মোঃ শাহীন,
নাইক্ষ্যংছড়ি ( বান্দরবান) প্রতিনিধি
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বাল্য বিয়ে পন্ড করে উপজেলা সদরের কাজিকে সর্তক করলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমেন শর্মা।
বুধবার (১ মার্চ) রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি হাজি এমএ কালাম সরকারী কলেজ অফিসে এ সর্তকতা মূলক নির্দেশনা দেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নের বাহির মাঠ এলাকার, আবদুল মালেক এর মেয়ে তৈয়বা আক্তার এর সাথে, বিয়ের আয়োজন চলে পার্শ্ববর্তী কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামের জাহিদ হোসেনের অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলের সাথে।
এ নিয়ে উভয় পরিবার বুধবার দুপুরে স্থানীয় আদর্শ গ্রামে মেজবানের আয়োজনও যথারীতি সম্পন্ন করেন। পরে বর-কনের পরিবার বিয়ের কাবিননামা সম্পন্ন করতে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের কাজি ও নাইক্ষ্যংছড়ি হাজি এম এ কালাম সরকারী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের কলেজস্থ কার্যালয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ফোর্স নিয়ে অভিযান চালান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোমেন শর্মা। তিনি গিয়ে বর-কনের পিতা মাতাকে জেরা করে সত্যতা পেয়ে এ বিয়ের আয়োজন পন্ড করে দেয়।
একই সাথে বরের বয়স কম হওয়ায় বরের পিতাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোমেন শর্মা জানান, উভয় পক্ষ কাজি অফিসে গেলে ও
তিনি অভিযান চলাকালীন পর্যন্ত নিকাহ রেজিস্ট্রারে বর-কনের নাম লিপিবদ্ধ করেন নি।
তবুও তিনি কাজিকে সর্তক করে বলেন,বাল্য বিয়েতে যেকোন ভাবে সহায়তা করা বড় অপরাধ। যে কেহ এ ধরণের কাজ করলে তাদের শাস্তি ভোগ করতে হবে। বিশেষ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিয়ে -শাদীর কাজ করা যাবেনা।