
দৈনিক কক্সবাজার ৭১-এর সংবাদের জের: চৌফলদন্ডী ইউনিয়ের দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে দৈনিক কক্সবাজার ৭১-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে গেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মন্নান।
১২ জুলাই (রবিবার) দুপুরে তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নে পৌঁছান। সেখানে তিনি বন্যায় প্লাবিত গ্রামীন অবকাঠামো ও ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

এর আগে, গত ১১ জুলাই দৈনিক কক্সবাজার ৭১ পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় “চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে প্লাবিত, হাজারো মানুষ পানিবন্দি” শীর্ষক একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটিতে চৌফলদন্ডীর নাজুক পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠে, যা জেলা প্রশাসনের নজরে আসে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মন্নান ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হন। এ সময় তিনি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের দুঃখ-দুর্দশার খোঁজখবর নেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, “দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। চৌফলদন্ডীর প্রতিটি মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার বদ্ধপরিকর। সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ত্রাণ ও সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি এলাকার বিত্তবান ও সচেতন মহলের প্রতিও ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আকতার জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয় ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।
উল্লেখ্য, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ঘরবাড়ি ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। জেলা প্রশাসকের এই পরিদর্শনে স্থানীয়দের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
