নুরুল আমিন হেলালী:
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় নদীর তীর ও নদী শিকস্তি জমি দখল করে দোকান নির্মান করছে দখলবাজরা। প্রশাসনিক নীরবতার সুযোগে একের পর এক স্হাপনা নির্মান করে চলছে দখলবাজচক্র।
ঈদগাঁও বাজারের উত্তর পার্শ্বে বাঁশঘাটা পয়েন্টে ঈদগাঁও নদীর দক্ষিণ তীর দখল করে সারি সারি দোকান নির্মান করেছে জনৈক সন্তোষ দে সমীর দে’র নেতৃত্বাধীন দখলবাজ সিন্ডিকেট।
সোমবার (২০ জুন) বিকালে সরেজমিন দেখা যায়, বাঁশঘাটা ব্রীজের আনুমানিক ৫০ গজ পূর্বে ১২ টি দোকান নির্মান করা হয়েছে।
নদীর জলায়তন ও মূল স্রোতধারার নিকটবর্তী তীর দখল করে এসব দোকান নির্মিত হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, নদী শিকস্তুি জমি দখল করে কয়েকমাস আগে নির্মিত ১২ টি দোকান ছাড়াও একই লাইনে কয়েকদিন আগে রাতের আঁধারে আরো একটি দোকান নির্মান করেছে তারা।
সর্বশেষ এ দোকানটি নির্মিত হয়েছে বাজারের পানি নিস্কাশনের নালা দখল করে।
এসব দোকান নির্মানের ফলে চলমান বর্ষায় নদীর স্রোতধারা বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে উভয় তীরে ভাঙ্গন দেখা দিতে পারে।
এতে নবনির্মিত বাঁশঘাটা ব্রীজ, ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাহ বাস স্টেশন-গোমাতলী সড়ক ও নদী তীরবর্তী আরো সরকারী বেসরকারী স্হাপনা নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
এ ছাড়াও বাজারের পানি নিস্কাশনের নালা দখল করে দোকান নির্মানের ফলে ঈদগাঁ বাজারে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, দখলবাজ সন্তোষ সিন্ডিকেট আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে নদীর তীর দখল করে একের পর এক দোকান নির্মান করে যাচ্ছে।
অভিযুক্ত সন্তোষ ও সমীর দে পার্শ্ববর্তী ইসলামাবাদ ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ফনীন্দ্র লাল দে’র ছেলে।
নদী দখল করে দোকান নির্মানের বিষয়ে জানতে চাইলে এসব জমি বন্দোবস্তের জন্য আবেদন করেছেন বলে দাবী করেন সন্তোষ।
সদর উপজেলা নির্বাহী কমকর্তা মোঃ জাকারিয়া বলেন, অভিযোগ পেয়ে সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে অবগত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্যবস্হা নেয়া হবে বলেও জানান ইউএনও।