advertisement

কুম্বকর্ণের ঘুমে বন বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তারা

পিএমখালী ও ফুলছড়ি রেঞ্জে সাবাড় হচ্ছে পাহাড়

মোবারক উদ্দিন নয়ন

মোবারক উদ্দিন নয়ন

নভেম্বর ০৪, ২০২৬, ০৮:৪৫

পিএমখালী ও ফুলছড়ি রেঞ্জে সাবাড় হচ্ছে পাহাড়
ছবি: সংগৃহীত
  1. বন বিভাগের লোকেরাই টাকায় বিক্রি করছে পাহাড়,
  2. মাটি বিক্রি করে ডাম্পার প্রতি আদায় করছে টাকা,
  3. খুরুশকুল বিট অফিসের সামনে দিয়েই চলাচল করে মাটি ভরা ডাম্পার

কক্সবাজার ৭১ রিপোর্ট:

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের পিএমখালী ও ফুলছড়ি রেঞ্জের অধীনে পাহাড়গুলো বিলিন হতে চলেছে। একর পর এক পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করছে পিএমখালী ও ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তারা এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে করে একদিকে সাবাড় হচ্ছে প্রাকৃতিক পেরাক খ্যাত পাহাড় আর পরিবেশ ধ্বংসে হারিয়ে যাচ্ছে জীববৈচিত্র। দীঘদিন ধরে এতশত অভিযোগ আর বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশের পরও ব্যবস্থা নিচ্ছেনা উর্ধতন কর্তৃপক্ষ। এ যেন কুম্বকর্ণের ঘুমে অচেতন বন বিভাগ। এতে করে দিনের পর দিন আসকারা পেয়ে পিএমখালী ও ফুলছড়ি রেঞ্জের কর্মকর্তারা পাহাড়ী মাটি সহ পাহাড়র জমি বিক্রি করছে বলেও অভিযোগ করছেন সচেতন মহল।

featured banner

এদিকে এক মাস আগেও ছিল আস্ত একটা পাহাড়। ছিল ছোট বড় সবুজ গাছ গাছালির সারি ও ঘন বনজঙ্গল। অনধিক একদুই মাসের ব্যবধানে পুরো পাহাড়টির প্রায় নাই হয়ে গেছে। রাতে-দিনে আস্ত পাহাড়টি কেটে সাবাড় করে ফেলেছে স্থানীয় একটি ভূমিদস্যু চক্র। এটি কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়ন পিএমখালী রেঞ্জ খুরুশকুল বিটের রুহুল্লার ডেইল ঘোনাপাড়া এলাকার একটি কাটা পাহাড়ের চিত্র। স্থানীয় একটি পাহাড়খেকো চক্র বনবিভাগ ও প্রশাসন ম্যানেজ করে চুক্তিতে বিশালাকৃতির এই পাহাড়টি কেটে মাটি বিক্রি করে দিয়েছে।খুরুশকুল ইউনিয়নের আঞ্চলিক সড়ক দক্ষিণ খুরুশকুল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ধীরেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (টাইমবাজারের দক্ষিণে) এর পূর্বে রুহুল্লার ডেইল সড়ক হইয়ে ঘোনাপাড়া। উত্তর দিকের কাঁচা রাস্তা দিয়ে এক'শ মিটার গেলেই দেখা যায় আস্ত পাহাড় কাটার দৃশ্য। পাহাড় কেটে মাটি আনতে হয় খুরুশকুল বিট অফিসের সামনে দিয়েই। স্থানীয়রা জানান খুরুশকুল ও তোতকখালী বনবিট কর্মকর্তা কামরুল ডাম্পার প্রতি টাকা আদায় করে পাহাড় কাটার সুযোগ করে দিচ্ছেন তিনি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন পিএমখালী রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে একেরপর এক নাই হয়ে যাচ্ছে পাহাড় আর অবৈধ দখলদারদের হাতে বিরানভূমিতে পরিণত হচ্ছে বনভূমি। প্রকাশ্যে চলছে গাছ পাচার। এছাড়াও বনের জমির দখল বিক্রি ও পাহাড় কেটে পাঁকা দালান নির্মাণে সহযোগীতা করে লাখ লাখ টাকা পকেটস্থ করছে রেঞ্জে কর্মরত বিভিন্ন বনবিটে দায়িত্বরত ফরেস্টেরা।

পিএমখালী রেঞ্জের আওতাধীন চার বনবিট খুরুশকুল, তোতকখালী, পিএমখালী, ছনখোলা দীঘিরঘোনা বিট। এই বিট এলাকাগুলোতে নির্বিচারে পাহাড় কাটা, পাকা ঘর নির্মাণ, বনভুমির দখল বিক্রি ও মূল্যবান গাছ কাটা পাচারের ঘটনা রীতিমতো পরিবেশবাদী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাবিয়ে তুলেছে। এতে লাভবান হচ্ছে খোদ রক্ষক তথা রেঞ্জে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

এদিকে, উল্লেখ্য ৪ বিট এলাকায় দিন-রাত পাহাড় কাটা মাটি বালু পাচার, গাছ কাটা এবং কাঠ পাচার, অবৈধ করাত কলে কাঠ চিরাই অব্যাহত থাকলেও সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বিট কর্মকর্তাদের আচার আচরণ রহস্যজনক বলে দাবি স্থানীয় মানুষের। এমনকি বন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের আশকারা পেয়ে পাহাড় ও বনখেকোরা দিনদিনই বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে। স্থানীয় ও পরিবেশবাদীরা মনে করেন, পাহাড় কাটা, বনভূমি দখল করে তার ওপর ঘর নির্মাণের কারণে পরিবেশ ও প্রাকৃতির ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। যেভাবে পাহাড় ঢিলা কাটা, স্থাপনা নির্মাণ, বনভূমির জমি অবৈধ দখল এবং গাছ কাটা চলছে এতে কক্সবাজারে বন ও পাহাড়ের কোন অস্তিত্ব থাকবে না। খুব শিগগিরই বিরানভূমিতে পরিণত হবে বনভূমি এমনটাই ধারণা করছেন সচেতন মহল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিট কর্মকর্তারা টাকা পেলেই বনভূমিতে যা ইচ্ছা করতে সুযোগ দিয়ে থাকেন। তাদের চাহিদামত চাঁদার টাকা না পাওয়া পর্যন্ত বারবার একটি বাড়িতে গিয়ে তাদের ভয়ভীতি দিয়ে থাকেন। কোন স্থাপনা উচ্ছেদ নয় বরং চাঁদার টাকা আদায়ের জন্য জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে চাপের মধ্যে রাখেন চাঁদার টাকা না আদায় পর্যন্ত বিট কর্মকর্তারা। যে কারণে উল্লেখ্য বনবিট গুলোতে আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে নির্বিচারে পাহাড় কাটা, বনভূমি দখল, বিক্রি, পাহাড় কেটে অবৈধ বসতি নির্মাণ, বনের গাছ পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ।

খুরুশকুল ও তোতকখালী বনবিট কর্মকর্তা কামরুল ও ছনখোলা দীঘিরঘোনা বিট কর্মকর্তা যোগদানের পর থেকেই শুরু হয় বেপরোয়া গতিতে পাহাড় কাটা, স্থাপনা নির্মাণ, বন উজাড়, বনভূমি অবৈধ দখল, সামাজিক বনায়নের গাছ কাটা, পানের বরজ ও অবৈধ করাতকল থেকে মাসোহারা আদায় সহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যায়। বিট কর্মকর্তারা স্ব স্ব বিটে যোগদানের পরপরই সখ্যতা গড়ে তুলেন পাহাড়খেকোদের সাথে। এরপর চুত্তিতে বন ও পাহাড় খেকোদেরকে বনবিভাগের জমিতে যা ইচ্ছা করার সুযোগ দিয়ে তার দায় এড়িয়ে যান বিট কর্মকর্তারা।

এদিকে পিএম খালী রেঞ্জ অফিসের ক্যাশিয়ার খ্যাত দিদার এজেন্ট হিসাবে কাজ করছে। পাহাড়ের জমি বিক্রি, মাটি বিক্রি ও গাছ বিক্রি দিদার ছাড়া হয়না। উক্ত দিদারই পিএম খালীর অঘোষিত জমিদার। স্থানীয় খুচরা দাললারা পাহাড়ের জমিতে বাড়ি করা, মাটি কাটা ও গাছ কাটার জন্য দিদারের কাছেই যায় এবং উক্ত দিদার রেঞ্জ কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে দাম নির্ধারণ করে বলে জানান ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।

এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে পিএমখালী রেঞ্জকর্মকর্তা জুয়েল চৌধুরীকে ফোন করেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের,ফুলছড়ি রেঞ্জকর্মকর্তার ভয়াল থাবায় ফুলছড়ি,খুটাখালী ও মেদাকচ্ছপিয়া বনবিটে পাহাড় কেটে মাটি পাচার,গাছ পাচার আর বনভুমি বিক্রির ধ্রুম পড়েছে।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়-ফুলছড়ি বনবিটের খুটাখালী ইউনিয়নস্হ লম্বাতলী নামক এলাকা থেকে পাহাড় কেটে দিনদুপুরে মাটি পাচার করা হয়েছে।

খুটাখালী বনবিটের সাবেক হেডম্যান সৈয়দ প্রকাশ সৈইত্তা ঘোনা অর্থাৎ ১৯৯৭ সনের জবর-দখলকৃত বাগানের গাছ কেটে গত বৃহস্পতিবার রাতে পাচার করা হয়েছে।একই স্হানে ঝুপড়ি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।উল্লেখ গেল ছয়মাসে ২০টির মত ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।এভাবে গেল ১০ বছরে এই সৈইত্তা ঘোনাতে প্রায় ৫ কোটি টাকার জায়গা বিক্রি আর প্রায় ৫৫টির মত ঘর নির্মাণ করলেও,নিরব বনবিভাগ।

এছাড়াও খুটাখালী বনবিটের সংরক্ষিত বনভূমির ভিলেজার শামসুল আলমের বাড়ীর সামনে প্রায় ২২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ৪০শতক জায়গা বিক্রি করা হয়।জায়গাটি ক্রেতা বেলাল উদ্দিন,পিতা-মোহাম্মদ হোসেন।যে জায়গাতে মসজিদ নির্মাণ করা কথা এবং ঈদ খোলা,জানাজা নামাজ নামাজ আদায় হয়তো।সেই জায়গাটি অবশেষে রেঞ্জ কর্মকর্তার গোপন সহযোগিতায় বিক্রিত হলো।

মেদাকচ্ছপিয়া বনবিটের সংরক্ষিত বনভূমি অর্থাৎ জাতীয় উদ্যান এলাকার মইক্কাঘোনা এলাকাতে নন-ভিলেজার আনছারুল করিম,স্ত্রী শাকেরা বেগম ২০শতক জায়গা বিক্রি করেছে।তারা বলেছেন-আমরা রেঞ্জ কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগ করে কাজটি করেছি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান-ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা কুদ্দুস আসার পর থেকে রক্ষিত বনভূমি জবরদখল,পাহাড়কাটা,গাছকাটা,বনভূমি আর নতুন-নতুন স্থাপনা নির্মাণের ধ্রুম পড়েছে।এই কর্মকর্তা আ'লীগ নেতাকর্মীদেরকে বেশি সহযোগিতা করে যাচ্ছেনএছাড়াও যারা বনের ক্ষতি সাধনে লিপ্ত এমন ব্যক্তিদের কাছে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন।কোন অভিযোগ সে কর্ণপাত করেন না।বর্তমানে বিএনপি সমর্থিত রাঘববোয়াল কিছু বন ধ্বংসকারী নেতাকেও অবৈধ কর্মকান্ড চালাতে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

একই বনবিটে নলবুনিয়া এলাকায় মোকতার আহমদের পাঁকাবাড়ী নির্মাণকে কেন্দ্র করে সিপিজি সদস্য আহমদ হোসেন বেদড়ক পিটিয়ে আহত করেছেন স্হানীয় জনপ্রতিনিধি সহ বনখেকোরা।বিষয়টি নিয়ে রেঞ্জকর্মকর্তা কুদ্দুসের সাথে হামলাকারীর দফারফা বৈঠকের মাধ্যমে নীরব দর্শকের ভুমিকায় একর্মকর্তা।এভাবে সে নিজের পকেটভারী কিংবা আখের গোছাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

এবিষয়ে ফুলছড়ি ও মেদাকচ্ছপিয়া বনবিটের দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তা সাউদ যাহিন বলেন-পাহাড় বন্ধ করে দিয়েছি আর মোকতারের বাড়ী নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্হা প্রত্রিয়াধিন।তারা কার ইশরায় এমন কাজ করতে সাহস পান,সেটি আমি খুঁজে মরিয়া হয়ে উঠেছি।

এবিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা কুদ্দুসুর রহমানের কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।তাই বিষয়গুলো এসিএফ শহীদুল ইসলাম শাকিল ও ডিএফও মারুফ হোসেনকে হোয়াটসঅ্যাপ স্বচিত্র ডকুমেন্টস সহ দিয়ে ব্যবস্হা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, এই দুই রেঞ্জ কর্মকর্তা সরকারি বনভূমি, বন্যপ্রাণী ও বনায়ন রক্ষণাবেক্ষণে দায়িত্বরত কর্মকর্তা কর্মচারীরা রক্ষক না হয়ে ভক্ষকে পরিণত হয়েছে। তাঁরা বনখেকো সিন্ডিকেটের সাথে যোগসাজশে পাহাড় কাটা বালু মাটি, কাঠ পাচারের সুযোগ দিচ্ছে। এমতাবস্থায় নির্বিঘ্নে ডাম্পার যোগে দিনেরাতে পাচার করা হচ্ছে পাহাড় কাটার মাটি ও বনের মূল্যবান কাঠ। অবৈধ দখলদারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে দালান নির্মাণের মৌখিক অনুমতি এবং এধরনে প্রতিটি অবৈধ কাঁচা পাকা দালান থেকে লাখ লাখ টাকা অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ স্থানীয় লোকজনের।

পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় সচেতন মহল বনাঞ্চল ধ্বংস, অবৈধ কাঠ পাচার এবং পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বনসম্পদ এবং পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।

পাহাড় কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে খুরুশকুল বন বিট কর্মকর্তা কামরুল বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, পাহাড়কে কোথা প্রভাবশালী। এদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযান চালানোর সামর্থ্য নেই তার। কেননা এরা খুবই দুর্ধর্ষ প্রাকৃতির।

এবিষয়ে অবহিত করে বক্তব্য জানতে চাইলে কক্সবাজার উত্তর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মারুফ হোসেন বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। তদন্ত পুর্বক বন বিভাগের কেউ জড়িত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর যে বা যারা পাহাড় কাটা কাজে জড়িত তাদের পরিচয় নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

google-news-feed আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সম্পর্কিত খবর
চকরিয়ায় সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও পরিবেশ ধ্বংসের মহোৎসব: কাঠ-বালি লুটে বেপরোয়া ‘মোহাম্মদ আলী লিটন’ চক্র

চকরিয়ায় সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও পরিবেশ ধ্বংসের মহোৎসব: কাঠ-বালি লুটে বেপরোয়া ‘মোহাম্মদ আলী লিটন’ চক্র

ইনানী ভাড়া বাসা থেকে সী-পার্ল হোটেলকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার!

ইনানী ভাড়া বাসা থেকে সী-পার্ল হোটেলকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার!

খরুলিয়ায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট

খরুলিয়ায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট

চকরিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

চকরিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র ও মাদকের গডফাদার 'মৌলভী মোঃ নূর ওরফে আমজাদ' সহ অপরাধ চক্রের দৌরাত্ম্য: সাধারণ রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র ও মাদকের গডফাদার 'মৌলভী মোঃ নূর ওরফে আমজাদ' সহ অপরাধ চক্রের দৌরাত্ম্য: সাধারণ রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

সীমান্তে মাদক কারবার ও ক্ষমতার অপব্যবহার: রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়া আবুল ফয়েজকে নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য

সীমান্তে মাদক কারবার ও ক্ষমতার অপব্যবহার: রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়া আবুল ফয়েজকে নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য

সর্বশেষ সংবাদ