বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
বিশেষ প্রতিবেদক:
সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত (ফাস্ট ট্র্যাকভুক্ত) কক্সবাজারের দুটি মেগা প্রকল্প মাতারবাড়ী ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ও দোহাজারী-রামু হয়ে কক্সবাজার ও রামু-মিয়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত সিংগেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্প চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গড় ভৌত অগ্রগতি হয়েছে প্রায় ৬২ শতাংশ। আর্থিক অগ্রগতি ৬১ শতাংশ। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে প্রায় e।
জানা যায়, ফাস্ট ট্র্যাকভুক্ত মহেশখালীর মাতারবাড়ী ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পটি ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এটি ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রকল্পটিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৫৫ দশমিক ২০ শতাংশ।
অপর ফাস্ট ট্র্যাকভুক্ত দোহাজারী-রামু হয়ে কক্সবাজার ও রামু-মিয়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত সিংগেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্পটি ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এটির মেয়াদ শুরু হয় ২০১০ সালের জুলাই থেকে। ২০২২ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ৩৬২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে প্রকল্পটির আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৩৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। এছাড়া ভৌত অগ্রগতির পরিমাণ অনেক বেশি-প্রায় ৬৮ শতাংশ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন,কক্সবাজারের ফাস্ট ট্র্যাকভুক্ত দুটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যেই এগুলোর বাস্তবায়ন প্রায় শেষ পর্যায়ে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হবে। প্রত্যেকটি প্রকল্পই জনগণের এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে যেগুলো পিছিয়ে আছে সেগুলোর বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো খুবই প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।