
মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান মামলার তদন্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান-সংক্রান্ত মামলার তদন্ত কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, পেশাদার ও আইনসম্মতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে স্টকহোল্ডারদের নিয়ে “Assistance to Vulnerable Migrants and Counter Trafficking (AVMCT)” কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (২৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ, নারী-ও-শিশু নির্জাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩, জেলা ও দায়রা জজ আদালত মো: মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সিদ্দিক ।বিশেষ অতিথি ও প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রফেসর এ বি এম আবু নোমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ মো: মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সিদ্দিক বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান-সংক্রান্ত মামলার তদন্তের শুরু থেকেই প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। তদন্তে সামান্য দুর্বলতাও বিচারিক প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।তিনি আরও বলেন-তদন্তের ক্ষেত্রে আইনে বিদ্যমান সব ধরনের সুযোগ ও বিধান যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। অনেক সময় এসব আইনগত সুযোগ সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকা বা যথাযথ প্রয়োগ না করার কারণে মামলার গুরুত্ব হ্রাস পায় এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন ব্যাহত হয়। তাই প্রতিটি মামলায় নির্ভুল তদন্ত ও শক্তিশালী চার্জশিট প্রণয়নের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।বিশেষ অতিথি ও প্রধান আলোচক প্রফেসর এ বি এম আবু নোমান বলেন, তদন্তের ক্ষেত্রে আইনে বিদ্যমান সব ধরনের সুযোগ ও বিধান যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। অনেক সময় এসব আইনগত সুযোগ সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকা বা যথাযথ প্রয়োগ না করার কারণে মামলার গুরুত্ব হ্রাস পায় এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন ব্যাহত হয়। তাই প্রতিটি মামলায় নির্ভুল তদন্ত ও শক্তিশালী চার্জশিট প্রণয়নের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।তিনি আরও বলেন-মানব পাচারকারীরা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে, যেখানে অনেকে ভয়াবহ নির্যাতন ও শোষণের শিকার হচ্ছেন। মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে নিজেদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। আমরা নিজে বাঁচব, অন্যকে বাঁচাব; নিজে সচেতন হব, অন্যকেও সচেতন করব।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন কক্সবাজার জেলা ও জজ কোর্টের সংশ্লিষ্ট বিচারকগণ, অভিবাসীদের আইনী সহায়তায় প্রকল্পের প্যানেল আইনজীবী, অভিবাসন এনজিও আইওএম, পুলিশ প্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিকসহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগন।
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
