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসককে বিব্রত করেছিলেন। এই দায়ে বেতন গ্রেড কমিয়ে তাঁকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই দণ্ড দিয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন আবু জাফর রাশেদের প্ররোচনায় তার দ্বিতীয় স্ত্রী একটি পত্রিকার ভুয়া সাংবাদিক সেজে মুন্সীগঞ্জ জেলার তৎকালীন জেলা প্রশাসককে বিব্রত করা ও বিপদে ফেলার চেষ্টা করেন। এই লক্ষ্যে তিনি ২০১৮ সালের ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসন সকল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে এমন ভুয়া তথ্য টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারকে দেন।

 

তিনি সরকারের একজন উপসচিব হয়েও মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসন সম্পর্কে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মাধ্যমে সিনিয়র কর্তাব্যক্তিদের নিকট মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদানে সহযোগিতা করে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর বিধি ৩ (খ) অনুযায়ী আনা ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তারিখের ৬৬ নম্বর স্মারকে অভিযোগ নামা ও অভিযোগ বিবরণী জারির মাধ্যমে তাকে কারণ দর্শনোর নোটিশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, আবু জাফর রাশেদ ২০২০ সালের ২৫ মার্চ লিখিত জবাব দেন। তবে ২০২০ সালের ২৮ জুলাই শুনানিতে তার মৌখিক বক্তব্য ও লিখিত জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হওয়ায় ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিভাগীয় মামলাটি তদন্ত করার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা গত ৬ জানুয়ারি তদন্ত রিপোর্ট জমা দেন। তাতে আবু জাফরের বিরুদ্ধে আনা ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়। তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজাদি পর্যালোচনা করে আবু জাফর রাশেদকে দোষী সাব্যস্ত করে সরকারি কমচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে ৩ বছরের জন্য বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনমিতকরণ নামের লঘু দণ্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, দণ্ডের মেয়াদকালে তিনি জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর গ্রেড ৫-এর ৪৩,০০০ টাকার ধাপে বেতন প্রাপ্য হবেন। তিনি ভবিষ্যতে উক্ত মেয়াদের কোনো বকেয়া পাবেন না এবং উক্ত মেয়াদে বেতন বৃদ্ধির জন্য গণনা করা যাবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *