শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন শামীম আরা স্বপ্না ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ২১২ টাকা দেশে মজুদ গ্যাস দিয়ে ১২ বছর চলবে : জ্বালানিমন্ত্রী রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৫ আসামিসহ ১৫ জন গ্রেফতার ঈদগাঁও – ঈদগড় সড়কের গহীন পাহাড়ে পুলিশের ৪ ঘণ্টার দুঃসাহসিক অভিযান উখিয়া -টেকনাফ সড়কের মরিচ্যা চেকপোস্টে বিজিবির অভিযান: ১৫ হাজারের বেশি ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ আটক কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের ২৪ ঘন্টার চিরুনী অভিযানে ডাকাত ও ছিনতাইকারীসহ গ্রেফতার ১৫ রামু থানা পুলিশের অভিযানে ১ লক্ষ ৪ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার’র আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির উপর হামলায় ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা !!

যেসব সাহাবি বেশি রোজা রাখতেন

৭১ অনলাইন ডেস্ক:

রোজা আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম এবং আল্লাহর প্রিয় আমলগুলোর অন্যতম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আদম সন্তানের প্রতিটি কাজের প্রতিদান ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বর্ধিত হয়। আল্লাহ বলেন, তবে রোজা ছাড়া। কেননা তা শুধু আমার জন্য এবং আমিই তার পুরস্কার দেব।

’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৮২৩)এ জন্য সাহাবায়ে কেরাম (রা.) রমজান ছাড়াও সারা বছর বেশি বেশি রোজা রাখতেন। নিম্নে এমন কয়েকজন সাহাবির নাম উল্লেখ করা হলো—

১. ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) : ওমর (রা.) নিয়মিত রোজা রাখতেন। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, ‘আমৃত্যু ওমর (রা.) নিয়মিত রোজা রাখতেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ১/১২১)

২. উসমান ইবনে আফফান (রা.) : আবু নুআইম (রহ.) বলেন, ‘তাঁর দিনজুড়ে ছিল রোজা ও দানশীলতা, রাতে ছিল সিজদা ও তাহাজ্জুদ, তিনি বিপদগ্রস্তকে সুসংবাদ দিতেন এবং গোপনে দান করতেন। ’ (হুলয়াতুল আউলিয়া : ৪/৫৫)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জামাতা ও ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান (রা.) রোজা অবস্থায় শাহাদাতবরণ করেন।

৩. আয়েশা (রা.) : উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) নিয়মিত রোজা রাখতেন এবং তা তাঁর অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। উরওয়া (রা.) বলেন, মুয়াবিয়া (রা.) একবার আয়েশা (রা.)-এর কাছে এক লাখ দিরহাম প্রেরণ করেন। তিনি তা বিতরণ করে দেন। নিজের জন্য কিছুই অবশিষ্ট রাখলেন না। বারিরা (রা.) বলেন, আপনি রোজাদার। আপনি কেন এক দিরহাম দিয়ে আমাদের জন্য গোশত কিনলেন না? তিনি বললেন, যদি তুমি আমাকে স্মরণ করিয়ে দিতে, তবে আমি অবশ্যই তা করতাম। ’ (মুসতাদরিকে হাকিম : ৪/১৩)

৪. হাফসা (রা.)-এর রোজা : কায়েস বিন জায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) হাফসা (রা.)-কে তালাক দেন। কিন্তু জিবরাইল (আ.) এসে বলেন, “আপনি হাফসার সঙ্গে ‘রাজাআত’ (তালাক প্রত্যাহার) করুন। কেননা সে নিয়মিত রোজা রাখে, তাহাজ্জুদ পড়ে এবং সে জান্নাতে আপনার স্ত্রী। ” (মুসতাদরিকে হাকিম)

৫. আবদুল্লাহ ইবনে জোবায়ের (রা.) : নবীজি (সা.)-এর বিশিষ্ট সাহাবি সম্পর্কে তাঁর মা আসমা বিনতে আবি বকর (রা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই সে রাতে তাহাজ্জুদ আদায়কারী, দিনে রোজা পালনকারী। তাকে বলা হতো মসজিদের কবুতর। ’ (সিয়ারু আলামুন নুবালা : ৩/৩৬৭)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *