৭১ অনলাইন ডেস্ক:
ঢাকায় ধারাবাহিক বৈঠক এবং কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে দেখা করতে ৩ দিনের সফরে আজ সোমবার ঢাকায় আসছেন ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ।
রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ হলেন ডেনমার্কের রাজকুমার ফ্রেডরিকের স্ত্রী। তিনি ঢাকায় পৌঁছার পরপরই সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারী বাসভবন গণভবনে সাক্ষাত করবেন।
একইদিন বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন ম্যারি। ৫০ বছর বয়সী রাজকুমারী ঢাকায় ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত কর্তৃক আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।
সোমবার বিকেল ৫টার দিকে তার কক্সবাজার পৌঁছানোর কথা রয়েছে এবং মঙ্গলবার সকালে ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিলের (ডিআরসি) ব্রিফিংয়ে যোগ দেবেন।
রাজকুমারী কক্সবাজার শহর থেকে গাড়িতে করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাবেন এবং ক্যাম্প ৫-এ বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে মাটি ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ ও ডিআরসির পরিবেশ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।
রাজকুমারী একটি খোলা শেডে ৮-১০ জন রোহিঙ্গা সুবিধাভোগীর সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সেখানে গাছ লাগাবেন তিনি। মেরি স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গেও কথা বলবেন।
কক্সবাজার থেকে বুধবার সকালে তিনি সাতক্ষীরা যাবেন এবং জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সঙ্গে দেখা করতে কুলতী গ্রামে যাবেন। রাজকুমারী জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ওই এলাকার জনপদে ঘুরবেন এবং ওই এলাকার সাইক্লোন সেন্টার ও বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি বাঁধের পাশে বসবাস করা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের সঙ্গে কথা বলবেন। বুধবার রাতেই ইস্তান্বু^ুলের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে রাজকুমারীর।
উখিয়া যাবেন কাল ॥ সংবাদদাতা, উখিয়া থেকে জানান, মিয়ানমারের রাখাইন থেকে পালিয়ে এসে উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে আগামীকাল মঙ্গলবার ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন কক্সবাজারে আসছেন।
ওইদিন তিনি কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখতে উখিয়ার কুতুপালংয়ে যাবেন। সেখানে তিনি রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি ক্যাম্প এলাকা ঘুরে দেখবেন।
এর আগে ১৮ এপ্রিল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ দূত রাশেদ হোসাইনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দল প্রথমে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা হিন্দু উদ্বাস্তু ক্যাম্পে যান। সেখানে ব্র্যাক অফিসে আশ্রিত হিন্দুদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ক্যাম্পে তাদের ধর্ম পালন নিয়ে কথা বলেন।