advertisement

নাইক্ষ্যংছড়িতে দুইটি খাল খনন শেষে সরকারি কোষাগারে কোটি টাকার জমা দিলেন ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৮:৪৭

নাইক্ষ্যংছড়িতে দুইটি খাল খনন শেষে সরকারি কোষাগারে কোটি টাকার জমা দিলেন ইউএনও
ছবি: সংগৃহীত

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ২টি খাল পুনঃখনন কাজ শেষ করে প্রকল্পের অবশিষ্ট ১কোটি ৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: এনামুল হাসান।

featured banner

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়ন ও সোনাইছড়ি ইউনিয়নের দুইটি খাল পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন সরকার।দু'টি খাল খননে খরচ হয় ১ কোটি ২০ লাখ ১৭ হাজার টাকা।সরকারের দেওয়া বাজেটের অবশিষ্ট টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান,খাল পূনঃখনন প্রকল্পের আওতায় সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জারুলিয়াছড়ি ৪ দশমিক ৫শত কিলোমিটার খাল খনন এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের ২ দশমিক ৫শত কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে।এতে খালে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা,পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করণ, কৃষিজমির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন হয়েছে।চলতি বছরের গত ৩ মে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ও ১০ জুন সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জারুলিয়াছড়ি প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়।প্রায় মাসব্যাপী খনন কাজ শেষে শ্রমিকদের মজুরি,যন্ত্রপাতি ব্যবহার, পরিবহন এবং আনুষঙ্গিক ব্যয়সহ সব বিল পরিশোধ করা হয়েছে।তারপর ১কোটি ৩লাখ ৮৭ হাজার টাকা খরচ না হয়ে অবশিষ্ট থাকায় ইউএনওর নিদের্শে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) একাধিক সদস্য জানান,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিয়মিত প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সহ কাজের স্থানের পরিধি,কাজের অগ্রগতির খেয়াল রেখেছিলেন।খননের ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট সমস্যা থাকবে না।এতে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের পূরণ হয়েছে। খাল দুইটি খননে অন্তত ৩০টির বেশি বিলের পানি নিষ্কাশন হচ্ছে। জলাবদ্ধার কারণে অনেক বিলে আমন ধান চাষ করা যেত না।এখন সেই র্দূভোগ কেটেছে।ফলে কৃষকে মূখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি,বুকভরা আশায় বেঁধেছে চাষের ভালো ফলনের স্বপ্ন।কেননা ফসল খেত ক্ষতির শঙ্কামুক্ত হয়েছে তাই।

নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: এনামুল হাসান বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের আমানত।এই অর্থ ব্যয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন ও দায়িত্বশীলতা,সততার প্রয়োজন।সরকারের বাজেটে যেকোনো প্রকল্পের ক্ষেত্রে যদি আমরা স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করি।তাহলে সরকারি অর্থের সাশ্রয়,সরকার,দেশের অর্থনীতি বাঁচিয়ে রাখা আর শক্তিশালী করে তুলা।সরকারি অর্থ মানে রাষ্ট্রীয় সম্পদ,সরকারি সম্পদ তা মনে রাখা সকলের উচিত।তাই আমি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ নিয়মিত পরিদর্শন করেছি,ব্যয়ের দিকে সর্বোচ্চ সর্তকতার নজর রেখেছি।ফলে কাজ শেষে বাজেট থেকে ব্যয় বাদ দিয়ে থাকা অবশিষ্ট টাকা সরকারের কোষাগার ফেরত দিয়েছি।আত্মসাৎ নয়,সঞ্চয় বাড়ে শক্তি,সামর্থ্য,সুশাসন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা।এতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা আন্তরিক সহযোগিতা করেছেন।

google-news-feed আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সম্পর্কিত খবর
মাদকের বিরুদ্ধে টেকপাড়ার তরুণদের কঠোর অবস্থান এখন পুরো পর্যটন নগরীতে অনুকরণীয়

মাদকের বিরুদ্ধে টেকপাড়ার তরুণদের কঠোর অবস্থান এখন পুরো পর্যটন নগরীতে অনুকরণীয়

বাঁকখালী নদী রক্ষায় ‘অদ্ভুত’ উদ্যোগ: উদ্ধার জমিতে রিসোর্ট-সুইমিংপুল বানাতে চায় বিআইডব্লিউটিএ

বাঁকখালী নদী রক্ষায় ‘অদ্ভুত’ উদ্যোগ: উদ্ধার জমিতে রিসোর্ট-সুইমিংপুল বানাতে চায় বিআইডব্লিউটিএ

আসামি ধরায় ব্যস্ত উখিয়া থানা পুলিশ, ইয়াবা দমনে নীরবতা!

আসামি ধরায় ব্যস্ত উখিয়া থানা পুলিশ, ইয়াবা দমনে নীরবতা!

সমুদ্র সৈকতে সম্প্রীতির মিলনমেলা

সমুদ্র সৈকতে সম্প্রীতির মিলনমেলা

মহেশখালীতে নিলাম ছাড়াই সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ তহশিলদার ফিরোজের বিরুদ্ধে

মহেশখালীতে নিলাম ছাড়াই সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ তহশিলদার ফিরোজের বিরুদ্ধে

প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় প্রশংসিত জেলার সার্বিক আয়োজন

প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় প্রশংসিত জেলার সার্বিক আয়োজন

সর্বশেষ সংবাদ