
মহেশখালীতে নিলাম ছাড়াই সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ তহশিলদার ফিরোজের বিরুদ্ধে

মহেশখালী সংবাদদাতা:
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ও শাপলাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে নিলাম ছাড়াই শতবর্ষী তিনটি গাছের ডালপালাসহ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট দুই ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মোহাম্মদ ফিরোজের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সরকারি সম্পদ সংরক্ষণ ও বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিস প্রাঙ্গণ থেকে দুটি পুরোনো শিশু গাছ এবং শাপলাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে একটি প্রাচীন একাশি গাছের বড় ডালপালাসহ কেটে নেওয়া হয়েছে। কেটে নেওয়া গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে দাবি তাঁদের।
সংশ্লিষ্ট এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, শতবর্ষী গাছগুলো এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী ছিল। যথাযথ নিয়ম অনুসরণ না করে গাছগুলো কেটে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গাছ বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়েও তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন।
অভিযুক্ত তহশিলদার মোহাম্মদ ফিরোজের কাছে গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গাছগুলো অনেক পুরোনো হওয়ায় কেটে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, জানতে চাইলে তিনি অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে জানান।সরকারি সম্পদ হিসেবে ভূমি অফিস প্রাঙ্গণের গাছ কাটার ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, গাছ বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে কি না ও এত বড় গাছগুলো কেন কাটা হয়েছে জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবায়েত আহমেদ জানান, গাছ কাটার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তিনি বলেন, “সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিলাম ছাড়াই সরকারি গাছ কাটা যায় না। অভিযোগটি সত্য হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
