বিশেষ প্রতিনিধি:
সরকার সাগরে ও নাফ নদীতে ৬৫ দিন মাছ আহরণ বন্ধের নির্দেশনা জারী করলে ও টেকনাফ উপজেলার পশ্চিম ও দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এবং পূর্বে নাফ নদীতে এ আদেশ মানা হচ্ছে না বলে স্হানীয় সুত্র জানায়।এক শ্রেণীর ফিশিং ঘাটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রতিটি বোটের বিপরিতে প্রশাসনের নাম ভাংগিয়ে ২/৩ হাজার টাকা নিয়ে সাগরে মাছ আহরণের অনুমতি দিচ্ছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলেরা জানান। অথচ এ সমস্ত ফিশিং ঘাটের কোন সরকারি রেজিষ্ট্রেশন নেই বলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান। এর ফলে নামে মাত্র টেকনাফ সাগরে ও নাফ নদীতে মাছ আহরণ বন্ধের সুযোগকে পুঁজি করে সদ্ব্যবহার করে আসছে। স্হানীয় লোকজন জানান, টেকনাফ উপজেলার বাহার ছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর হতে সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ এবং হ্নীলা পর্যন্ত সাগর ও নাফ নদীতে বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ আহরণ চলছে। শুরুতে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যেগে সমুদ্র সৈকতে অভিযান চললে ও ইদানিং এ অভিযান ভাটা পড়ছে। ফলে প্রতিদিন টেকনাফ সাগরের ও নাফ নদীতে প্রতিটি পয়েন্ট দিয়ে সাগরে মাছ আহরণ চলছে দেদারসে । যার প্রমান টেকনাফ পৌরসভা ও হ্নীলা কাচাঁ মাছ বাজারে গেলে সাগর এবং নাফ নদীর নাব্য তরতাজা মাছ পাওয়া যাচ্ছে। হ্নীলা ইউনিয়নের রোহিংগা নাগরিক রফিক নামে এক যুবক সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নাম ভাংগিয়ে নাফ নদী ও সাগরের আহরণকৃতম বিভিন্ন প্রজাতির মাছ হ্নীলা স্টেশন বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে বিক্রি করছে। এসব মাছ বাজারে কীভাবে বাজারজাত হয় তা নিয়ে সচেতন নাগরিকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া ও শাহপরীরদীপ জালিয়া পাড়ার জনৈক এক জেলে নাফ নদীতে চুক্তি ভিত্তিক মাছ আহরণ করে আসছে। যা নিয়ে এলাকার জেলেদের মধ্যে অভিযোগ উঠেছে। টেকনাফ উপজেলার সচেতন নাগরিক বলাবলি শুরু করেছে, ঢাক ডোল পিটিয়ে সাগরে মাছ আহরণ বন্ধের হেতু কি? এ ব্যপারে যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে সরকারে নেওয়া পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে। উল্লেখিত বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশিক্ষনে রয়েছেন এবং তার সহকারী শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। শহীদের সাথে একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করে ও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।