বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ২৮০ নং আলিক্ষ্যং মৌজার হেডম্যান ডাক্তার মং থোয়াইলা মার্মার বিরুদ্ধে সংবাদ কর্মীকে ভুল তথ্য দিয়ে অনলাইন নিউজ, পাহাড় বার্তা ও দৈনিক আজকের পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
গত ৪ আগস্ট অনলাইন নিউজ, পাহাড় বার্তা ও ৬ আগষ্ট দৈনিক আজকের পত্রিকার মধ্যে সংবাদ কর্মীকে ভুল তথ্য দিয়ে ডা: মং থোয়াইলা মার্মার বিরুদ্ধে ভূমি দখল, অবৈধ রিপোর্ট জালিয়াতি, ডাকাতের সাথে সম্পর্ক, জালশীল ও মানুষকে হত্যার হুমকি সহ বানুয়াট ভিত্তিহীন নিউজ ছাপানো হয়েছে।
সরজমিন তদন্তপূর্বক দেখা যায়, ডা: মং থোয়াইলা মার্মা ০৩/০২/১৪ থেকে সুনামের সহিত বর্তমান এখনো পর্যন্ত ২৮০ নং আলিক্ষ্যং মৌজার হেডম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছে । কিন্তু অন্তবর্তী কালীন সরকার আমলে হঠাৎ করে পাহাড়ে ভূমিদস্যু বেড়ে যাওয়ায়, সরকারি সম্পদ রক্ষা করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মতিক্রমে তার সহযোগী হিসেবে বাইশারীতে একটি ২১ সদস্য বিশিষ্ট ভুমি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করেন তিনি । আর সেই থেকে তাহার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলমান রয়েছে।
গত ১৫ জুন দুপুর ১২ টার দিকে ১ লক্ষ টাকা ও একটি নতুন মোবাইলের জন্য ব্যাকডেটে ১২ টি জাল রিপোর্ট তৈরি করে সজল কোম্পানির বাসা থেকে যাওয়ার সময় ভূমি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা ও মাষ্টার নিলামং মার্মা সহ, (সাবেক ২৮০) নং আলিক্ষ্যং মৌজার হেডম্যান ছালামং মার্মাকে জালশীল সহ হাতেনাতে ধরে। পরে তাকে মোছ লেখা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাই বর্তমানে পাহাড়ে কিছু লোক সুবিধা ভুগ করতে না পারায় তার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে।
এ ব্যাপারে ২৮০ নং আলিক্ষ্যং মৌজা হেডম্যান ডাক্তার মংথোয়াইলা মার্মা জানান , গত ৭ জুলাই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা ইউএনও মাজহারুল ইসলামের নিকট ২৮১ নং খোয়াইং ঝিরি মৌজার হেডম্যান থংপ্রে ম্রো সহ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে দুপক্ষের সীমানা নির্ধারণ করার কথা হয়। ইউএনও হেডম্যান থংপ্রে কে ২৮১ মৌজার সীমানা নির্ধারণ করার জন্য বান্দরবান থেকে ম্যাপ সিট নিয়ে আসতে বলে। পরে সার্ভিয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়ার কথা বলেন তিনি। আর সেই ফাঁকে তারা আমার জন্য ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। আমি এই ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে ২৮১ নং খোয়াইং ঝিরি মৌজার হেডম্যান থংপ্রে ম্রো, তার নিজ সীমানা অতিক্রম করে আমার ২৮০ নং আলিক্ষ্যং মৌজার ১৩ নং ম্যাপ সিট হইতে ১০ টি অবৈধ রিপোর্ট প্রদান করেন। বর্তমানে তিনি বাইশারী এলাকার ২৮১ নং খোয়াইং ঝিরি এলাকার হেডম্যান হলেও তার বাসা বাড়ি সবকিছু আলীকদম উপজেলায়।
বাইশারী ভূমি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি, (সাবেক) ইউপি সদস্য মোঃ আবু তৈয়ব, ও সাধারণ সম্পাদক গণমাধ্যম কর্মী হাবিবুর রহমান, রনি সহ স্থানীয়রা জানান, বাইশারীতে ভমি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করার পর থেকে ভূমিদস্যু দখলদার ও জাল রিপোর্ট তৈরি কমে গেছে। বর্তমানে পাহাড়ে সরকারি সম্পদ রক্ষার্থে ডাক্তার মংথোয়াইলা মার্মা নিরলস ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে অনলাইন নিউজ পাহাড় বার্তা ও দৈনিক আজকের পত্রিকায় বৃত্তিহীন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় আমরা এলাকাবাসী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।