বার্তা পরিবেশক:
ঝাউতলা বৃহত্তর এলাকায় মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবাদ জানিয়েছেন মোঃ গিয়াস উদ্দিন।
রবিবার( ৩১ ডিসেম্বর) রাত ৯ টার দিকে রাস্তায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। গেল কিছুদিন আগে একটি জনস্বার্থে রাস্তাকে দখল করার চেষ্টা করেছিল। ওই এলাকার সমাজসেবক সহ সমাজ কমিটির প্রতিনিধিরা বাঁধা দিতে গেলে তাদেরকে হামলা করা হয়। পরে মিথ্যা মামলা এজাহার করা হয়। কক্সবাজার শহরের বৃহত্তর ঝাউতলা পৌরসভার উদ্যোগে ড্রেন, রাস্তা চলাচলের পথ সংস্কারের সময় এক পযার্য়ে ভাড়াটিয়া সন্তাসী হামলা চালায় এবং মিথ্যা মামলা করে। মিথ্যা মামলা প্রত্যহার করার দাবিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অত্র সমাজের সমাজ কমিটির আহ্বায়ক সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
ভুক্তভোগী মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন, এভাবে একেরপর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমি ও আমার পরিজনদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাই আমিসহ আমার পরিজন এবং সৃজনশীল এলাকাবাসীর দাবি খোকন যেন তার দেয়া মিথ্যা ও উদ্যেশ্য প্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার পূর্বক এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকেন। তিনি আরও বলেন, আমি অর্থ-বিত্তহীন একজন অসহায় মানুষ। মামলার মাধ্যমে আমার পরিজনদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে মর্মে সাধু সমাজের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
ওই সময় বক্তব্য রাখেন দুই দুই বার জনপ্রিয় কাউন্সিলর প্রার্থী সেলিম রেজা বক্তব্য বলেন, যে ওই এলাকায় যে সমস্ত কাজ হচ্ছে এটি আমাদের গর্ব এবং আমরাই সবসময় বিজয় হয়ে এলাকায় থাকব ও সমাজে সুন্দরভাবে জীবন যাপন করে যাব।ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকবো পাশাপাশি সমাজকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলব।
সমাজ কমিটির আহ্বায়ক আহাম্মদ হোছেন গুরা মিয়া তিনি বলেন আমি সততার সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ এই শহরের ঝাউতলা সমাজ কমিটিকে নিজের ঘর হিসেবে পরিচালনা করে যাচ্ছি। দীর্ঘ ১৯৯৪ সাল থেকে মামলা হামলা এবং ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে তবুও আমরাই হেরে যায়নি।আমার একটা ফ্যামিলির উপর এত ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তবুও আপনাদের পাশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকবো এবং অন্যাদের থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।এক সময় আপনাদের সন্তান স্কুলে যেথে পারে নাই, রাস্তার বেহাল দশা ছিল।বর্তমান সময়ে শেখ হাসিনা যে হারে উন্নয়ন করে যাচ্ছে আমি সাধুবাদ জানাই, আমি ধন্যবাদ জানাই কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানকে। তিনি আমাদেরকে এই শহরে একটি রাজকীয় রাস্তা হিসেবে উপহার দিয়েছে।
ওই এলাকার বাসিন্দা মাস্টার বজলুল করিম তিনি বলেন, একটি সমাজকে সুন্দরভাবে গর্ত হলে গরতে হলে গড়ে তুলতে হলে সমাজের প্রতিটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যেতে হবে এমনকি প্রতিটা অন্যের বিরুদ্ধে লড়ে যেতে হবে তাই আমি আশা করব ভবিষ্যতে যেন একটি সুন্দর সমাজ হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা থাকবে।
ভুক্তভোগী আহত ব্যক্তিরা হলেন মো: জসীম উদ্দীন হারুনুর রশিদ, হাসান মোহাম্মদ, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি বলেন, ২৩২৪,২৩১৬ দাগ ১৯৯৯ মামলাটি রায় ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে মামলাটি মাননীয় আদালত মামলা হারিজ করে দেয়।
উল্লেখ্য যে বিএস খতিয়ান নম্বর ২৭২ এর মূলে ২৩১৬ ও ২৩২৪ দাগের জমির শ্রেণী বিন্যাসে রাস্তায় হওয়ায় উক্ত বিষয়ে কক্সবাজার সহকারী জজ ১০ নং আদালত প্রথম অপর ৫/৯৯ মামলা দায়ের করেন জৈনক আনোয়ারা বেগম গং ।
বিজ্ঞ আদালত বাদীর কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে দেখলেন যে, তাদের দাবি কৃত জমি জমির শ্রেণীবিন্যাস ভিটে ও খিলা জমি হিসেবে উল্লেখ আছে। এবং সড়কটি বহু বছরের পুরাতন সড়ক হওয়ায় উত্তম মামলায় ২১ জানুয়ারি ১৯৯৯ তারিখে আদেশ হই যে, বাদী পক্ষের জৈনক আনোয়ারা বেগম চাওয়া নিষেধাজ্ঞা বাতিল করা হইল। এবং উক্ত মামলা ডিসমিস করা হইল মর্মে বাদীর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালত রায় প্রদান করেন।
ওই সময় উপস্থিত ছিলেন,সাবেক সমাজ কমিটির সভাপতি মাস্টার বজলুুল করিম,সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, জিয়াবুল মসজিদ কমিটির সদস্য, নুরুল আমীন সমাজ কমিটির সদস্য,নুর কবির সমাজের সদস্য, কামাল উদ্দিন,সমাজের সদস্য, কাউসার,তারকে,জাহাঙ্গীর, ছালামত উল্লাহ, রিগান,জনি,নুরুল আমিন,সেলিম রেজা,জহির, আবু সাদ্দাম, অঞ্জন,রতন,আনিছ কোম্পানি, শাখের,ছৈয়দ সওদাগর,রতন,কৃষ্ণ,জসিম, এ্যাডভোকেট ইউছুছ,কামাল,বাবু,সুজন,শান্ত,বাপ্পি, ঈকবাল হোছন, রাসেল,জরিপ আলী,মোশারফ সহ আর অন্যান উপস্থিত ছিলেন।