
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের,ফুলছড়ি রেঞ্জের,খুটাখালীস্হ মেদাকচ্ছপিয়া বনবিটে কর্মরত
বিটকর্মকর্তা দেন মামলা,বনভূমিতে ঘর পুণঃসংস্কার কাজের অনুমতি দেন তিন এফজি

এফজি শামীম,রায়ান,মন্নানের গ্রামে-গঞ্জে রয়েছে সিপিজি কমিটির মহিলা সদস্য সোর্স।পরিবারের তাগিদে বাধ্য হয়ে কোন লোক যদি ৬০ থেকে ৯০ বছরের পুরাতন বসতঘর পূণঃসংস্কার কাজ শুরু করেন,সেখানে হাজির হন এই তিন এফজিরা।উচ্ছেদ,মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করেন এফজিরা।কিছুদিন পরে ওই এফজিরা সোর্স আর স্হানীয় লোক দিয়ে স্হাপনা কাজের খবরটি পৌঁছান,ডিএফও,এসিএফ ও রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে।তখন উর্ধ্বতন কর্মকতারা বিটকর্মকর্তাকে খবরটি জানালে,তখন বিটকর্মকর্তা ২/৩জন এফজি,কয়েকজন ভিলেজার নিয়ে বিটকর্মকর্তা করেন উচ্ছেদ অভিযান।অভিযান শেষে এপর্যন্ত ১৫টির মত পুনঃসংস্কার কাজের বিরুদ্ধে দায়ের হলো বন-মামলা।
পুরাতন বসতঘর পূণঃসংস্কার কাজের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ায় এফজি শামীম,রায়হান,মন্নান থেকে উৎকোচ নেওয়া টাকা ফেরত চেয়ে পথে-ঘাটে,বাজারের যেখানে দেখেন,সেখানে হাতাহাতি,তর্কাতর্কির হট্রগোল।যেকোন সময়,যেকোন মূর্হুতে এফজি শামীম,রায়হান,মন্নানের উপরে হতের হামলা।
বলছিলাম-কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের,ফুলছড়ি রেঞ্জের,খুটাখালীস্হ মেদাকচ্ছপিয়া বনবিটে কর্মরত রাঘববোয়াল তিন এফজির কর্মকান্ডের কথা।
মেদাকচ্ছপিয়া বিটকর্মকর্তা মোঃ রিপন মিয়া বলেন-আমি যোগদানের ২মাসের মধ্যে কোন পুনঃসংস্কার কাজের অনুমতি দেয়নি।আমার অফিসের কেউ দিলেও আমি জানি না।যদি কোন মাধ্যমে আমি খবর জেনে থাকি,তখনই করি অভিযান,তারপর আইনগত এপর্যন্ত নিতে ১৫টির মত করেছি মামলা।আমি সম্মান নিয়ে বাচঁতে চাই।
ভুক্তভোগী আলী আহমদ জানান-আমার মহল্লার এক গরীব লোকের পুরাতন বসতঘরের ছালের সাথে লাগোয়া তাঁর দিনমজুর ছেলে একটির বারান্দা বাড়ায়।এতে এফজি শামীম,রায়হান,মন্নানেরা এসে ভেঙে দেন।তারপর এফজিরা গোপনে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা নেন।কিছুদিন পরে শুনেছি ওপরে চাপে বিটকর্মকর্তা মামলা দিয়েছেন।তখন আমি এই এফজিদেরকে টাকা ফেরত দিতে সুপারিশ করি।তখন শামীম,রায়হান,মন্নান আচারণ খারাপ করলে,আমি বাজারে তাদেরকে বকাবকি করে,কয়েক দিনের মধ্যে টাকা ফেরতের সময় দিয়েছি।ফেরত না দিলে কি হবে একমাত্র আল্লাহ জানেন।
ভুক্তভোগী দিল মোহাম্মদ জানান-আমি পরিবার নিয়ে থাকি খুটাখালী বাজারের পাশে।আমার এক চাচাতো ভাই পুরাতন বসতঘরের পাশে বাউন্ডারি দিয়েছেন।ওই বাউন্ডারি দেওয়ার জন্য আমার প্রবাসী চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী থেকে ২০ হাজার টাকা নেন এফজি শামীম,রায়হান ও মন্নানেরা।এর কিছু দিন পরে শুনলাম আমাকে সহ ভাইয়ের স্ত্রীর মামলা দেওয়া হয়েছে।তারপর মামলার নথি উত্তোলন করেছি।ভিন্ন রাজনীতি দল স্হানীয় আ'লীগ নেতার টাকায় কেন আমাকে মামলার আসামী করলো,বিষয়টি আমি প্রতিকার চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পিএস'র কাছে জমা দিয়েছি।কারণ আমি বিএনপি করলো,কারো অন্যায় করেনি,করবো না।যদি ডিএফও,এসিএফ কোন সুরাহাা দেন,তাহলে বড় ধরনের গন্ডুগোল হওয়ার সম্ভবনার কথা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী আরো ১৪টি মামলার আসামীরা জানান-এফজিরা টাকা নিয়েও যখন মামলার আসামী হয়েছি,জেল খাটতে হবে।তখন এই এফজিরা টাকা ফেরত না দিলে,এফজিদের অবস্হা কখন কি হবে,আল্লাহ জানেন বলে হুশিয়ারীর কথা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান-মামলা খেয়েছি,টাকা ফেরত চাইলে রেঞ্জ কর্মকর্তার দাপট আর ক্ষমতার হুমকি দিয়ে বেড়ান এফজিরা।
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
