মেসিদের জার্সিতে রহস্যময় সংখ্যা "১৮৯৩"
বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তরা আর্জেন্টিনার জার্সিতে একটি বিশেষ সংখ্যা লক্ষ্য করেছেন। জার্সির পিছনে কলারের নিচে ছোট্ট করে সেলাই করা “১৮৯৩” সংখ্যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। অনেকেই ভাবছেন এর অর্থ কী।
আসলে এটি কেবল ডিজাইনের অংশ নয়, বরং আর্জেন্টাইন ফুটবলের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করিয়ে দেয়। ১৮৯৩ সালই সেই বছর, যখন আলেহান্দ্রো ওয়াটসন হাটন বুয়েনস আয়ার্সে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) প্রতিষ্ঠা করেন। তিনিই আর্জেন্টাইন ফুটবলের জনক হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের প্রাচীনতম ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর একটি হলো এএফএ।
২০২৬ সালের আসল প্লেয়ার ভার্সন জার্সিতে রয়েছে অ্যাডিডাসের এক বিশেষ প্রযুক্তি, যা ৩ডি বডি ম্যাপিং ব্যবহার করে খেলোয়াড়দের শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং আরাম বাড়াতে সাহায্য করে।
জার্সির সামনে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের মূল লোগো। এএফএ ক্রেস্টের ওপরে তিনটি তারা রয়েছে, যা তিনটি বিশ্বকাপ শিরোপার প্রতীক।
তবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের জার্সির বুকে থাকছে ফিফার একটি বিশেষ চ্যাম্পিয়নশিপ ব্যাজ।
সাধারণত বিশ্বকাপের দলগুলো তাদের জার্সির হাতায় সাদা বা কালো রঙের সাধারণ লোগো ব্যবহার করে। কিন্তু ফিফা এবার সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য একটি বিশেষ সোনালি রঙের প্যাচ বা লোগো তৈরি করেছে।
এই গোল্ডেন প্যাচটি পরার সুযোগ পাচ্ছে বিশ্বের মাত্র সাতটি দেশ। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, উরুগুয়ে, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ড। এবারের বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে না পারায় প্যাচটি পাওয়ার সুযোগ হারিয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি।