রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন শামীম আরা স্বপ্না ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ২১২ টাকা দেশে মজুদ গ্যাস দিয়ে ১২ বছর চলবে : জ্বালানিমন্ত্রী রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৫ আসামিসহ ১৫ জন গ্রেফতার ঈদগাঁও – ঈদগড় সড়কের গহীন পাহাড়ে পুলিশের ৪ ঘণ্টার দুঃসাহসিক অভিযান উখিয়া -টেকনাফ সড়কের মরিচ্যা চেকপোস্টে বিজিবির অভিযান: ১৫ হাজারের বেশি ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ আটক কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের ২৪ ঘন্টার চিরুনী অভিযানে ডাকাত ও ছিনতাইকারীসহ গ্রেফতার ১৫ রামু থানা পুলিশের অভিযানে ১ লক্ষ ৪ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার’র আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির উপর হামলায় ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা !!

মাদকের টাকায় সোনার ব্যবসা করছে রোহিঙ্গারা

বিশেষ প্রতিবেদক:
মিয়ানমারে সোনার দাম ভরিতে পাঁচ-সাত হাজার টাকা কম। লাভের আশায় এ সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে রোহিঙ্গারা। মিয়ানমার থেকে চোরাইপথে সোনা আনছে তারা। এসব সোনা পরে ছড়িয়ে দিচ্ছে কক্সবাজার, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে। এক্ষেত্রে রোহিঙ্গারা পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করছে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইস বিক্রির টাকা।
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের আশ্রয়শিবিরগুলো ঘুরে চাঞ্চল্যকর এ তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ৮ মাসে কেবলমাত্র নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম, উখিয়ার রহমতের বিল, পালংখালী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১৭১ কোটি টাকা মূল্যের ৫৬ লাখ ৮১ হাজার ইয়াবা, ৭০ কোটি ১০ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ কেজি ২০ গ্রাম আইস এবং ২ কোটি ৭২ লাখ টাকা মূল্যের ৩ কেজি ৩২৩ গ্রাম ওজনের ২৪টি সোনার বার উদ্ধার করেছে বিজিবি। এ সময় গ্রেফতার করা হয় ৭৫ জন চোরাকারবারিকে।
টেকনাফ ২ বিজিবি গত এক বছরে উদ্ধার করেছে ৪৬৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য। এ সময় গ্রেফতার করা হয় ৩৩৩ জন মাদক কারবারিকে। উদ্ধার করা মাদকের মধ্যে ইয়াবা ৪০ লাখ ৩২ হাজার ও আইস ৫৪ কেজি ৫৭০ গ্রাম। এ ছাড়াও এ সময়ে সোনা উদ্ধার করা হয়েছে ২১ কেজি ৮০৭ গ্রাম।
সর্বশেষ গত ২৫ আগস্ট কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের কাস্টমস মোড় এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৩ কেজি ৩২২ গ্রাম ওজনের ২০টি সোনার বারসহ কবির আহমদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে বিজিবি। গ্রেফতারকৃতের বাড়ি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু এলাকায়।
এ ব্যাপারে ৩৪ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মেহেদী হোসাইন কবির বলেন, মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে আনা সোনার চালানটি উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে নেওয়া হচ্ছিল। উদ্ধার করা সোনার বারগুলো কবির আহমদের কোমরে লুঙ্গির ভাঁজে লুকানো ছিল। উদ্ধার করা সোনার বাজারমূল্য ২ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি।
টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার বলেন, বাংলাদেশের তুলনায় মিয়ানমারের সোনার দাম কিছুটা কম। এ কারণে এখানে চাহিদা বেশি।
উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা জাফর আলম বলেন, উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে সাড়ে ১২ লাখ রোহিঙ্গার বসতি। এর মধ্যে ১০ হাজারের মতো রোহিঙ্গা সোনা ও মাদক চোরাচালানে জড়িত।
তিনি আরো বলেন, পাঁচ বছর ধরে রোহিঙ্গারা আশ্রয়শিবিরে পড়ে আছেন। ছয় লাখ তরুণ-যুবক বেকার। প্রত্যাবাসনও দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এ কারণে হতাশ তরুণ-যুবকেরা মাদক ও সোনা চোরাচালানে জড়াচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *